আই নিউজ বিডি ডেস্ক | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

   সর্বশেষ ভিডিও

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
2 ভিউ · 4 দিন আগে

⁣জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের (UNGA) ৮১তম অধিবেশনে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের ভাষণ

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
16 ভিউ · 2 মাস আগে

⁣চাঁদাবাজিতে বাঁধা দেওয়ায় নিউমার্কেট যুবদলের সদস্য সচিব চঞ্চলের নেতৃত্বে ঢাকা কলেজ ছাত্রদলের উপর হামলা, আহত অন্তত ১৩

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
4 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্র জন্তর মন্তরে এক নতুন অস্থিরতার জন্ম হয়েছে পাঞ্জাব থেকে আগত কৃষক ও শিখ সেনার ‘আকাল সেনা’ নামক এক সুসংগঠিত দল সেখানে অবস্থান নিয়েছে, যা দিল্লি পুলিশের জন্য এক নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি করেছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, অ্যাডভোকেট হান্স চন্দার নেতৃত্বে এই আন্দোলনকারীরা দিল্লি পুলিশকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন, যার ফলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর মধ্যে ব্যাপক উদ্বেগ ও শঙ্কা তৈরি হয়েছে পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত যে, আন্দোলনকারীদের দাবি অনুযায়ী, দিল্লি পুলিশের ‘ঘাম ছুটতে’ শুরু করেছে আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে স্পষ্টভাবে বলা হয়েছে, দিল্লি পুলিশ কর্তৃক যুবকদের ওপর চালানো ‘কাপুরুষোচিত’ আচরণ দেশের সাধারণ মানুষের চোখ খুলে দিয়েছে তাদের অভিযোগ, সরকারি বাহিনীর এমন দমনমূলক কার্যকলাপ কেবল যুবকদেরই নয়, সমগ্র জাতির মধ্যে ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে আকাল সেনার পক্ষ থেকে চরম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলা হয়েছে, এখন থেকে যুবকদের ওপর লাঠিচার্জ করার আগে দিল্লি পুলিশকে আকাল সেনার মুখোমুখি হতে হবে এই ঘোষণা আন্দোলনের তীব্রতা ও দৃঢ় সংকল্পের এক সুস্পষ্ট বার্তা বহন করছে, যা অতীতের কৃষক আন্দোলনগুলোর চেয়েও অধিক দৃঢ় পদক্ষেপের ইঙ্গিত দিচ্ছে আন্দোলনকারীরা প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ‘অহংকার চূর্ণ’ হওয়ার দাবি করে এই বিক্ষোভকে একটি বৃহত্তর রাজনৈতিক প্রতিবাদের অংশ হিসেবে দেখছেন আকাল সেনা ও শিখ কৃষকদের এই সম্মিলিত অবস্থান শুধুমাত্র একটি নির্দিষ্ট প্রতিবাদের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে ভারত সরকারের নীতির বিরুদ্ধে ব্যাপক জন অসন্তোষের ইঙ্গিত দিচ্ছে এই ঘটনা দিল্লি পুলিশের পাশাপাশি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপরও গভীর চাপ সৃষ্টি করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে বিশেষ করে, কৃষক আন্দোলনের অতীত অভিজ্ঞতা এবং শিখ সম্প্রদায়ের সংকল্পবদ্ধ প্রতিবাদের ইতিহাস বিবেচনায়, বর্তমান পরিস্থিতি নয়া দিল্লির জন্য এক গভীর চিন্তার কারণ রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, জন্তর মন্তরের এই নতুন আন্দোলন ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে এক নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে সরকারের কঠোর মনোভাব এবং আন্দোলনকারীদের অনমনীয় অবস্থান ভবিষ্যতে পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলতে পারে অ্যাডভোকেট হান্স চন্দার মতো নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিদের ভূমিকা এই আন্দোলনের ভবিষ্যৎ গতিপথ নির্ধারণে গুরুত্বপূর্ণ হবে সামগ্রিকভাবে, এই ঘটনা কেবল আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির জন্যই নয়, ভারতের সামাজিক ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতার জন্যও তাৎপর্যপূর্ণ প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @advhanschanda (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
3 ভিউ · 2 মাস আগে

খবর: বিবরণী: ভারতের নয়াদিল্লিতে বিক্ষোভ চলাকালীন পুলিশের লাঠিচার্জের এক মর্মান্তিক চিত্র ফুটে উঠেছে একটি ভিডিওতে ভিডিওটিতে দেখা যায়, সংঘর্ষের মধ্যে একজন ব্যক্তি প্রাণভয়ে একটি বাসের নিচে আশ্রয় নিয়েছেন এই ভয়াবহ দৃশ্যটি ক্যামেরাবন্দী হয়েছে একটি ভিন্ন দৃষ্টিকোণ থেকে, যা সেই মুহূর্তের উত্তেজনাকর পরিস্থিতিকে আরও স্পষ্টভাবে তুলে ধরেছে ঘটনাটি ঘটেছিল একটি প্রতিবাদ সমাবেশে, যেখানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করার জন্য লাঠিচার্জের নির্দেশ দেয় চারদিকে বিশৃঙ্খলা ও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে এই অবস্থায়, নিজের জীবন বাঁচানোর তাগিদে অনেকে নিরাপদ আশ্রয়ের সন্ধান করছিলেন ভিডিওতে দেখা যাচ্ছে, বলপ্রয়োগের মুখে একজন ব্যক্তি দ্রুত একটি পার্ক করা বাসের নিচে ঢুকে পড়েন তাঁর এই মরিয়া চেষ্টা ওই মুহূর্তের ভয়াবহতা এবং মানুষের অসহায়ত্বকেই নির্দেশ করে ভিডিওটির মাধ্যমে সেই সময়ের পরিস্থিতি সম্পর্কে ধারণা পাওয়া যায় ক্যামেরার কোণ এতটাই নিচ থেকে নেওয়া হয়েছে যে, বাসের নিচে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তির ভীত মুখ এবং চারপাশের বিশৃঙ্খলা স্পষ্ট দেখা যাচ্ছে এই ধরনের ঘটনা গণতন্ত্রের অধিকার এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের পরিবেশ নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তোলে একটি দেশের নাগরিক হিসেবে মানুষের শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানানোর অধিকার থাকা উচিত, এবং সেই অধিকার রক্ষা করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব কিন্তু অনেক সময়ই তা উল্টো চিত্র দেখা যায় এই ভিডিওটি কেবল একটি ঘটনার সাক্ষীই নয়, বরং এটি সেই বৃহত্তর প্রেক্ষাপটের একটি অংশ যেখানে মানুষের মৌলিক অধিকার এবং রাষ্ট্রের ক্ষমতা প্রয়োগের মধ্যে সংঘাত দেখা দেয় ভারতে এবং বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি প্রায়শই ঘটে থাকে, যা মানবাধিকার কর্মী এবং সাধারণ মানুষের মধ্যে উদ্বেগ সৃষ্টি করে এই ধরণের ঘটনা আন্তর্জাতিক অঙ্গনেও আলোচিত হওয়া উচিত [সৌজন্যে: @ashu9621101476 (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
1 ভিউ · 2 মাস আগে

