Nazrul Islam
|Subscribers
Breaking news
'দেশীয় জাত, আধুনিক প্রযুক্তি—প্রাণিসম্পদে হবে উন্নতি'—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বুধবার (২৬ নভেম্বর) উপজেলা প্রাণী সম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের আয়োজনে সিটিজেন পার্ক প্রাঙ্গণে এ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কুতুবদিয়া প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. রফিকুল ইসলাম। উপ-সহকারী প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা এনামুল হকের সঞ্চালনায় মেলায় বক্তব্য রাখেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ক্যাথোয়াইপ্রু মারমা, সহকারী কমিশনার (ভূমি) সাকিব উল আলম এবং থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ আরমান হোসেনসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ।
মেলা শেষে বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে শ্রেষ্ঠ খামারিদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ করা হয়।
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালী আল আমিন মার্কেটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডেকে নিয়ে মারধর ও পরবর্তীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, নুরুল হোসেনের ছেলে মো. আনিস (২০), মৃত শফি মিয়ার ছেলে ওসমান গণি (৫৫), আলম ছবির ছেলে নাছির (৬০) এবং ওসমান গণির ছেলে রুবেল (২০)। সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে ওসমান গণি আল আমিন মার্কেটে মাছ কিনতে গেলে একই এলাকার শাহাদাত হোসেন তাকে এক পাশে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। পরবর্তীতে শাহাদাতের ভাই ও আত্মীয়রা লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেন। এতে ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয়রা আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেন, পূর্বের একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। পরে তারা একটি দোকানও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
আহত ওসমান গণির স্ত্রী রেহেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সকাল সকালে একই এলাকার আবুল কালাম প্রকাশ কালা মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন, বেলাল,দিলদার ও গুরা বাদশা এবং মানিকের ছেলে বাদশা ও তোষারসহ প্রকাশ্যে তার স্বামীর ওপর হামলা করে। স্বামীর চিৎকারে আনিস, ওসমান গণি, নাছির এবং রুবেল উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকেও এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এখনো সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান হোসেন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
কুতুবদিয়ায় তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, আহত ৪
নিজস্ব প্রতিবেদক:
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ ইউনিয়নের অমজাখালী আল আমিন মার্কেটে তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে ডেকে নিয়ে মারধর ও পরবর্তীতে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। মঙ্গলবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৭টার দিকে ঘটে যাওয়া এ ঘটনায় চারজন গুরুতর আহত হয়েছেন।
