Top Videos | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Top Videos
শুভেচ্ছা পরিবহনের শুভ উদ্বোধন আশুলিয়া বাডইপাড়া চন্দ্রা থেকে কাচপুর নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত #আই_নিউজ_বিডি
শুভেচ্ছা পরিবহনের শুভ উদ্বোধন চন্দ্রা থেকে কাচপুর নারায়ণগঞ্জ পর্যন্ত বিগত সাত বছর বন্ধ থাকার পর পুনরায় আবার চালু হয়েছে চেয়ারম্যান এবং পরিচালক বৃন্দ তারা জানিয়েছে যে আগের থেকে পরিচালনা অনেকটাই ভালো হবে বলে আমরা আশাবাদী এটি চন্দ্র থেকে কাঁচপুর ব্রিজ পর্যন্ত যাবে সেটি তারা আমাকে বলেছে তবে তারা এই পরিবহন টাইম এর সিস্টেমে চালাবে
আমতলী চলাভাঙ্গা গ্রামে তাল গাছের রসকে কেন্দ্র করে একজনকে পিটিয়ে হত্যা
বাংলাদেশ বিনিয়োগ সম্মেলন ২০২৫ এর প্রথম দিনের আয়োজন ও কর্মসূচি নিয়ে প্রেস ব্রিফিং করেছেন বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন ও প্রধান উপদেষ্টার বিশেষ সহকারী ফয়েজ আহমদ তৈয়্যব।
সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিদর্শন, কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনয় সভা ও পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতা অভিযানে অংশগ্রহণ করেছেন সাতক্ষীরা-২ আসনের সংসদ সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক
ভিডিও ধারণ: শেখ আমিনুর হোসেন, সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার, সাতক্ষীরা।
যশোরের মনিরামপুরে বিএনপির চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় কুরআন খতম ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে।
যশোর-৫ (মনিরামপুর) আসনের বিএনপি মনোনীত এমপি প্রার্থী রশীদ বিন ওয়াক্কাসের উদ্যোগে সোমবার বিকেল ৪টায় মনিরামপুর উপজেলার খানপুর ইউনিয়নের পেয়ারাতলা বাজারে এ দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানে রশীদ বিন ওয়াক্কাস বলেন, আপসহীন নেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে বাংলাদেশ একজন অভিভাবকহীন হলো। তিনি বলেন, দেশ যখন গভীর ষড়যন্ত্রের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে, তখন তার দিকনির্দেশনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ছিল। তিনি বেগম জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় সবার কাছে দোয়া চান এবং তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশ গড়ার আন্দোলনে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানান।
কুরআন খতম শেষে স্থানীয় বিভিন্ন মসজিদ ও মাদরাসার পরিচালক, ইমাম, হাফেজ এবং রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দের অংশগ্রহণে বেগম খালেদা জিয়ার মাগফিরাত কামনায় বিশেষ মোনাজাত করা হয়।
মাওলানা আজিজুর রহমানের সভাপতিত্বে এবং মুফতী কামরুজ্জামান কাসেমীর পরিচালনায় দোয়া মাহফিলে বিএনপি ও জোটের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মীরা উপস্থিত
কাদের মোল্লার কসম ! শাহবাগীদের বিরুদ্ধে জামাতি অ্যাকশন ! শ্লোগান কন্যা লাকিকে নিয়ে উত্তেজনা !