জামায়াত-শিবিরের তথাকথিত ধর্মীয় মুখোশের আড়ালে থাকা আসল রূপ আবারও স্পষ্ট হয়ে উঠেছে সাতক্ষীরার এক বীর সম্প্রতি তাদের "খাঁটি মুসলমান" দাবির অসারতা এবং ইসলামের নামে প্রতারণার এক ভয়াবহ চিত্র উন্মোচন করেছেন ভিডিওটিতে জামায়াতের নেতাদের "ভন্ড", "শুয়োরের বাচ্চা", "বেহায়া", "লম্পট" এবং "বুড়ো শয়তান" ইত্যাদি আপত্তিকর ভাষায় গালিগালাজ করা হয়েছে বক্তা তাদের "জান্নাতের টিকিট বিক্রি" করার অভিযোগ তুলেছেন এবং এই ধরণের কর্মকাণ্ডের জন্য তাদের তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন তিনি প্রশ্ন তুলেছেন, "তোদের লজ্জা করে না ইসলাম বিক্রি করতে?" ভিডিওর মূল বক্তব্য থেকে বোঝা যায়, সাতক্ষীরার এই "বীর খাট যোদ্ধা" জামায়াত-শিবিরের কর্মকাণ্ডে চরমভাবে ক্ষুব্ধ তিনি তাদের ধর্মীয় ভাবমূর্তি এবং ইসলামের ধারক-বাহক হিসেবে নিজেদের দাবিকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছেন এই অভিযোগগুলো শুধু ব্যক্তিগত ক্ষোভের প্রকাশ নয়, বরং জামায়াত-শিবিরের অভ্যন্তরীণ এবং বাহ্যিক কার্যকলাপ নিয়ে জনমনে দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষের প্রতিফলন তাদের ধর্মীয় বিশ্বাসের নামে সাধারণ মানুষকে প্রতারিত করা এবং নিজেদের স্বার্থসিদ্ধি করার অভিযোগ দীর্ঘকাল ধরেই আলোচিত এই ঘটনাটি জামায়াত-শিবিরের রাজনৈতিক ও ধর্মীয় কৌশলের একটি গুরুতর দিক উন্মোচন করে তারা প্রায়শই ধর্মীয় অনুভূতিকে ব্যবহার করে রাজনৈতিক ফায়দা লোটার চেষ্টা করে, যা এই ভিডিওতে তীব্রভাবে সমালোচিত হয়েছে "খাঁটি মুসলমান" এবং "ইসলামের ধারক ও বাহক" হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে তারা যে সাধারণ মানুষের বিশ্বাস অর্জন করতে চায়, সেই আস্থার সুযোগ নিয়ে তারা কী ধরনের প্রতারণা করতে পারে, তা এই ঘটনায় স্পষ্ট "জান্নাতের টিকিট বিক্রি" করার অভিযোগটি জামায়াত-শিবিরের বিরুদ্ধে ধর্মকে পুঁজি করে ব্যক্তিগত বা দলীয় লাভের একটি গুরুতর অভিযোগ সুতরাং, সাতক্ষীরার এই "বীর খাট যোদ্ধা"র বক্তব্য কেবল একজন ব্যক্তির ক্ষোভের বহিঃপ্রকাশ নয়, বরং এটি একটি বড় বার্তা বহন করে এটি সাধারণ মানুষকে জামায়াত-শিবিরের দাবির সত্যতা যাচাই করতে এবং তাদের তথাকথিত ধর্মীয় মুখোশের আড়ালে থাকা আসল চেহারা চিনতে সাহায্য করবে এই ঘটনাটি দেশের রাজনৈতিক ও সামাজিক প্রেক্ষাপটে ধর্মীয় দলের ভূমিকা এবং তাদের কর্মকাণ্ডের স্বচ্ছতা নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে [সৌজন্যে: @revolt_71 (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

বিবরণী: ভারতের জাতীয় কংগ্রেসের নবনির্বাচিত সভাপতি শ্রীনিবাস বিভি সম্প্রতি এক জোরালো বার্তা দিয়ে বলেছেন, "জনতা জেগেছে" তাঁর এই বক্তব্য দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই বক্তব্য কেবল একটি স্লোগান নয়, বরং দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি এবং জনগণের পরিবর্তিত মনোভাবের এক স্পষ্ট প্রতিফলন সাম্প্রতিক বিভিন্ন রাজনৈতিক ঘটনাপ্রবাহ, বিশেষ করে শহুরে ও গ্রামীণ উভয় পর্যায়েই জনগণের মধ্যে রাজনৈতিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং সরকারি নীতিগুলোর প্রতি তাদের ক্রমবর্ধমান অসন্তোষ—এই সবকিছুরই ইঙ্গিতবাহী এই মন্তব্য শ্রীনিবাস বিভি তাঁর বক্তব্যের মাধ্যমে জনগণের রায় এবং প্রত্যাশার প্রতি কংগ্রেসের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেছেন তিনি বুঝিয়েছেন যে, দেশের সাধারণ মানুষ এখন আর নিষ্ক্রিয় দর্শক নয়, বরং তারা তাদের অধিকার ও ভবিষ্যৎ নিয়ে সচেতন এই জাগরণ কেবল রাজনৈতিক বক্তৃতা বা প্রতিবাদের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এর গভীর প্রভাব পড়তে পারে আগামী নির্বাচনগুলোতে বিশেষ করে, যেসব নীতি সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রাকে সরাসরি প্রভাবিত করে, সেগুলোর প্রতি জনগণের যে এক নতুন মূল্যায়ন তৈরি হচ্ছে, তা এই বক্তব্যের মাধ্যমে স্পষ্ট হয়ে উঠেছে কংগ্রেসের এই নবনির্বাচিত সভাপতির বার্তা ভারতের রাজনৈতিক ভবিষ্যৎ সম্পর্কে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন উত্থাপন করে "জনতা জেগেছে"—এই উক্তি কি ভারতের গণতন্ত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে? এটি কি দীর্ঘদিনের রাজনৈতিক মেরুকরণকে চ্যালেঞ্জ জানাবে এবং জনগণের সক্রিয় অংশগ্রহণে এক নতুন রাজনৈতিক ধারণার জন্ম দেবে? শ্রীনিবাস বিভি-র এই শক্তিশালী বার্তা আগামী দিনে ভারতের রাজনীতি কোন পথে চালিত হবে, সে সম্পর্কে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে এবং দেশের লক্ষ লক্ষ মানুষের মনে আশার সঞ্চার করেছে [সৌজন্যে: @srinivasiyc (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতের দিল্লিতে সাম্প্রতিক এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নতুন প্রজন্ম এবং শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছে দেশটির গণমাধ্যম বিশেষ করে, ‘গোদি মিডিয়া’ বলে পরিচিত গণমাধ্যমের প্রতি শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছিল লক্ষ্যণীয় বিক্ষোভকারীরা গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে তীব্র স্লোগান দেয়, এমনকি তাদের উপর পানিও নিক্ষেপ করা হয় কিছু ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে এই ঘটনাটি ভারতের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের সাথে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে Gen Z এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ অংশগ্রহণ করে তাদের প্রতিবাদের মূল কারণ ছিল, ভারতের তথাকথিত ‘গোদি মিডিয়া’র পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন এবং সরকারি নীতির প্রতি অন্ধ সমর্থন অভিযোগ রয়েছে, এই গণমাধ্যমগুলো সত্য উদ্ঘাটন না করে কেবল সরকারের প্রচারযন্ত্র হিসেবে কাজ করছে এই কারণে, যখনই কোনো ‘গোদি মিডিয়া’র এঙ্কর বা সাংবাদিক বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হন, তাদের দিকে আঙ্গুল তোলে সাধারণ মানুষ এমনকি, টাইমস নাউ-এর এক সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি এমন ক্ষোভের মূল কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, তাদের অনেকেই মনে করেন গণমাধ্যম জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং মৌলিক সমস্যাগুলোর প্রতি উদাসীন বরং, তারা কেবল রাজনৈতিক প্রচারণায় লিপ্ত থাকে এবং ভিন্নমতকে দমন করার চেষ্টা করে এই পরিস্থিতি ভারতের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে অনেকেই মনে করছেন শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ তাই কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ভারতের বৃহত্তর জনমনের অসন্তোষের প্রতিফলন গণমাধ্যমের প্রতি এই তীব্র ঘৃণা কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই ঘটনার ফলে ভারতের গণমাধ্যমগুলোর তাদের ভূমিকা এবং নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে পাশাপাশি, এটি গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে আগামী দিনে এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ [সৌজন্যে: @shamstabrezq (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