আহতরা হলেন, নুরুল হোসেনের ছেলে মো. আনিস (২০), মৃত শফি মিয়ার ছেলে ওসমান গণি (৫৫), আলম ছবির ছেলে নাছির (৬০) এবং ওসমান গণির ছেলে রুবেল (২০)। সবাই একই এলাকার বাসিন্দা।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকালে ওসমান গণি আল আমিন মার্কেটে মাছ কিনতে গেলে একই এলাকার শাহাদাত হোসেন তাকে এক পাশে ডেকে নিয়ে মারধর করেন। পরবর্তীতে শাহাদাতের ভাই ও আত্মীয়রা লোহার রডসহ দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হামলায় অংশ নেন। এতে ঘটনাস্থলে উভয় পক্ষের লোকজন জড়ো হলে পরিস্থিতি সংঘর্ষে রূপ নেয়।
স্থানীয়রা আহত চারজনকে দ্রুত উদ্ধার করে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যান। পরে তাদের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় কক্সবাজার সদর হাসপাতালে রেফার করা হয়।
স্থানীয় কয়েকজন দাবি করেন, পূর্বের একটি তুচ্ছ ঘটনাকে কেন্দ্র করে এবং রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে প্রতিপক্ষের ওপর এই হামলা চালানো হয়েছে। পরে তারা একটি দোকানও লুটপাট করেছে বলে অভিযোগ ভুক্তভোগী পরিবারের।
আহত ওসমান গণির স্ত্রী রেহেনা বেগম অভিযোগ করে বলেন, মঙ্গলবার সকাল সকালে একই এলাকার আবুল কালাম প্রকাশ কালা মিয়ার ছেলে শাহাদাত হোসেন, বেলাল,দিলদার ও গুরা বাদশা এবং মানিকের ছেলে বাদশা ও তোষারসহ প্রকাশ্যে তার স্বামীর ওপর হামলা করে। স্বামীর চিৎকারে আনিস, ওসমান গণি, নাছির এবং রুবেল উদ্ধার করতে গেলে সন্ত্রাসীরা তাদেরকেও এলোপাতাড়ি কুপাতে থাকে। এখনো সন্ত্রাসীরা প্রকাশ্যে প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান হোসেন বলেন, “ঘটনার বিষয়ে শুনেছি। লিখিত অভিযোগ পেলে তদন্তসাপেক্ষে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”
নিজস্ব প্রতিবেদক
কুতুবদিয়ার বড়ঘোপ বাজারে অগ্নিকাণ্ডে ৩টি বাড়ি পুড়ে ছাই,
ক্ষতিগ্রস্ত ৬ পরিবারকে তাৎক্ষণিক সহায়তা দিলেন ইউপি চেয়ারম্যান ছোটন
নিজস্ব প্রতিবেদক ● কুতুবদিয়া
কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ বাজারের ব্রাহ্মণ পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহেল আহমেদ ।
তিনি জানান, আগুনের খবর পেয়ে কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলো হলো,বাদল শীলের ছেলে বলরাম শীল ও তপন শীল, সারদা শীলের ছেলে সেন্টু শীল এবং সেন্টু শীলের ছেলে জনি শীল, ললীত শীলের ছেলে রবি শীল এবং সৌরভ শীল।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুমান ৩০ লক্ষ টাকা হবে বলে পরিবারগুলো জানিয়েছে।
ঘটনার পর কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি পরিবার এবং ২টি দোকানঘরের মালিকদের মাঝে তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণ করেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ ন ম শহীদ উদ্দিন ছোটন।
চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে সাংবাদিক হাসান কুতুবী, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য তৌহিদুল ইসলাম ও মাইনুদ্দিন হাশেম মিন্টুর উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চাল–ডাল, শুকনো খাবার, কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক পরিবারকে ২,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