মেধা দিয়ে কিন্তু রেল চলে না: রেল বুঝতে সচিবের লাগে ১০ বছর
দুবাই, একসময় মরুভূমির দেশ হিসেবে পরিচিত ছিল, এখন এক বিশ্বব্যাপী অর্থনৈতিক কেন্দ্র হয়ে উঠেছে। এর পিছনে রয়েছে কয়েকটি কৌশলগত সিদ্ধান্ত, যেমন বাণিজ্যিক কর ছাড়, আধুনিক অবকাঠামো, এবং প্রাসঙ্গিক শিল্পে বিনিয়োগ। এই নিবন্ধে জানবো কীভাবে দুবাই বিশাল পরিমাণ সম্পদ সঞ্চয় করতে সক্ষম হয়েছে এবং আপনি যদি সেখানে যাওয়ার কথা ভাবেন, তবে কীভাবে এটি আপনার জন্য উপকারী হতে পারে।
দুবাই আজ যা কিছু, তার জন্য দায়ী তার অপরিসীম দৃষ্টিভঙ্গি, দেশটির শাসকরা যে কতটা দূরদর্শী এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করেছেন, তারই ফল। তাদের ব্যবসা-বাণিজ্য, পর্যটন, ফাইনান্স এবং রিয়েল এস্টেট খাতে প্রবৃদ্ধি এই শহরকে বিশ্বের অন্যতম বড় অর্থনৈতিক কেন্দ্র হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছে। দুবাইয়ের অগ্রগতির পেছনে কিছু মূল কারণ রয়েছে:
দুবাইয়ের আকাশচুম্বী ভবন, উচ্চমানের রাস্তা, মেট্রো সিস্টেম এবং আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর শহরটিকে বিশ্বের অন্যতম আধুনিক নগরীতে পরিণত করেছে।
দুবাই সরকার ব্যবসায়ীদের জন্য আকর্ষণীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদান করেছে, যার মধ্যে করের ব্যাপক ছাড় রয়েছে। বিশেষ করে কোম্পানি নিবন্ধন ও ব্যবসা পরিচালনার জন্য এখানে তেমন কোনো কর নেই।
আপনি যদি ক্যারিয়ার গড়তে চান, চাকরি বা ব্যবসা শুরু করতে চান, দুবাই হতে পারে সেরা জায়গা। এখানে চাকরির বাজারের আকর্ষণীয় সুযোগ, উচ্চ বেতন এবং আন্তর্জাতিক সংস্থাগুলোর উপস্থিতি আপনাকে দ্রুত পেশাগত উন্নতির দিকে এগিয়ে নিয়ে যেতে পারে। সেইসাথে, এখানে বসবাসের মানও অত্যন্ত উচ্চ, যা জীবনযাত্রার স্বাচ্ছন্দ্য এবং বিলাসিতা উপভোগ করার সুযোগ দেয়।
এটা কি আপনার জন্য উপকারী হবে?
দুবাইয়ের কর্মসংস্থান বাজারে বেশ কিছু চ্যালেঞ্জ থাকতে পারে, তবে যারা বিশেষজ্ঞ ক্ষেত্র যেমন প্রযুক্তি, প্রকৌশল, এবং ফিনান্সে দক্ষ, তাদের জন্য এখানে বড় সুযোগ রয়েছে। দেশটির ব্যতিক্রমী জীবনযাত্রা এবং কাজের সুযোগ যদি আপনার আকাঙ্ক্ষার সাথে মেলে, তবে দুবাই হতে পারে আপনার স্বপ্নের গন্তব্য।
দুবাইয়ের ভবিষ্যত পরিকল্পনা অনেকটাই পরিষ্কার, এবং তার বড় অংশগুলোর মধ্যে রয়েছে নতুন নতুন প্রযুক্তি, শিল্প, এবং গ্রিন এনার্জি সেক্টরে বিনিয়োগ। একে "অর্থনীতির বৈচিত্র্য" অর্জনের জন্য তারা বিশ্বব্যাপী নাম কামিয়েছে।
দুবাই আজ যা, তার পিছনে রয়েছে চমকপ্রদ দৃষ্টিভঙ্গি এবং কঠোর পরিশ্রমের ফল। এই শহরটি এখন বিশ্বের অন্যতম আকর্ষণীয় স্থান হয়ে উঠেছে। তবে, সেখানে যাওয়ার আগে আপনাকে ভাবতে হবে কীভাবে সেখানে আপনার ক্যারিয়ার এবং জীবনযাত্রার লক্ষ্য পূরণ করতে পারবেন।
কক্সবাজারের
কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতে ভেসে আসা একটি মরা তিমি মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে। পরিবেশ
দূষণ রোধে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আল আযাদ নিজ উদ্যোগে
স্কেভেটর দিয়ে তিমিটিকে মাটি চাপা দেন।
শনিবার রাতের