বিবরণী: সম্প্রতি একটি টকশো অনুষ্ঠানে জাতীয় পর্যায়ের কয়েকজন বিশিষ্ট ব্যক্তি, যাদের মধ্যে খ্যাতিমান লেখক, সাংবাদিক, কলামিস্ট, রাজনীতিবিদ এবং সফল ব্যবসায়ী গোলাম মওলা রনিও রয়েছেন, তাদের মধ্যে তুমুল বিতর্ক সৃষ্টি হয়েছে বিতর্কটি মূলত সাংবাদিকতার পেশাদারিত্ব, নীতিবোধ এবং সমাজের বিভিন্ন স্তরে প্রভাব বিস্তারকারী ব্যক্তিদের ভূমিকা নিয়ে আবর্তিত হয়েছে অনুষ্ঠানে বক্তাদের বক্তব্যে একে অপরের প্রতি তীব্র সমালোচনা লক্ষ্য করা গেছে, যেখানে তথাকথিত 'বেকার, বেকুব, অশিক্ষিত' বনাম 'ধড়িবাজ, ধান্দাবাজ, বিশেষ মাল সাপ্লায়ার' - এমন আপত্তিকর শব্দচয়নও ব্যবহৃত হয়েছে, যা জনমনে তুমুল আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই বিতর্ক শুধু ব্যক্তিগত আক্রমণেই সীমাবদ্ধ থাকেনি, বরং বৃহত্তর প্রেক্ষাপটে সমাজের একটি নির্দিষ্ট অংশের অসাধু উপায়ে প্রভাব বিস্তার এবং পেশাগত নৈতিকতার অবক্ষয়কেও নির্দেশ করে অনুষ্ঠানে গোলাম মওলা রনির মতো একজন প্রভাবশালী ব্যক্তি উপস্থিত থাকায় এবং তার মতামত বিশেষ গুরুত্ব পাওয়ায়, আলোচনার গভীরতা আরও বৃদ্ধি পায় তার উপস্থিতি এবং বক্তব্য থেকে স্পষ্ট হয় যে, তিনি এই ধরনের অনৈতিক কার্যকলাপ এবং পেশাগত অধঃপতন সম্পর্কে অত্যন্ত সচেতন এবং এর বিরুদ্ধে সোচ্চার এই বিতর্কিত ঘটনাটি বাংলাদেশের গণমাধ্যম জগতে এবং রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এটি সমাজে বিদ্যমান নানা অসঙ্গতি, বিশেষ করে যারা নিজেদের প্রভাব খাটিয়ে সুবিধা আদায় করে এবং যারা সততা ও নিষ্ঠার সাথে কাজ করে, তাদের মধ্যকার বিভাজনকে স্পষ্ট করেছে এই ধরনের খোলামেলা আলোচনা সমাজের বিভিন্ন স্তরে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার জন্য অত্যন্ত জরুরি, যদিও এর প্রকাশভঙ্গি অনেক সময় সমালোচিত হতে পারে বক্তাদের তীক্ষ্ণ ভাষা এবং একে অপরের প্রতি অভিযোগ প্রমাণ করে যে, সমাজের এই সমস্যাগুলো গভীর এবং এর সমাধানে এখনই মনোযোগ দেওয়া প্রয়োজন বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ঘটনাটি কেবল একটি টকশো-এর মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে, সমাজের বিভিন্ন ক্ষেত্রে এর প্রভাব নিয়ে আরও গভীর বিশ্লেষণের প্রয়োজন রয়েছে কীভাবে অসাধু ব্যক্তিরা সুযোগের সদ্ব্যবহার করে সমাজে নিজেদের অবস্থান শক্তিশালী করে এবং কীভাবে সৎ ও মেধাবী ব্যক্তিরা পিছিয়ে পড়ে, এই বিষয়টি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা হওয়া দরকার গোলাম মওলা রনির মতো ব্যক্তিরা যখন এই বিষয়গুলো সামনে আনেন, তখন তা সাধারণ মানুষের মনেও আশা জাগায় যে, এই ধরনের অনৈতিক প্রভাব বিস্তার একদিন বন্ধ হবে এবং সমাজে সততা ও মেধার কদর বাড়বে [সৌজন্যে: YouTube (YouTube)]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতের ছাত্র সমাজের প্রতি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির উদাসীনতা এবং দেশের বর্তমান রাজনৈতিকThe video clip shows a statement from Rahul Gandhi. The core message is a direct address from Rahul Gandhi to the students of India and the Prime Minister of India. He is conveying a "direct message" to both groups. The video is titled "Rahul Gandhi" and the caption/description provided is: "Rahul Gandhi - ভারত মন্ত্রী দেশ... ভারত মন্ত্রী দেশ... https://t.co/pgZZHLLz8h". This translates to: "Rahul Gandhi - My direct message to the students of India and the Prime Minister... My direct message to the students of India and the Prime Minister... [link]". The key takeaway is that Rahul Gandhi is issuing a direct communication, likely a critique or a plea, aimed at both the student population of India and the Prime Minister. The specific content of the message is not detailed in the provided information, but the framing suggests it pertains to issues relevant to students and potentially their interaction or relation with the Prime Minister's policies or governance. --- ভারত জুড়ে ক্ষোভের আগুন, রাহুল গান্ধীর কড়া জবাব: শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রধানমন্ত্রীকে প্রশ্ন দেশের শিক্ষা ব্যবস্থা এবং তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎ নিয়ে যখন দেশজুড়ে উদ্বেগ ও উৎকণ্ঠা বাড়ছে, ঠিক তখনই কংগ্রেস নেতা রাহুল গান্ধী সরাসরি প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এবং ভারতের ছাত্র সমাজকে এক গুরুত্বপূর্ণ বার্তা দিয়েছেন তাঁর এই বার্তা ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে সম্প্রতি প্রকাশিত একটি ভিডিও বার্তায় রাহুল গান্ধী বলেছেন, "ভারতের ছাত্র এবং প্রধানমন্ত্রীকে আমার সরাসরি বার্তা..." এই সংক্ষিপ্ত অথচ তাৎপর্যপূর্ণ ঘোষণাটি ইঙ্গিত করে যে, তিনি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার বর্তমান পরিস্থিতি, শিক্ষার্থীদের অধিকার এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করতে চলেছেন ছাত্র সমাজের পক্ষ থেকে প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর কী প্রত্যাশা বা তিনি কোন কোন বিষয়ে সরকারের কাছে জবাবদিহি চাইছেন, তা এই বার্তার মূল বিষয়বস্তু হবে বলে ধারণা করা হচ্ছে ভারতের ছাত্র সমাজ বর্তমানে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ইস্যুতে আন্দোলনরত চাকরির অভাব, শিক্ষাব্যবস্থার বেসরকারিকরণ, পরীক্ষার পদ্ধতি এবং জাতীয় শিক্ষা নীতি সহ নানা বিষয়ে তারা সোচ্চার এই পরিস্থিতিতে রাহুল গান্ধীর এই সরাসরি বার্তা ছাত্র আন্দোলনকে নতুন মাত্রা দিতে পারে পাশাপাশি, প্রধানমন্ত্রীর কাছে তাঁর এই বার্তা সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করবে বলে মনে করা হচ্ছে দেশের তরুণ প্রজন্মের প্রতিনিধি হিসেবে রাহুল গান্ধী শিক্ষার্থীদের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং তাদের সমস্যাগুলো জাতীয় স্তরে তুলে ধরতে এই বার্তা ব্যবহার করেছেন বলে অনেকেই মনে করছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, এই ভিডিও বার্তাটি শুধু একটি সাধারণ ঘোষণা নয়, বরং এটি আসন্ন রাজনৈতিক লড়াইয়ের একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ রাহুল গান্ধী ছাত্র সমাজকে পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানাতে পারেন এবং প্রধানমন্ত্রীকে তাদের সমস্যাগুলো সমাধানের জন্য কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানাতে পারেন আগামী দিনে এই বার্তা ভারতের ছাত্র রাজনীতি এবং জাতীয় রাজনীতিতে কী প্রভাব ফেলে, তা সময়ই বলবে তবে, এটি স্পষ্ট যে রাহুল গান্ধী বর্তমান সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করার জন্য একটি নতুন কৌশল অবলম্বন করেছেন [সৌজন্যে: @rahulgandhi (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

