- National
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Other
কুমিল্লায় মিথ্যা মামলা ও ভুয়া প্রতিবেদনের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন
কুমিল্লায় এক সেনা সদস্যের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ‘মিথ্যা’ মামলা এবং পুলিশের দেওয়া ‘বানোয়াট’ তদন্ত প্রতিবেদনের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার। আজ বুধবার কুমিল্লার একটি স্থানীয় রেস্টুরেন্টে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব অভিযোগ করেন ভুক্তভোগী সেনা সদস্য আবুল খায়েরের স্ত্রী।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্যে জানানো হয়, গত ০৯/১১/২০২৫ তারিখে সেনা সদস্য আবুল খায়েরের বিরুদ্ধে কুমিল্লার আদালতে একটি মারামারির মামলা (সিআর ১৮৬৯/২৫) দায়ের করেন তার ছোট ভাই ও পুলিশ সদস্য আমিনুল ইসলামের স্ত্রী জান্নাতুল মাওয়া। ভুক্তভোগী পরিবার দাবি করেছে, এই মামলাটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, ভিত্তিহীন এবং প্রতিহিংসামূলক।
সেনা সদস্যের স্ত্রী অভিযোগ করেন, মামলাটি দায়েরের পর পারিবারিকভাবে মীমাংসার চেষ্টা করা হলে বাদীপক্ষ স্পষ্টভাবে ১০ লক্ষ টাকা দাবি করে। টাকা না দিলে মামলা প্রত্যাহার করা হবে না বলে জানানো হয়। তিনি আরও অভিযোগ করেন, তার দেবর আমিনুল ইসলাম পুলিশে কর্মরত থাকার সুবাদে ক্ষমতার অপব্যবহার করে মামলা ও তদন্ত প্রক্রিয়ায় প্রভাব বিস্তার করছেন।
তদন্ত প্রতিবেদন নিয়ে প্রশ্ন
সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, কোতোয়ালি থানার অধীনস্থ ছত্রখিল ফাঁড়ির আইসি মমিরুল সাহেব যে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন, তা সম্পূর্ণ বানোয়াট ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত। ওই প্রতিবেদনের মাধ্যমে সেনা সদস্য ও তার পরিবারকে সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করার চেষ্টা করা হয়েছে বলে দাবি করা হয়।
মামলায় বাদী জান্নাতুল মাওয়া দাবি করেছিলেন যে, মারধরের কারণে তার সন্তান নষ্ট হয়েছে।
এ প্রসঙ্গে ভুক্তভোগী পরিবার বলেন
বাদীর এই অভিযোগটি হাস্যকর ও ভিত্তিহীন। কারণ, মাত্র এক মাস আগে বাদীর একটি সুস্থ সন্তান জন্মগ্রহণ করেছে। যার মাধ্যমে প্রমাণিত হয় যে গর্ভপাতের অভিযোগটি সম্পূর্ণ সাজানো।
মামলার ৬ ও ৭ নম্বর সাক্ষী—আয়নাল হকের ছেলে রিপন মিয়া এবং এসাক মিয়ার ছেলে ইকবাল হোসেন রাফি সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের জানান
আমরা মামলার বিষয়ে কিছুই জানি না। পুলিশ আমাদের স্বাক্ষর করতে বলেছিল বলে আমরা স্বাক্ষর করেছি। এই ঘটনার কোনো দায়ভার আমরা গ্রহণ করব না।
সংবাদ সম্মেলনের শেষে ভুক্তভোগী পরিবার এই মিথ্যা মামলার নিরপেক্ষ ও পুনঃতদন্তের দাবি জানায়। একইসঙ্গে যারা প্রভাব খাটিয়ে মিথ্যা প্রতিবেদন দাখিল করেছে এবং একটি সম্মানিত পরিবারকে হয়রানি করছে, তাদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হয়েছে।