কুতুবদিয়া উপজেলার বড়ঘোপ বাজারের ব্রাহ্মণ পাড়ায় ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে তিনটি বাড়ি পুড়ে গেছে। শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে গ্যাসের সিলিন্ডার থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের স্টেশন অফিসার সোহেল আহমেদ ।
তিনি জানান, আগুনের খবর পেয়ে কুতুবদিয়া ফায়ার সার্ভিসের একটি দল দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে কাজ শুরু করে। পাশাপাশি বাংলাদেশ নৌবাহিনীর সদস্যরাও আগুন নেভানোর কাজে সহযোগিতা করেন। দীর্ঘ প্রচেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে।
অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত বাড়িগুলো হলো,বাদল শীলের ছেলে বলরাম শীল ও তপন শীল, সারদা শীলের ছেলে সেন্টু শীল এবং সেন্টু শীলের ছেলে জনি শীল, ললীত শীলের ছেলে রবি শীল এবং সৌরভ শীল।
ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ অনুমান ৩০ লক্ষ টাকা হবে বলে পরিবারগুলো জানিয়েছে।
ঘটনার পর কুতুবদিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ৬টি পরিবার এবং ২টি দোকানঘরের মালিকদের মাঝে তাৎক্ষণিক ত্রাণ বিতরণ করেন বড়ঘোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আ ন ম শহীদ উদ্দিন ছোটন।
চেয়ারম্যানের পক্ষ থেকে সাংবাদিক হাসান কুতুবী, ইউনিয়নের প্রশাসনিক কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন, ইউপি সদস্য তৌহিদুল ইসলাম ও মাইনুদ্দিন হাশেম মিন্টুর উপস্থিতিতে ক্ষতিগ্রস্তদের হাতে চাল–ডাল, শুকনো খাবার, কাঁচামালসহ প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী প্রদান করা হয়। পাশাপাশি প্রত্যেক পরিবারকে ২,০০০ টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়।
বঙ্গোপসাগরে ট্রলারসহ ১৩ জেলেকে উদ্ধার করেছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী
দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় সমুদ্র ও উপকূলীয় এলাকায় প্রতিনিয়ত টহল কার্যক্রম পরিচালনা করছে বাংলাদেশ নৌবাহিনী। এরই ধারাবহিকতায় শনিবার (০৮-১১-২০২৫) বঙ্গোপসাগরে টহল কার্যক্রমের সময় নৌবাহিনীর জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সাগরে ভাসমান অবস্থায় একটি মাছ ধরার ট্রলারসহ ১৩ জন জেলেকে উদ্ধার করে।
কুতুবদিয়া লাইট হাউজ হতে প্রায় ২০ মাইল দূরে ইঞ্জিন বিকল অবস্থায় গভীর সমুদ্রে একটি মাছধরা ট্রলার ভাসতে থাকে। ট্রলারে অবস্থানরত জেলেরা নৌবাহিনীর জাহাজ দেখতে পেয়ে জাহাজের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য আলো ও হাত দিয়ে সংকেত প্রদর্শন করে। সাগরে টহলরত নৌবাহিনী জাহাজ ‘বানৌজা শহীদ মহিবুল্লাহ’ সংকেত লক্ষ করে তাৎক্ষণিক বিপদগস্ত জেলে ও ট্রলারের নিকট ছুটে যায়। অতি দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে নৌ সদস্যগণ ট্রলারসহ অসহায় জেলেদের উদ্ধার করে। উদ্ধারের পরপরই জেলেদের প্রাথমিক চিকিৎসা ও প্রয়োজনীয় ঔষধ, খাবার ও বিশুদ্ধ পানি প্রদান করা হয়। নৌবাহিনী জাহাজ উদ্ধারকৃত জেলেদের ও মাছ ধরার ট্রলারটিকে নিরাপদে তীরে নিয়ে আসে। পরবর্তীতে তাদের পরিবার ও মালিক পক্ষের কাছে সকলকে হস্তান্তর করা হয়। জেলেরা জানায়, গত ০৬ নভেম্বর ২০২৫ হতে ট্রলারটি ইঞ্জিন বিকল হয়ে তিনদিন যাবৎ মাঝ সমুদ্রে ভাসতে থাকে।
চট্টগ্রাম-৮ আসনে বিএনপি মনোনিত এমপি প্রার্থী এরশাদ উল্লাহর গণসংযোগকালে এ ঘটনা ঘটে। ভিডিও
আলোচিত বাপ্পী খুনের আসামি গ্রেফতারের দাবিতে কুতুবদিয়ায় মানববন্ধন