বিবরণী: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে যা দেশজুড়ে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে ভিডিওটিতে দেখা যাচ্ছে, দিল্লি পুলিশের পোশাকে একদল ব্যক্তি তবে, ভিডিওর ক্যাপশন এবং বিবরণে এদের পরিচয় নিয়ে প্রশ্ন তোলা হয়েছে 'Anjum Chaudhary' নামক একটি প্রোফাইল থেকে শেয়ার করা এই ভিডিওতে দাবি করা হচ্ছে যে, এরা দিল্লি পুলিশের সাধারণ জওয়ান নন, বরং ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) পাঠানো 'গুন্ডা' এই অভিযোগ ভিডিওটির সত্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এবং সাধারণ মানুষের মনে আতঙ্ক ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে ভিডিওটির প্রেক্ষাপট অত্যন্ত উদ্বেগজনক গণতন্ত্রের পাহারাদার হিসেবে পরিচিত পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগ, তাও আবার রাজনৈতিক দলের মদতে, সত্যিই ভয়াবহ যদি এই অভিযোগ সত্যি হয়, তাহলে তা ভারতের আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং গণতান্ত্রিক কাঠামোর উপর এক বিরাট আঘাত এই ধরনের ঘটনা জনগণের মনে পুলিশের নিরপেক্ষতা ও বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলবে ভিডিওতে কে বা কারা এই ব্যক্তিদের উদ্দেশ্যমূলকভাবে পুলিশের পোশাকে পাঠিয়েছে, এবং তাদের প্রকৃত উদ্দেশ্য কী, তা নিয়ে গভীর তদন্ত হওয়া জরুরি এই ঘটনার প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে যদি পুলিশ বাহিনী রাজনৈতিকভাবে ব্যবহৃত হয়, তবে তা সাধারণ নাগরিকের নিরাপত্তা এবং ন্যায়বিচার প্রাপ্তির অধিকারকে ক্ষুণ্ন করবে সমাজে বিভেদ বাড়বে এবং আইনের শাসনের প্রতি মানুষের আস্থা কমবে এই ভিডিওটি শুধুমাত্র দিল্লির একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নাও হতে পারে, বরং এর পেছনে আরও বড় কোনো ষড়যন্ত্র থাকার সম্ভাবনা রয়েছে তাই, এই অভিযোগের পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে সাধারণ মানুষ সরকারের উচিত এই বিষয়ে স্বচ্ছতা বজায় রাখা এবং জনমনে সৃষ্ট বিভ্রান্তি দূর করা [সৌজন্যে: @anjum_says1 (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

বিবরণী: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি অত্যন্ত অস্বস্তিকর ভিডিও নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ভিডিওটি দেখার পর তিনি নিজেই বিস্ময় প্রকাশ করে প্রশ্ন তুলেছেন, এটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) দ্বারা তৈরি কোনো জাল কন্টেন্ট কি না একজন বিশ্বনেতার পক্ষ থেকে প্রকাশ্যে এমন প্রশ্ন উত্থাপন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে ভুল তথ্য এবং ডিপফেক প্রযুক্তির ভয়াবহ উত্থান নিয়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যা বর্তমান ডিজিটাল যুগে তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ভিডিওটি দেখার পর মোদি তার ব্যক্তিগত অসন্তোষ ও হতবাক হওয়ার অনুভূতি প্রকাশ করে বলেছেন, "এসব কী দেখতে হচ্ছে!" তার এই মন্তব্য ইঙ্গিত দেয় যে ভিডিওর বিষয়বস্তু এতটাই অস্বাভাবিক, বিভ্রান্তিকর বা আপত্তিকর ছিল যে তিনি তা সহজে বিশ্বাস করতে পারছিলেন না এরপর তিনি আরও যোগ করেন, "ভালো যে আমি এতে ছিলাম না..." যা ভিডিওতে দেখানো ঘটনার সঙ্গে তার কোনো সম্পর্ক না থাকার বা তার ব্যক্তিগত স্বস্তি প্রকাশের ইঙ্গিত দেয় তবে সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ বিষয় হলো, তিনি সরাসরি জানতে চেয়েছেন, "দয়া করে আমাকে বলুন, এটা কি এআই?" এই প্রশ্নটি শুধু একটি নির্দিষ্ট ভিডিওর সত্যতা নিয়েই নয়, বরং আধুনিক প্রযুক্তির অপব্যবহারের মাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানোর ব্যাপক ঝুঁকি সম্পর্কে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে একজন প্রভাবশালী রাষ্ট্রপ্রধানের এমন প্রতিক্রিয়া ডিজিটাল মিডিয়ার সত্যতা যাচাই এবং এর উপর সাধারণ মানুষের আস্থাকে ঘিরে বিদ্যমান সংকটকে আরও স্পষ্ট করে তোলে বিশেষত যখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) চালিত ডিপফেক প্রযুক্তি বিশ্বজুড়ে ব্যাপক উদ্বেগের কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে, তখন মোদির এই মন্তব্য বিষয়টিকে নতুন মাত্রা দিয়েছে ভিডিওটি যে প্রেক্ষাপটেই তৈরি হোক না কেন, এটি স্পষ্টতই প্রমাণ করে যে, তথ্যপ্রযুক্তির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে সত্য ও মিথ্যার ভেদাভেদ করা আরও কঠিন হয়ে পড়ছে সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে এআই-এর অপব্যবহারের মাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো এবং অপপ্রচার চালানোর ঝুঁকি ক্রমেই বাড়ছে, যা গণতন্ত্র, জনমত এবং আন্তর্জাতিক সম্পর্ককে প্রভাবিত করার ক্ষমতা রাখে এই ঘটনা আরও একবার স্মরণ করিয়ে দিল যে, ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রদর্শিত যেকোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করা কতটা জরুরি গণমাধ্যম এবং সাধারণ নাগরিকদের মধ্যে এআই-ভিত্তিক কন্টেন্ট সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি এখন সময়ের দাবি পাশাপাশি, এআই প্রযুক্তির নৈতিক ব্যবহার নিশ্চিত করতে এবং এর অপব্যবহার রোধে আন্তর্জাতিক স্তরেও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জোরালো হচ্ছে নরেন্দ্র মোদির এই প্রতিক্রিয়া হয়তো নির্দিষ্ট একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে, কিন্তু এর অন্তর্নিহিত বার্তাটি সমগ্র ডিজিটাল বিশ্বের জন্য এক গভীর সতর্কবাণী – যেখানে প্রযুক্তির অগ্রগতি সত্যকে ম্লান করে দিতে পারে যদি আমরা তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে সতর্ক না হই [সৌজন্যে: @pechulaal (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

