কাঠালিয়া -রাজাপুর মহাসড়কের কালভার্ট যেন ‘মরণফাঁদ’: সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা

اگلا

কাঠালিয়া -রাজাপুর মহাসড়কের কালভার্ট যেন ‘মরণফাঁদ’: সংস্কারের অভাবে প্রতিনিয়ত দুর্ঘটনা

21 Views· 15/01/26
MD  IMRAN MUNSHI
MD IMRAN MUNSHI
10 سبسکرائبرز
10

জেলা প্রতিনিধি ঝালকাঠি।


ঝালকাঠির কাঠালিয়া-কচুয়া হয়ে মীরের হাট থেকে রাজাপুর মহাসড়কের বড় কাঠালিয়া সংলগ্ন এলাকার একটি বক্স কালভার্ট দীর্ঘ এক বছর ধরে ভেঙে পড়ে আছে। যথাযথ সংস্কারের অভাবে বর্তমানে এই স্থানটি সাধারণ পথচারী ও যানবাহন চালকদের জন্য এক ‘মরণফাঁদ’ হিসেবে দাঁড়িয়েছে। জরুরি চলাচলের জন্য সড়কে স্টিলের পাত বসানো হলেও তা কোনো কাজে আসছে না, বরং দিন দিন বাড়ছে দুর্ঘটনার ঝুঁকি।

​
​স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, কাঠালিয়া থেকে কচুয়া যাওয়ার প্রধান এই সড়কের গুরুত্বপূর্ণ কালভার্টটি প্রায় এক বছর আগে ভেঙে যায়। তখন সাময়িকভাবে যান চলাচলের জন্য সেখানে স্টিলের পাত বসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু দীর্ঘ সময় পার হলেও স্থায়ী কোনো সংস্কার না হওয়ায় স্টিলের পাতগুলো এখন পিচ্ছিল ও বিপদজনক হয়ে উঠেছে।
​
​এলাকাবাসীর ভাষ্যমতে, এই স্থানে প্রায় প্রতিদিনই ছোট-বড় দুর্ঘটনা ঘটছে। সম্প্রতি ঘটে যাওয়া ৩-৪টি মারাত্মক দুর্ঘটনায় অন্তত ৫-৬ জন গুরুতর আহত হয়েছেন। বিশেষ করে রাতের অন্ধকারে অপরিচিত চালকরা এখানে এসে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছেন। পথচারীরা জীবনের ঝুঁকি নিয়ে পারাপার হচ্ছেন এবং যেকোনো সময় বড় ধরনের প্রাণহানির আশঙ্কা করা হচ্ছে।
​
​এই রুটে নিয়মিত চলাচলকারী গাড়িচালকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, ভাঙা কালভার্টের ওপর দিয়ে গাড়ি চালানো অত্যন্ত কষ্টসাধ্য ও ঝুঁকিপূর্ণ। অনেক চালক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে শারীরিক আঘাত পাওয়ার পাশাপাশি আর্থিকভাবেও ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

​স্থানীয় এক বাসিন্দা ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন:
​"এটি কাঠালিয়া ও কচুয়াবাসীর যাতায়াতের প্রধান সড়ক। এক বছর ধরে কালভার্টটি ভাঙা থাকলেও কারো যেন নজর নেই। আমরা সারাক্ষণ আতঙ্কে থাকি কখন জানি বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটে।"
​
​জনগুরুত্বপূর্ণ এই মহাসড়কটি দিয়ে প্রতিদিন শত শত মানুষ ও যানবাহন চলাচল করে। বর্তমান শোচনীয় অবস্থা থেকে মুক্তি পেতে এবং নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করতে স্থানীয়রা সড়ক ও জনপথ বিভাগ (সওজ) সহ সংশ্লিষ্ট ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন। এলাকাবাসীর দাবি, কালভার্টটি দ্রুত নতুন করে নির্মাণ বা স্থায়ী সংস্কার করে মানুষের জীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হোক।

مزید دکھائیں

 0 تبصرے sort   ترتیب دیں


اگلا