নিজস্ব প্রতিবেদক | কুতুবদিয়া
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া উপজেলার লেমশীখালী মতিরবাপের পাড়ার আলোচিত বাপ্পী খুনের আসামিদের দ্রুত গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
সোমবার (৩ নভেম্বর ২০২৫) বিকেলে কুতুবদিয়া উপজেলা গেইটের সামনে এলাকাবাসীর উদ্যোগে এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে স্থানীয় জনসাধারণ, বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দ ও নিহতের স্বজনরা অংশ নেন।
মানববন্ধনে কান্নাজড়িত কণ্ঠে বক্তব্য রাখেন নিহত বাপ্পীর পিতা কায়মুল হুদা ও মা রুজিনা আখতার। তারা অভিযোগ করে বলেন, “উত্তর কৈয়ারবিল সেন্টারপাড়ায় প্রকাশ্যে দিবালোকে গরীব ও অসহায় পরিবারের একমাত্র অবলম্বন বাপ্পীকে পূর্ব শত্রুতার জেরে নৃশংসভাবে খুন করা হয়েছে। ঘটনার এক সপ্তাহ পার হলেও এখনো এজাহারভুক্ত আসামিদের কেউ গ্রেফতার হয়নি।”
তারা আরও বলেন, “আমরা এখন উল্টো আসামি পক্ষের হুমকির মধ্যে দিন কাটাচ্ছি। প্রশাসন দ্রুত পদক্ষেপ না নিলে আমাদের জীবনও হুমকির মুখে পড়বে।”
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, “একজন নিরীহ যুবককে প্রকাশ্যে হত্যা করা হয়েছে—এটি কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না। প্রশাসন দ্রুত আসামিদের গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি নিশ্চিত না করলে এলাকাবাসী কঠোর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দেয়।”
মানববন্ধনে এলাকাবাসী ছাড়াও বিভিন্ন সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
📅 (০৩ নভেম্বর ২০২৫)
📍 কুতুবদিয়া, কক্সবাজার
কুতুবদিয়া সরকারি কলেজে শিবিরের নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন অনুষ্ঠান সম্পন্ন
নিজস্ব প্রতিবেদক :
কক্সবাজারের কুতুবদিয়া সরকারি কলেজে বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের উদ্যোগে নবীন বরণ ও ক্যারিয়ার গাইডলাইন প্রোগ্রাম অনুষ্ঠিত হয়েছে। শুক্রবার (তারিখ উল্লেখযোগ্য) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত কলেজ মাঠে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শতাধিক শিক্ষার্থীর উপস্থিতি অনুষ্টানকে প্রাণবন্ত করে তোলে।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল ও কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য ড. হামিদুর রহমান আযাদ। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের নবনির্বাচিত ভিপি ইব্রাহীম রনি এবং কুতুবদিয়া উপজেলা জামায়াতের আমির ও সাবেক চেয়ারম্যান আ. স. ম. শাহরিয়ার চৌধুরী।
প্রধান অতিথি ড. হামিদুর রহমান আযাদ বলেন, “দুর্নীতি, বেকারত্ব ও দারিদ্র্যকে না বলতে হবে। মেধাবীদের হাত ধরেই বাংলাদেশ উন্নতির শিখরে পৌঁছাবে।” তিনি শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে নৈতিকতা, সততা ও পরিশ্রমের মাধ্যমে নিজেকে যোগ্য নাগরিক হিসেবে গড়ে তোলার আহ্বান জানান।
অনুষ্ঠানে বক্তারা আরও বলেন, বর্তমান সময়ে শিক্ষার্থীদের শুধু ভালো ফলাফলের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থেকে নেতৃত্বগুণ ও সৃজনশীল চিন্তাশক্তি অর্জনের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে।