বিবরণী: দিল্লির প্রাণকেন্দ্র যন্তর মন্তরে ছাত্র অধিকার আন্দোলনের নামে আয়োজিত এক প্রতিবাদ কর্মসূচি চলাকালে ভয়াবহ সহিংসতা ও সংঘাতের ঘটনা ঘটেছে শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভের আড়ালে সংঘটিত এই ঘটনায় কর্তব্যরত দিল্লি পুলিশের বেশ কয়েকজন সদস্য গুরুতর আহত হয়েছেন প্রাথমিক প্রতিবেদনে জানা গেছে, 'সিটিজেনস ফর জাস্টিস অ্যান্ড পিস' (সিজেপি) নামক একটি সংগঠনের প্রতিবাদকারীরা পুলিশের ওপর লক্ষ্য করে নির্বিচারে পাথর নিক্ষেপ করে, যা মুহূর্তের মধ্যে পরিস্থিতিকে এক সংঘাতপূর্ণ ও অগ্নিগর্ভ মোড়ে নিয়ে যায় ছাত্র অধিকার আদায়ের দাবিতে শুরু হওয়া এই আন্দোলন আকস্মিকভাবে সহিংস রূপ নেওয়ায় শুধু সাধারণ মানুষ নয়, বরং দেশের রাজনৈতিক মহলেও তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে ঘটনার বিস্তারিত অনুসন্ধানে বেরিয়ে এসেছে চাঞ্চল্যকর ও উদ্বেগজনক তথ্য প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরের কাছে আগে থেকেই সম্পূর্ণ প্রস্তত রাখা হয়েছিল পাথরভর্তি একটি ট্রাক আন্দোলনকারীদের পক্ষ থেকে পুলিশের ওপর পাথর নিক্ষেপের অভিযোগ ওঠার পরপরই এই ট্রাকের বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে, যা পুরো ঘটনার পেছনে একটি গভীর ষড়যন্ত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে প্রতিবেদন অনুযায়ী, সিজেপি প্রতিবাদকারীরাই পরিকল্পিতভাবে পুলিশের ওপর পাথর ছুড়ে মারে, যার ফলস্বরূপ বহু পুলিশ সদস্য গুরুতর জখম হন এবং তাদের মধ্যে কয়েকজনকে হাসপাতালে ভর্তি করতে হয়েছে অভিযোগ উঠেছে যে, অভিজিৎ দীপকে এবং সিজেপি এই সমাবেশের আড়ালে আসলে দাঙ্গা সৃষ্টির মাধ্যমে জনমনে অস্থিরতা তৈরি করতে চেয়েছিল পাথরভর্তি ট্রাকের উপস্থিতি এই অভিযোগকে আরও জোরালো করেছে এবং এটি স্পষ্ট ইঙ্গিত দেয় যে, এই হামলা পূর্বপরিকল্পিত ছিল এমন একটি ঘটনা দেশের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ ও গণতান্ত্রিক রীতিনীতির জন্য গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে ছাত্র অধিকারের মতো একটি ন্যায্য ও মৌলিক দাবিতে যদি সহিংসতার আশ্রয় নেওয়া হয় এবং পূর্বপরিকল্পিতভাবে দাঙ্গা সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়, তবে তা দেশের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি ও স্থিতিশীলতার ওপর চরম নেতিবাচক প্রভাব ফেলে আহত পুলিশ সদস্যরা জানান, তারা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে এনে শান্তিপূর্ণ সমাধানের চেষ্টা করাকালীন তাদের লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় এই ঘটনা কেবল পুলিশের নিরাপত্তা নয়, বরং যেকোনো শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে কর্তৃপক্ষের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং জড়িতদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি উঠেছে এ ধরনের কর্মকাণ্ড শুধু আন্দোলনকারীদের মূল উদ্দেশ্যকে প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং জনগণের সহানুভূতি ও সমর্থন থেকেও তাদের দূরে সরিয়ে দিতে পারে, যা দীর্ঘমেয়াদে যেকোনো সামাজিক আন্দোলনের জন্য ক্ষতিকর [সৌজন্যে: @alpakanya (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতের রাজধানী দিল্লিতে ছাত্র বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে আবারও উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে সেন্ট্রাল দিল্লির অন্যতম প্রতিবাদ স্থল যন্তর মন্তর থেকে আজ শত শত শিক্ষার্থীকে আটক করেছে দিল্লি পুলিশ শান্তিপূর্ণভাবে নিজেদের দাবিদাওয়া নিয়ে একত্রিত হওয়া শিক্ষার্থীদের উপর এই ধরপাকড় চালানো হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে দিনের আলো ফুরিয়ে আসার পর মধ্যরাত পর্যন্ত তাদের বিভিন্ন স্থানে আটকে রেখে হয়রানি করা হয়েছে বলেও জানা গেছে, যা মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, আজ সন্ধ্যা থেকেই যন্তর মন্তরে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী বিভিন্ন দাবিতে বিক্ষোভ দেখাচ্ছিল একপর্যায়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার অজুহাতে দিল্লি পুলিশ তাদের ছত্রভঙ্গ করতে শক্তি প্রয়োগ শুরু করে এবং গণহারে শিক্ষার্থীদের আটক করতে থাকে প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ এবং প্রাথমিক তথ্যানুসারে, আটককৃত শিক্ষার্থীদের মধ্যে প্রায় ৮০ জনকে প্রথমে দিল্লির ছাতরশাল স্টেডিয়ামে নিয়ে যাওয়া হয় সেখানে তাদের রাত ৯টা থেকে সাড়ে ৯টা পর্যন্ত আটকে রাখা হয় এরপর গভীর রাতে ছোট ছোট পুলিশ ভ্যানে করে শিক্ষার্থীদের দিল্লির বিভিন্ন থানায় স্থানান্তরিত করা হয় মধ্যরাত পেরিয়ে গেলেও আটককৃত শিক্ষার্থীদের মুক্তির বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি, যা তাদের পরিবার ও স্বজনদের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়িয়েছে শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভের মূল কারণ তাৎক্ষণিকভাবে পরিষ্কার না হলেও ধারণা করা হচ্ছে, এটি ভারতের অভ্যন্তরীণ কোনো জাতীয় ইস্যু, সামাজিক বৈষম্য অথবা শিক্ষা সংক্রান্ত কোনো দাবিতে আয়োজিত হয়েছিল গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর অধিকার মৌলিক হলেও, বারবারই শিক্ষার্থীদের উপর এমন দমন-পীড়নমূলক পদক্ষেপ দেখা যাচ্ছে রাতের অন্ধকারে গণহারে আটক ও দীর্ঘক্ষণ আটকে রাখার ঘটনা কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যেই নয়, সুশীল সমাজ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর মধ্যেও তীব্র সমালোচনার জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা ভারতের অভ্যন্তরে ভিন্নমত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ সমাবেশের অধিকার কতটা সুরক্ষিত, তা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে এবং এ বিষয়ে সরকারের পক্ষ থেকে বিস্তারিত ব্যাখ্যা ও আটককৃত শিক্ষার্থীদের আইনি অধিকার নিশ্চিত করার দাবি উঠেছে [সৌজন্যে: @bansalavani (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতের রাজধানী দিল্লির জ-মন্তরে মধ্যরাতেও তরুণদের ঢল নেমেছে রাত ১১টা নাগাদ পরিস্থিতি এতটাই উত্তপ্ত হয়ে ওঠে যে, পুরো চত্বর বিক্ষোভকারীদের ভিড়ে উপচে পড়ে এই ঘটনায় দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে আন্দোলনকারীরা তাদের দাবি আদায়ে অনড় অবস্থান নিয়েছেন এবং সরকারের ওপর দ্রুত চাপ সৃষ্টি করছেন এই বিপুল সংখ্যক তরুণ-তরুণীর সমাবেশ একটি গভীর সমস্যার দিকে ইঙ্গিত করছে তাদের এই ক্ষোভের মূল কারণ হিসেবে কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবি উঠেছে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, তাঁর নীতি ও সিদ্ধান্ত তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে অনিশ্চিত করে তুলেছে এই পরিস্থিতিতে, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে অবিলম্বে হস্তক্ষেপ করে ধর্মেন্দ্র প্রধানের ইস্তফা গ্রহণ করার আহ্বান জানানো হচ্ছে, যাতে তরুণদের এই তীব্র ক্ষোভ প্রশমিত হয় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে সরকার কী পদক্ষেপ নেয়, সেদিকে এখন সবার নজর জ-মন্তরে তরুণদের এই লাগাতার বিক্ষোভ দেশের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে মেরুকরণের জন্ম দিয়েছে এই আন্দোলন কেবল একটি নির্দিষ্ট মন্ত্রীর পদত্যাগের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং দেশের যুব সম্প্রদায়ের বঞ্চনা ও হতাশার প্রতিচ্ছবি হয়ে দাঁড়িয়েছে এর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাব কী হতে পারে, তা নিয়ে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও সরব হয়েছেন এই ঘটনাটি ভারতের যুব সমাজের সক্রিয় অংশগ্রহণের এক বড় উদাহরণ তাদের এই প্রতিবাদী কণ্ঠস্বর যে সরকারের নীতি নির্ধারণে একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রভাব ফেলতে পারে, তা আর নতুন করে বলার অপেক্ষা রচনা করে না এখন দেখার বিষয়, এই জনরোষের মুখে দাঁড়িয়ে সরকার তরুণ প্রজন্মের দাবি পূরণে কতটা আন্তরিকতা দেখায় [সৌজন্যে: @surya_samajwadi (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