দিকে দক্ষিণ ধুরুং ইউনিয়নের অলি পাড়া সংলগ্ন সমুদ্র সৈকতে তিমিটি ভেসে আসে বলে
স্থানীয়রা জানান। পরে বিষয়টি চেয়ারম্যান আলা উদ্দিন আল আযাদকে জানানো হলে তিনি
দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবস্থা নেন।
চেয়ারম্যান আলা
উদ্দিন আল আযাদ জানান, সৈকতে মরা তিমি পড়ে থাকলে দুর্গন্ধ ও
পরিবেশ দূষণের আশঙ্কা থাকে। তাই স্থানীয়দের স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে দ্রুত স্কেভেটর
দিয়ে তিমিটিকে মাটি চাপা দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান,
তিমিটির ওজন আনুমানিক প্রায় এক টন এবং দৈর্ঘ্য প্রায় ৫ থেকে ৬ মিটার
হতে পারে।
স্থানীয়রা জানান,
সমুদ্রের ঢেউয়ের সঙ্গে মাঝে মধ্যে বড় সামুদ্রিক প্রাণী ভেসে আসে। তবে
কুতুবদিয়ার সৈকতে তিমি ভেসে আসার ঘটনা খুবই বিরল।
এ ঘটনায় এলাকায়
ব্যাপক কৌতূহলের সৃষ্টি হয় এবং অনেকেই ঘটনাস্থলে ভিড় করেন।
।
চাঁদপুরের ফরিদগঞ্জে বিদেশে উপার্জিত টাকা লেনদেনের জেরে চাচার ধারালো অস্ত্রের আঘাতে বাবু (২৪) নামে এক ওমানফেরত যুবক নিহত হয়েছেন। একই ঘটনায় নিহতের বাবা রওশন গাজী (৫০) ও ভাই এমরান হোসেন (২২) গুরুতর আহত হয়েছেন। সোমবার (১১ আগস্ট) দুপুরে উপজেলার বড়গাঁও গ্রামের গাজী বাড়িতে এই ঘটনা
এলাকাবাসী জানায়, নিহত বাবুর চাচা হাসান গাজী প্রবাসে থাকা অবস্থায় বাবুর কাছে কিছু টাকা পেতেন বলে দাবি করেন। এ নিয়ে দু’পক্ষের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে বিরোধ চলছিল। দুপুরে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে হাসান ও তার দুই ছেলে শাকিল ও রাকিব ক্ষিপ্ত হয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে বাবু, রওশন গাজী ও এমরান হোসেনকে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে জখম করে। এতে ঘটনাস্থলেই বাবু মারা যান।
জানা যায়, আহতদের উদ্ধার করে চাঁদপুর সদর জেনারেল হাসপাতালে নেয়া হয়েছে। সেখানে রওশন গাজী চিকিৎসাধীন রয়েছেন এবং গুরুতর আহত এমরানকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ঘটনার পর স্থানীয়রা হাসান গাজীকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করেন। তবে তার দুই ছেলে শাকিল ও রাকিব পালিয়ে গেছে।
এ বিষয়ে চাঁদপুর জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার লুৎফর রহমান জানান, হামলাকারীদের মধ্যে একজনকে আটক করা হয়েছে। এছাড়াও দুইজন পলাতক রয়েছে। এ ঘটনায় নিহতের পরিবারের পক্ষ থেকে হত্যা মামলার প্রস্তুতি চলছে।
বিএনপির ৩১ দফার লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগে মনোনয়ন প্রত্যাশী এডভোকেট এম. লোকমান শাহ্
বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান ঘোষিত রাষ্ট্র মেরামতের ৩১ দফা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে চট্টগ্রামের আনোয়ারায় লিফলেট বিতরণ ও গণসংযোগ করেছেন দলের চট্টগ্রাম-১৩ (আনোয়ারা-কর্ণফুলী) আসনের প্রাথমিক মনোনয়নপ্রাপ্ত প্রার্থী ও অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) এডভোকেট এম. লোকমান শাহ্।