অনুষ্ঠানের শেষ পর্যায়ে নবীন শিক্ষার্থীদের ফুল দিয়ে বরণ করা হয় এবং অতিথিদের হাতে সম্মাননা স্মারক তুলে দেওয়া হয়। অনুষ্ঠানে শিবির ও জামায়াতের স্থানীয় নেতৃবৃন্দ ছাড়াও কলেজের বিভিন্ন শ্রেণির শিক্ষার্থীরা অংশগ্রহণ করেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কুতুবদিয়া (কক্সবাজার)
কুতুবদিয়া সরকারি হাসপাতালে রোগীর উপর হামলার ঘটনায় আসামিদের গ্রেফতার না হওয়া এবং উল্টো বাদী পক্ষকে হুমকি-হয়রানির অভিযোগ এনে সংবাদ সম্মেলন করেছে ভুক্তভোগী পরিবার।
শনিবার (৩০ অক্টোবর ২০২৫) সকালে কুতুবদিয়া উপজেলা প্রেসক্লাব কার্যালয়ে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। এতে হামলার শিকার রোগীর পরিবার লিখিত বক্তব্যে বলেন, ১৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কুতুবদিয়া সরকারি হাসপাতালে ভর্তি থাকা অবস্থায় একদল সন্ত্রাসী প্রকাশ্যে হামলা চালিয়ে তাদের স্বজনকে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে।
ভুক্তভোগী পরিবারের অভিযোগ, ঘটনার পরপরই কুতুবদিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হলেও দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কোনো আসামীকে পুলিশ গ্রেফতার করেনি। বরং আসামিরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং বাদী পক্ষকে উল্টো নানাভাবে হুমকি দিচ্ছে।
লিখিত বক্তব্যে আরও বলা হয়, হামলাকারীরা স্থানীয় যুবদল নেতা হওয়ায় পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে মামলাটি ধামাচাপা দেওয়ার চেষ্টা করছে। এমনকি মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তাও বাদীকে ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা প্রত্যাহারের জন্য চাপ দিচ্ছেন বলে অভিযোগ করেন তারা।
সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগী পরিবার ন্যায়বিচারের দাবি জানিয়ে বলেন, “আমরা প্রশাসনের কাছে অনুরোধ জানাই, হামলাকারীদের দ্রুত গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনা হোক। অন্যথায় আমরা রাস্তায় নেমে আন্দোলনে বাধ্য হবো।”
এ সময় স্থানীয় সাংবাদিক, জনপ্রতিনিধি ও এলাকাবাসীরা উপস্থিত ছিলেন।
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কুতুবদিয়া (কক্সবাজার)
কুতুবদিয়া সরকারি হাসপাতালে রোগীর উপর হামলার ঘটনায় ১৪ দিন অতিক্রম হলেও এখনো পর্যন্ত কোন আসামীকে গ্রেফতার করতে পারেনি পুলিশ। বরং মামলার বাদী পক্ষ অভিযোগ করেছেন, হামলাকারীরা প্রকাশ্যে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং নানাভাবে ভয়ভীতি ও প্রাণনাশের হুমকি দিচ্ছে।
ঘটনাটি ঘটে ১৬ অক্টোবর ২০২৫ তারিখে কুতুবদিয়া সরকারি হাসপাতালে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সেদিন হাসপাতালে ভর্তি এক রোগীর উপর একদল দুর্বৃত্ত প্রকাশ্যে হামলা চালায় এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে। ঘটনাটির পরপরই ভুক্তভোগীর পক্ষ থেকে কুতুবদিয়া থানায় মামলা দায়ের করা হয়।
তবে দুই সপ্তাহ পার হলেও কোনো আসামী গ্রেফতার না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন মামলার বাদী ও স্থানীয়রা। তারা অভিযোগ করেন, হামলাকারীরা স্থানীয় যুবদল নেতা হওয়ায় পুলিশ ইচ্ছাকৃতভাবে অভিযানে গড়িমসি করছে। বরং মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা বাদী পক্ষকে উল্টো ভয়ভীতি দেখিয়ে মামলা তুলে নেওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছেন বলেও অভিযোগ পাওয়া গেছে।