ভারতীয় মহাকাশ গবেষণায় এক নতুন সূর্যোদয়! বিজ্ঞানী নিবেদিতা শাণ্ডিল্যের নেতৃত্বে ভারতীয় জ্যোতির্বিজ্ঞানীদের একটি দল সম্প্রতি এক যুগান্তকারী আবিষ্কার করে সারা বিশ্বে আলোড়ন সৃষ্টি করেছে দূরবর্তী এক গ্যালাক্সিতে একটি নতুন এক্সোপ্লানেটের সন্ধান মিলেছে, যা পৃথিবীর মতোই প্রাণের অনুকূল পরিবেশ ধারণ করতে পারে বলে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে এই আবিষ্কার মহাবিশ্বে জীবনের অস্তিত্ব নিয়ে আমাদের ধারণাকে সম্পূর্ণ বদলে দিতে পারে এবং ভিনগ্রহে প্রাণের অনুসন্ধানে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে জানা গেছে, ড. নিবেদিতা শাণ্ডিল্য এবং তাঁর দল বহু বছর ধরে অত্যন্ত উন্নত টেলিস্কোপ ও অত্যাধুনিক ডেটা অ্যানালিসিস পদ্ধতির মাধ্যমে এই গবেষণা চালাচ্ছিলেন তাঁদের নিরলস পরিশ্রম এবং সূক্ষ্ম পর্যবেক্ষণ অবশেষে মহাজাগতিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করল এই এক্সোপ্লানেটটির গঠন, বায়ুমণ্ডল এবং তাপমাত্রা এমনভাবে বিশ্লেষণ করা হয়েছে, যা প্রাণের স্পন্দন ধারণের প্রবল সম্ভাবনাকে ইঙ্গিত করছে কার্বন-ভিত্তিক জীবন ধারণের জন্য প্রয়োজনীয় জলের উপস্থিতি এবং উপযুক্ত তাপমাত্রা আবিষ্কারকে আরও তাৎপর্যপূর্ণ করে তুলেছে এই আবিষ্কার কেবল জ্যোতির্বিজ্ঞানের ক্ষেত্রেই নয়, বরং জীববিদ্যা এবং রসায়নের ক্ষেত্রেও নতুন গবেষণার পথ খুলে দিয়েছে নিবেদিতা শাণ্ডিল্যের এই ঐতিহাসিক সাফল্য আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান মহলে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় মহাকাশ গবেষণা সংস্থাগুলো ভারতীয় দলের এই প্রচেষ্টার ভূয়সী প্রশংসা করেছে এবং ভবিষ্যতে যৌথ গবেষণার আগ্রহ প্রকাশ করেছে নাসার এক বিবৃতিতে বলা হয়েছে, "এটি মানবজাতির জন্য একটি বিশাল পদক্ষেপ, যা আমাদের মহাবিশ্বে আমাদের স্থান সম্পর্কে নতুন করে ভাবতে বাধ্য করবে" এই আবিষ্কার ভারতের ক্রমবর্ধমান মহাকাশ শক্তিকে আরও একবার প্রমাণ করল এবং ভবিষ্যতে গভীর মহাকাশ অনুসন্ধানে দেশের ভূমিকা আরও দৃঢ় করবে এটি তরুণ প্রজন্মের বিজ্ঞানীদের জন্য অনুপ্রেরণার এক নতুন উৎস হয়ে দাঁড়িয়েছে, যা তাদের মহাবিশ্বের অনাবিষ্কৃত রহস্য উন্মোচনে উৎসাহিত করবে [সৌজন্যে: @nivedita_shan (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