মঙ্গলবার (২১ অক্টোবর) রাতে উপজেলার বৈরাগ ইউনিয়নের বন্দর কমিউনিটি সেন্টার ও কাফকো হাউজিং কলোনির সাধারণ মানুষসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষের হাতে লিফলেট বিতরণ করা হয় এবং ৩১ দফার মূল বক্তব্য তুলে ধরা হয়। এ সময় জনগণকে ৩১ দফা মনোযোগ দিয়ে পড়ার আহ্বান জানান তিনি।
তাঁর সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন দক্ষিণ জেলা কৃষকদলের যুগ্ম আহবায়ক আরিফুল ইসলাম, জেলা ছাত্রদল নেতা মোহাম্মদ বেলাল, শ্রমিক দল নেতা আবু বক্কর ড্রাইভার, বিএনপি নেতা ইমরান শাহ্, শ্রমিকদল নেতা মারুফুল ইসলাম প্রমুখ।
লালমনিরহাটের কালীগঞ্জে প্রতিবন্ধীমে কে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে অমানবিক নির্যাতন।
কুমিল্লায় এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা’ মামলা এবং পুলিশের দেওয়া ‘বানোয়াট’ তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। আজ বুধবার কুমিল্লার একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সেনা সদস্য আবুল খায়েরের স্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ০৯/১১/২০২৫ তারিখে সেনা সদস্য আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে একটি মারামারির মামলা (সিআর ১৮৬৯/২৫) দায়ের করেন তার ছোট ভাই ও পুলিশ সদস্য আমিনুল ইসলামের স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং প্রতিহিংসামূলক।
সেনা সদস্যের স্ত্রী অভিযোগ করেন, মামলাটি দায়েরের পর পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলে বাদীপক্ষ স্পষ্টভাবে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার দেবর আমিনুল ইসলাম পুলিশে কর্মরত থাকার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কোতোয়ালি থানার অধীনস্থ ছত্রখিল ফাঁড়ির আইসি মমিরুল সাহেব যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সেনা সদস্য ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মামলায় বাদী জান্নাতুল মাওয়া দাবি করেছিলেন যে, মারধরের কারণে তার সন্তান নষ্ট হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবার বলেন
বাদীর এই অভিযোগটি হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। কারণ, মাত্র এক মাস আগে বাদীর একটি সুস্থ সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে গর্ভপাতের অভিযোগটি সম্পূর্ণ সাজানো।
মামলার ৬ ও ৭ নম্বর সাক্ষী—আয়নাল হকের ছেলে রিপন মিয়া এবং এসাক মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন রাফি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের জানান
আমরা মামলার বিষয়ে কিছুই জানি না। পুলিশ আমাদের স্বাক্ষর করতে বলেছিল বলে আমরা স্বাক্ষর করেছি। এই ঘটনার কোনো দায়ভার আমরা গ্রহণ করব না।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে ভুক্তভোগী পরিবার এই মিথ্যা মামলার নিরপেক্ষ ও পুনঃতদন্তের দাবি জানায়। একইসঙ্গে যারা প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছে এবং একটি সম্মানিত পরিবারকে হয়রানি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
সাটিফিকেট বিতরণ অনুষ্ঠান
দিনাজপুর বিরলে আন্তর্জাতিক শ্রমিক দিবস উপলক্ষে বর্ণাঢ্য র্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত।