মামলার বাদী একাধিক স্থানীয় সংবাদকর্মীকে জানান, “আমরা ন্যায়বিচার চাই। কিন্তু এখন উল্টো আমাদের পরিবারকে হয়রানি করার চেষ্টা চলছে। হামলাকারীরা এলাকায় প্রকাশ্যে ঘুরছে, অথচ পুলিশ নীরব।”
এ বিষয়ে কুতুবদিয়া থানার ওসির বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
স্থানীয় সচেতন মহল দ্রুত হামলাকারীদের গ্রেফতার ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার দাবি জানিয়েছেন।
জড়িতদের এখনো ধরতে পারেনি পুলিশ
“কুতুবদিয়ায় এনসিপি নেতার বিরুদ্ধে মামলার এক মাস পর যুবক খুন”
নিজস্ব প্রতিবেদক | কুতুবদিয়া
কক্সবাজারের কুতুবদিয়ায় মোহাম্মদ বাপ্পি (২৭) নামের এক যুবককে প্রকাশ্যে ছুরিকাঘাতে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। নিহত বাপ্পি উপজেলার লেমশিখালী ইউনিয়নের ৭ নম্বর ওয়ার্ডের মতি বাপের বাড়ির কায়মুল হুদার ছেলে।
রবিবার (২৬ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১১টার দিকে কৈয়ারবিল সেন্টার এলাকায় এ হত্যাকাণ্ড ঘটে।
ঘটনার পর পুলিশ আকতার হোসেন (কৈয়ারবিল ১নং ওয়ার্ডের শফিকুর রহমানের ছেলে) নামে এক যুবককে আটক করেছে। সে ঘটনার পর ধুরুং ঘাট দিয়ে পালিয়ে যাচ্ছিল বলে জানা গেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বাপ্পি বাড়ি থেকে বের হয়ে কৈয়ারবিল সেন্টারের আবদুল কাদেরের দোকানে নাস্তা করছিলেন। নাস্তা শেষে আকতার নামের এক ব্যক্তি তাকে ডেকে উত্তর দিকে নিয়ে যান। কিছুক্ষণ পর একটি টমটম গাড়ি এসে থামে। গাড়ি থেকে মাথায় ব্যান্ডেজ মোড়ানো এক ব্যক্তি নেমে বাপ্পির সঙ্গে তর্কে জড়ায়। একপর্যায়ে বাপ্পি দোকানের দিকে দৌড়ে এসে মাটিতে লুটিয়ে পড়েন।
প্রত্যক্ষদর্শীরা দ্রুত তাকে উদ্ধার করে কুতুবদিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. গোলাম মারুফ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
চিকিৎসক জানান, “বাপ্পিকে পৌঁনে ১২টার দিকে হাসপাতালে আনা হয়। তার বুকের ডান পাশে ধারালো অস্ত্রের গভীর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণেই মৃত্যু হয়েছে বলে ধারণা।”
প্রত্যক্ষদর্শী মামুন বলেন, “আমরা দোকানে বসে ছিলাম। দেখি বাপ্পি দৌড়ে এসে পড়ে গেলো। কাছে গিয়ে দেখি বুক থেকে রক্ত বের হচ্ছে। সঙ্গে সঙ্গে হাসপাতালে নিয়ে যাই, কিন্তু ডাক্তার বলেন—সে মারা গেছে।”
নিহতের মা জানান, তার ছেলে দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় এনসিপি নেতা পরিচয়দানকারী রিদুয়ানুজ্জামান হেলালির হুমকির মুখে ছিলেন। তিনি কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন,
“এক বছর ধরে হেলালি আমার ছেলেকে নানা হুমকি দিচ্ছিল। কয়েকবার সন্ত্রাসী দিয়ে মারধরও করিয়েছে। আগেই থানায় জিডি করেছি। গত ২৩ আগস্ট হেলালি ও আরও পাঁচজনের বিরুদ্ধে আমার ছেলে মামলা করেছিল। কিন্তু কুতুবদিয়া থানা কোনো ব্যবস্থা নেয়নি। আজ তারা আমার ছেলেকে খুন করেছে। আমি ছেলের হত্যার বিচার চাই।”
কুতুবদিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আরমান হোসেন বলেন,“ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ব শত্রুতার জেরে এই হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। জড়িতদের শনাক্ত ও আটক করতে অভিযান চলছে।”
স্থানীয়রা জানান, সম্প্রতি মাছের ঘের দখল ও মাদক সংক্রান্ত বিরোধ নিয়ে এলাকায় উত্তেজনা চলছিল। সেই বিরোধের জেরেই বাপ্পি খুন হয়ে থাকতে পারেন বলে তারা ধারণা করছেন।