অসাধারণ সাহস এবং অদম্য জেদের এক মূর্ত প্রতীক হয়ে উঠেছেন প্রীতম কুমার বৌদ্ধ সম্প্রতি তাঁর চাঞ্চল্যকর পদক্ষেপের মাধ্যমে এক সুদূরপ্রসারী গোপন রহস্যের পর্দা উন্মোচিত হয়েছে, যা দেশজুড়ে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এই আবিষ্কার বা উন্মোচন শুধুমাত্র একটি খবরের শিরোনাম নয়, বরং এটি ইতিহাসের পাতায় এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করেছে, যা বহু বছরের প্রচলিত ধারণা এবং বিশ্বাসকে চ্যালেঞ্জ করেছে তাঁর এই অপ্রত্যাশিত সাফল্য জনমানসে ব্যাপক কৌতূহল এবং বিস্ময় সৃষ্টি করেছে, এবং বিশেষজ্ঞরা এটিকে এক যুগান্তকারী ঘটনা হিসেবে দেখছেন দীর্ঘদিনের নিরলস গবেষণা এবং ব্যক্তিগত ঝুঁকি উপেক্ষা করে প্রীতম কুমার এই অবিশ্বাস্য সত্যকে জনসমক্ষে এনেছেন জানা গেছে, তিনি এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং প্রমাণ সংগ্রহ করেছেন, যা এতদিন সাধারণের চোখের আড়ালে ছিল এই রহস্যের সঙ্গে জড়িয়ে আছে বহু অজানা ইতিহাস এবং কিছু প্রভাবশালী মহলের নীরবতা তাঁর এই আবিষ্কার কেবল একটি ঘটনার নয়, বরং সমাজের গভীরে প্রোথিত এক জটিল জালকে উন্মোচন করেছে, যার প্রভাব সুদূরপ্রসারী হবে বলে মনে করা হচ্ছে প্রীতম কুমারের একনিষ্ঠ প্রচেষ্টা তাঁকে বহু প্রতিকূলতা পেরিয়ে এই সত্য উন্মোচনে সাহায্য করেছে প্রীতম কুমার বৌদ্ধের এই সাহসী উদ্যোগ ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়েছে ইতিহাসবিদ, সমাজবিজ্ঞানী এবং সাধারণ মানুষ - সকলেই তাঁর এই আবিষ্কারে স্তম্ভিত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই খবর বিদ্যুৎ গতিতে ছড়িয়ে পড়েছে এবং এটি এখন জাতীয় বিতর্কের অন্যতম প্রধান বিষয় অনেকেই মনে করছেন, এই উন্মোচন দেশের আইনি, সামাজিক এবং রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক নতুন দিগন্ত খুলে দেবে এবং ভবিষ্যতে বহু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণে সহায়ক হবে বিভিন্ন মহল থেকে তাঁর এই সাহসিকতার ভূয়সী প্রশংসা করা হচ্ছে যদিও এই পথ সহজ ছিল না, প্রীতম কুমার বৌদ্ধ তাঁর দৃঢ় সংকল্প থেকে একবিন্দুও বিচ্যুত হননি তাঁর এই সাহসী ভূমিকা আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে, সত্যের অন্বেষণ এবং উন্মোচন কতটা জরুরি প্রীতম কুমার বৌদ্ধের এই কাজ ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে সত্যের পথে হাঁটতে এবং অন্যায়ের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে অনুপ্রাণিত করবে তাঁর নাম এখন সাহসিকতা ও সত্যনিষ্ঠার এক নতুন দৃষ্টান্ত হয়ে থাকবে, যা অনাগত দিনগুলিতেও অনুপ্রেরণা যোগাবে [সৌজন্যে: @pritamkrbauddh (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

দিল্লি তোলপাড়, রাজনৈতিক মহলে চরম উত্তেজনা, কারণ এক নজিরবিহীন ঘটনায় কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা অবশেষে গ্রেফতার করেছে দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী এবং আম আদমি পার্টির (AAP) প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়ালকে মদ্যনীতি সংক্রান্ত আর্থিক দুর্নীতির অভিযোগে দীর্ঘ জিজ্ঞাসাবাদের পর শুক্রবার রাতে তাঁর বাড়িতে হানা দিয়ে কেজরিওয়ালকে হেফাজতে নেওয়া হয় এই ঘটনা কেবল আপ শিবিরেই নয়, গোটা দেশের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে এক গভীর আলোড়ন সৃষ্টি করেছে, যা আসন্ন লোকসভা নির্বাচনের আগে এক নতুন সমীকরণের ইঙ্গিত দিচ্ছে আপ নেতারা এটিকে গণতন্ত্রের উপর সরাসরি আক্রমণ এবং রাজনৈতিক প্রতিহিংসা বলে আখ্যায়িত করেছেন কেজরিওয়ালের গ্রেফতারির খবর ছড়িয়ে পড়তেই আপ কর্মীরা দিল্লিতে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন পার্টির শীর্ষ নেতৃত্ব অভিযোগ করে, বিজেপি সরকার গণতান্ত্রিকভাবে নির্বাচিত একটি সরকারকে অগণতান্ত্রিক উপায়ে উৎখাত করতে চাইছে কেজরিওয়াল নিজে জেল থেকে এক দৃঢ় বার্তা দিয়েছেন যে, তিনি এই লড়াই চালিয়ে যাবেন এবং কোনো অবস্থাতেই মাথা নত করবেন না আপের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কেজরিওয়াল জেল থেকেই সরকার চালাবেন এবং দলের রণনীতিও জেল থেকেই তৈরি হবে এই পরিস্থিতিতে আপ একটি "জেল কা জবাব ভোট সে" (জেলের জবাব ভোটে) স্লোগান তুলে জনমত নিজেদের পক্ষে আনতে মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে গ্রেফতারির পর থেকেই দেশের বিভিন্ন বিরোধী দল কেজরিওয়ালের প্রতি সমর্থন জানিয়েছে এবং কেন্দ্রীয় সরকারের এই পদক্ষেপকে নিন্দা করেছে তাদের মতে, এটি বিরোধী দলগুলিকে কোণঠাসা করার একটি অপচেষ্টা তবে, ক্ষমতাসীন বিজেপি এই গ্রেফতারিকে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ বলে দাবি করেছে এবং আপের দুর্নীতির অভিযোগগুলিকে তুলে ধরেছে এই ঘটনার জেরে দিল্লিতে রাজনৈতিক অচলাবস্থা তৈরি হওয়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছে, যেখানে এক মুখ্যমন্ত্রী জেল থেকে প্রশাসন পরিচালনার চেষ্টা করবেন এটি ভারতীয় রাজনীতিতে এক অভূতপূর্ব দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চলেছে, যার সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে আগামী দিনে কেজরিওয়ালের আইনি লড়াই এবং আপের রাজনৈতিক আন্দোলন কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই তাকিয়ে আছে গোটা দেশ একদিকে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার তৎপরতা, অন্যদিকে আপের কর্মী-সমর্থকদের অটল প্রতিজ্ঞা— এই দ্বৈরথ ভারতের গণতান্ত্রিক ইতিহাসে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা এই ঘটনার ফলে লোকসভা নির্বাচনে আপের ভোটব্যাঙ্কে সহানুভূতি বাড়বে নাকি এর উল্টো প্রতিক্রিয়া হবে, তা নিয়ে চলছে জোর জল্পনা [সৌজন্যে: @aamaadmiparty (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