================================== শুক্রবার (১ মে) সকালে শংকরপুর মোড়ে বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন বিরল উপজেলা শাখার উদ্যোগে বর্ণাঢ্য র্যালী ও শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত হয়।
সমাবেশে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন জেলা শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের উপদেষ্টা অধ্যক্ষ একেএম আফজালুল আনাম। প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য ও সভাপতি বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন দিনাজপুর জেলা শাখার মো: জাকিরুল ইসলাম।
উপজেলা শাখার সভাপতি নাজমুল হকের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন বিরল উপজেলা জামায়াতের আমির হাফেজ আব্দুর রশিদ ও সেক্রেটারি আজমির হোসাইন। এ সময় উপজেলা ও ইউনিয়ন পর্যায়ের বিভিন্ন শ্রমিক নেতা-কর্মীরা র্যালি ও সমাবেশে অংশগ্রহণ করেন।
বক্তারা তাদের বক্তব্যে বলেন, দেশের উন্নয়ন, শিল্পায়ন ও অবকাঠামো নির্মাণে শ্রমিকদের অবদান অপরিসীম। শ্রমিকরাই সভ্যতার মূল কারিগর—তাদের ন্যায্য অধিকার, নিরাপত্তা ও মর্যাদা নিশ্চিত করা সময়ের দাবি।
অস্তিত্ব সংকটে কুতুবদিয়া: গোল টেবিল আলোচনায় বিশেষজ্ঞদের উদ্বেগ
নিজস্ব প্রতিবেদক, কুতুবদিয়া
জলবায়ু পরিবর্তন, সাগরের উচ্চতা বৃদ্ধি, বেড়িবাঁধ ভাঙন ও অব্যবস্থাপনার কারণে কুতুবদিয়া আজ বিলুপ্তির দ্বারপ্রান্তে—এমন উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন বিশেষজ্ঞরা। “অস্তিত্ব সংকটে কুতুবদিয়া” শীর্ষক এক গোল টেবিল আলোচনায় বক্তারা বলেন, প্রতিদিন একটু একটু করে হারিয়ে যাচ্ছে দ্বীপের ঘরবাড়ি, স্কুল, মসজিদ, ফসলি জমি ও মানুষের জীবিকা।
আলোচনায় জানানো হয়, এটি শুধু একটি ভৌগোলিক সংকট নয়—বরং একটি মানবাধিকার সংকট। মানুষ ঘর হারাচ্ছে, জীবিকা হারাচ্ছে, স্থানচ্যুত হচ্ছে। রাষ্ট্রের তাৎক্ষণিক ও সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ ছাড়া ভবিষ্যতে কুতুবদিয়া হয়তো কেবল ইতিহাস বইয়ের পাতায় থাকবে।
বক্তারা দ্বীপ রক্ষায় ৫টি জরুরি করণীয় তুলে ধরেন—
দীর্ঘস্থায়ী ও আধুনিক বেড়িবাঁধ নির্মাণ – আন্তর্জাতিক মানের টেকসই বাঁধ নিশ্চিত করা।
জলবায়ু অভিযোজন পরিকল্পনা – স্যাটেলাইট জরিপ, জিও-ইঞ্জিনিয়ারিং ও আধুনিক ড্রেনেজ ব্যবস্থাপনা।
পুনর্বাসন ও সামাজিক সুরক্ষা – ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারদের নিরাপদ স্থানে পুনর্বাসন ও জীবিকার বিকল্প ব্যবস্থা।
অর্থনৈতিক পুনর্জাগরণ – সমুদ্রভিত্তিক অর্থনীতি, পরিবেশবান্ধব পর্যটন ও নবায়নযোগ্য জ্বালানি প্রকল্প।
আইন ও নীতি বাস্তবায়ন – উপকূল রক্ষায় বিদ্যমান আইন কঠোরভাবে প্রয়োগ এবং স্থানীয়দের অংশগ্রহণ নিশ্চিতকরণ।
বক্তারা জোর দিয়ে বলেন, কুতুবদিয়া রক্ষা মানেই উপকূলীয় বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রক্ষা। সরকারের প্রতিটি নীতিগত সিদ্ধান্তে এই বিষয়টি প্রতিফলিত হওয়া জরুরি।
হারানো ছোট ভাইকে খুঁজে পেতে বড় ভাইয়ের আকুতি।
যমুনা সেতুর উপর ট্রাক বাসকে চাপা দেওয়ায় হট্টগোল - মার খেলো ট্রক ড্রাইভার।