এক মাস আগে এনসিপি নেতা রিদুয়ানুজ্জামান হেলালির বিরুদ্ধে বাপ্পির পরিবারের করা মামলার পর থেকেই এলাকায় অস্থিরতা দেখা দেয় বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন।
বাপ্পির মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, হত্যার রহস্য উদঘাটন ও জড়িতদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ কুতুবদিয়া (কক্সবাজার)
লবণের ন্যায্যমূল্য না পেয়ে চাষীরা মারাত্মক ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন বলে জানিয়েছেন কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের ধানের শীষের মনোনয়ন প্রত্যাশী আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ।
তিনি বলেন, বর্তমানে মাঠে এক মন লবণ বিক্রি হচ্ছে মাত্র ২০০ টাকায়, অথচ বাজারে সেই লবণ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৪০ টাকায়। এতে প্রকৃত চাষীরা বঞ্চিত ও হতাশ।
সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময় কালে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন যে, এ অবস্থায় আগামী বছর বহু চাষী লবণ উৎপাদন থেকে বিরত থাকতে পারেন। তিনি সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে লবণচাষীদের ন্যায্যমূল্য নিশ্চিতের দাবি জানান।
নিজস্ব প্রতিবেদক ॥
কুতুবদিয়া (কক্সবাজার)
বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)’র জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ও
কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনের সাবেক সংসদ সদস্য আলমগীর মোহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ ফরিদ
নির্বাচনী প্রচারণার অংশ হিসেবে কুতুবদিয়া উপজেলায় এক বিশাল গাড়ি শোডাউন করেছেন।
মঙ্গলবার (২২ অক্টোবর) বিকেল ৪টা ৩০ মিনিট
থেকে সন্ধ্যা ৫টা ৩০ মিনিট পর্যন্ত এ শোডাউন অনুষ্ঠিত হয়। দরবার ঘাট থেকে শুরু হয়ে
কুতুব দরবার শরীফ, ধুরুং
বাজার হয়ে বড়ঘোপ বাজার বেলাভূমিতে এসে শোডাউনটি শেষ হয়। এতে বিএনপি ও সহযোগী
অঙ্গসংগঠনের নেতাকর্মীরা অংশ নেন।
শোডাউন শেষে তিনি বড়ঘোপের হোটেল সমুদ্র
বিলাসে রাত্রি যাপন করেন। পরের
দিন (২৩ অক্টোবর) সকালে
তিনি সাবেক এমপি ও কুতুবদিয়া উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান, জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি এটিএম নুরুল বশর
চৌধুরীর পিতা মরহুম হাবিবুর রহমান এবং মুরালিয়ার মরহুম জালাল আহমদ চৌধুরীর কবর
জিয়ারত করেন।
এর আগে সকালে তিনি কুতুবদিয়া কবি জসিম
উদ্দিন উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশ্যে বক্তব্য রাখেন এবং ‘ভোটের সালাম’ পৌঁছে দেন।
উল্লেখ্য, কুতুবদিয়া-মহেশখালী আসনে বিএনপি এখনো
চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা করেনি। মনোনয়ন প্রত্যাশীরা নিজ নিজ অবস্থান থেকে গণসংযোগ ও
প্রচারণা চালিয়ে যাচ্ছেন।
নির্বাচনের আগে দলীয় প্রশাসনের অপসারণ চান ডঃ হামিদুর রহমান আযাদ এমপি। বুধবার ২২ অক্টোবর কুতুবদিয়া মডেল হাইস্কুল এন্ড কলেজের মাঠে আয়োজিত মৎস্যজীবীদের সমাবেশে এ কথা বলেন তিনি।
ফুটেজে দেখা যায়। একদল সন্ত্রাসী পরিকল্পিতভাবে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে হাসপাতালের ৩য় তলায় ভর্তি রোগীর উপর উপর্যপুরি হামলা করছে।