দীর্ঘ প্রতীক্ষার অবসান ঘটিয়ে বিজ্ঞানী অনিল কুমার এক যুগান্তকারী আবিষ্কারের ঘোষণা করেছেন, যা বিশ্বজুড়ে সবুজ জ্বালানির ক্ষেত্রে এক নতুন দিগন্ত উন্মোচন করতে চলেছে কলকাতা থেকে প্রকাশিত এই খবর বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞান ও পরিবেশ মহলে আলোড়ন ফেলে দিয়েছে প্রচলিত জীবাশ্ম জ্বালানির বিকল্প হিসেবে তাঁর উদ্ভাবিত এই পদ্ধতি শুধুমাত্র খরচসাপেক্ষই নয়, পরিবেশবান্ধবও বটে এই আবিষ্কারের ফলে ভবিষ্যতে বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে দৈনন্দিন জীবনে জ্বালানির ব্যবহারেও এক বিশাল পরিবর্তন আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে জানা গেছে, অনিলের এই অভিনব পদ্ধতি পারমাণবিক বা সৌরশক্তির মতো বৃহৎ পরিকাঠামোর উপর নির্ভরশীল নয় বরং, এটি সহজলভ্য জৈব উপাদান থেকে অত্যন্ত কম খরচে এবং ন্যূনতম কার্বন নিঃসরণের মাধ্যমে বিপুল পরিমাণ শক্তি উৎপাদনে সক্ষম প্রাথমিক পরীক্ষা-নিরীক্ষায় দেখা গেছে, এই প্রযুক্তি সাধারণ গৃহস্থালি থেকে শুরু করে বৃহৎ শিল্প কারখানা পর্যন্ত বিভিন্ন স্তরে কার্যকর হতে পারে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এটি শুধু ভারতের জ্বালানি সংকট দূর করবে না, বরং উন্নয়নশীল দেশগুলির জন্যও একটি রোল মডেল হয়ে উঠতে পারে বিজ্ঞানী অনিল কুমার দীর্ঘ ১৫ বছর ধরে নিভৃতে তাঁর এই গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছিলেন প্রতিকূল পরিস্থিতি এবং প্রয়োজনীয় আর্থিক সহায়তার অভাব সত্ত্বেও তিনি নিজের স্বপ্ন থেকে সরে আসেননি সম্প্রতি একটি আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান সম্মেলনে তাঁর এই গবেষণা যখন উপস্থাপিত হয়, তখন বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানীরা বিস্মিত হন বহু আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সংস্থা অনিলের সঙ্গে কাজ করার আগ্রহ প্রকাশ করেছে ভারত সরকারও এই আবিষ্কারের গুরুত্ব অনুধাবন করে প্রয়োজনীয় সবরকম সহায়তা প্রদানের আশ্বাস দিয়েছে এই আবিষ্কারের বাণিজ্যিকীকরণ ও বৃহত্তর প্রয়োগ নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে পরিবেশবিদরা আশা করছেন, অনিলের এই উদ্ভাবন জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবিলার লড়াইয়ে এক নতুন আশার আলো দেখাবে যদি এই প্রযুক্তি সফলভাবে বিশ্বজুড়ে প্রয়োগ করা যায়, তবে এটি মানবজাতির জ্বালানি সুরক্ষার ক্ষেত্রে এক নতুন অধ্যায়ের সূচনা করবে এবং পরিবেশ দূষণ কমাতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে অনিলের এই অসামান্য কীর্তি নিঃসন্দেহে বিশ্বজুড়ে বিজ্ঞানচর্চায় নতুন করে অনুপ্রেরণা জোগাবে [সৌজন্যে: @anilyadavmedia1 (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

পুলিশি বর্বরতা: মপ পুনিয়ার উপর নির্যাতন, খবরের আলোয় বিতর্ক সম্প্রতি মপ পুনিয়ার উপর হওয়া পুলিশি নির্যাতনের অভিযোগ ঘিরে দেশজুড়ে তীব্র আলোড়ন সৃষ্টি হয়েছে এই ঘটনাটি ভারতের বিচার ব্যবস্থা এবং মানবাধিকারের মৌলিক প্রশ্নগুলোকে সামনে এনেছে একজন সাধারণ নাগরিকের উপর পুলিশের এমন আচরণ কেন, তা নিয়ে উঠেছে নানা প্রশ্ন প্রাথমিক সূত্রে জানা গেছে, মপ পুনিয়াকে কিছু অজ্ঞাত কারণে আটক করা হয়েছিল এবং পরবর্তীতে তাঁর উপর চরম শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন চালানো হয়েছে এই নির্যাতনের ফলে পুনিয়া গুরুতর আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছেন বলে জানা গেছে এই ধরনের ঘটনা দেশের আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর ভাবমূর্তিকে প্রশ্নবিদ্ধ করে তোলে এই ঘটনার প্রতিবাদে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে মানবাধিকার সংগঠন এবং সাধারণ নাগরিকরা সরব হয়েছেন তাঁরা দোষী পুলিশ আধিকারিকদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন এবং এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্তের আহ্বান জানিয়েছেন পাশাপাশি, ভবিষ্যতে যাতে এমন ঘটনা আর না ঘটে, তার জন্য কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণেরও দাবি উঠেছে মপ পুনিয়ার উপর এই নৃশংস নির্যাতনের ঘটনাটি আবারও দেশের বিভিন্ন কারাগারে বন্দীদের অধিকার এবং পুলিশি হেফাজতে নির্যাতনের মতো সংবেদনশীল বিষয়গুলোর প্রতি আমাদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে দ্রুত এবং নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনা এবং ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এখন সময়ের দাবি [সৌজন্যে: @mandeeppunia1 (𝕏 (Twitter))]

আই নিউজ বিডি ডেস্ক
0 ভিউ · 2 মাস আগে

সমাজবাদী পার্টি (এসপি) এবার এক নতুন রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে ময়দানে নেমেছে, যা উত্তরপ্রদেশের রাজনীতিতে এক নতুন ঢেউ তুলতে চলেছে বলে মনে করছেন ওয়াকিবহাল মহল আসন্ন লোকসভা নির্বাচনকে পাখির চোখ করে দলনেতা অখিলেশ যাদব এক ঝাঁক নতুন রণনীতি সাজিয়েছেন দলের অন্দরে চলছে জোরদার প্রস্তুতি, প্রতিটি স্তরে চাঙ্গা করার চেষ্টা চলছে কর্মীদের দল চাইছে তাদের ঐতিহ্যবাহী ভোটব্যাঙ্ককে নতুন করে সক্রিয় করে তুলতে এবং একইসঙ্গে নবীন প্রজন্মের কাছে দলের ভাবমূর্তি আরও আকর্ষণীয় করে তুলতে সূত্রের খবর, অখিলেশ যাদব এবার 'পিছিয়ে পড়া, দলিত ও সংখ্যালঘু' (পিডিএ) স্লোগানকে আরও জোরালো করে জনমানসে পৌঁছানোর চেষ্টা করছেন এই তিন শ্রেণীকে একত্রিত করে বিজেপি-কে চ্যালেঞ্জ জানানোই দলের মূল লক্ষ্য শুধু জনসভা নয়, সমাজবাদী পার্টি সোশ্যাল মিডিয়া এবং বুথ স্তরেও নিজেদের প্রভাব বাড়াতে চাইছে প্রবীণ নেতাদের অভিজ্ঞতার সঙ্গে নবীন কর্মীদের উদ্যমকে মিলিয়ে এক সুসংহত প্রচার অভিযান চালানোর পরিকল্পনা করা হয়েছে, যা রাজ্যের প্রতিটি কোনায় দলের বার্তা পৌঁছে দেবে তবে এই পথ মোটেই মসৃণ নয় উত্তরপ্রদেশে বিজেপির শক্তিশালী সংগঠন এবং গত নির্বাচনগুলির ফলাফল সমাজবাদী পার্টির জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ তা সত্ত্বেও, অখিলেশ যাদব আশাবাদী যে, জনসমর্থন আবারও তাদের দিকেই ঝুঁকবে বিরোধী জোট 'ইন্ডিয়া'র অংশীদার হিসাবেও সমাজবাদী পার্টির ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে চলেছে আঞ্চলিক দল হিসাবে তাদের শক্তিকে ব্যবহার করে জাতীয় রাজনীতিতে নিজেদের অবস্থান আরও মজবুত করতে চাইছে এসপি জোটের মধ্যে আসন ভাগাভাগি এবং প্রচারের কৌশলও এই নতুন চালের অংশ বলে মনে করা হচ্ছে সব মিলিয়ে, সমাজবাদী পার্টি এখন এক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে অখিলেশের এই নতুন চাল কতটা সফল হয়, এবং তা রাজ্যের রাজনীতিতে কী ধরনের প্রভাব ফেলে, সেদিকেই তাকিয়ে আছে রাজনৈতিক মহল এই পদক্ষেপগুলি শুধু দলের ভবিষ্যৎ নয়, উত্তরপ্রদেশের রাজনৈতিক সমীকরণও নতুন করে লিখতে পারে এবং ২০২৪ সালের নির্বাচনে এক অন্যরকম ফল এনে দিতে পারে [সৌজন্যে: @samajwadiparty (𝕏 (Twitter))]

আরো দেখুন