S Rahman | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
S Rahman
|সাবস্ক্রাইবার
সর্বশেষ ভিডিও
বান্দরবান প্রতিনিধি: বান্দরবান সদর হাসপাতালের দীর্ঘদিনের চরম অব্যবস্থাপনা দূরীকরণ, দ্রুত ২৫০ শয্যার হাসপাতাল পূর্ণাঙ্গভাবে চালু, আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সেন্টার স্থাপন, আধুনিক সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস চালু এবং সাম্প্রতিক হাম পরিস্থিতি মোকাবিলায় অবহেলা ও তালবাহানার প্রতিবাদে বান্দরবানে এক মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
মানববন্ধনে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশ নিয়ে জেলার স্বাস্থ্যসেবার বিদ্যমান সংকটের দ্রুত সমাধানের দাবি জানান। বক্তারা বলেন, পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জন্য উন্নত ও মানসম্মত স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করা রাষ্ট্রের সাংবিধানিক দায়িত্ব। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে বান্দরবান সদর হাসপাতালে প্রয়োজনীয় চিকিৎসক, জনবল, আধুনিক চিকিৎসা সরঞ্জাম ও জরুরি স্বাস্থ্যসেবার ঘাটতির কারণে সাধারণ মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
তারা অভিযোগ করেন, হাসপাতালে আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সেন্টার না থাকায় জটিল রোগীদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রামসহ দূরবর্তী হাসপাতালে যেতে হয়। এছাড়া সরকারি অ্যাম্বুলেন্সের সংকট এবং সাম্প্রতিক হামে আক্রান্ত শিশুদের চিকিৎসা ব্যবস্থাপনায় অব্যবস্থাপনা ও গাফিলতির কারণে জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি হয়েছে।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, জেলার স্বাস্থ্যখাতের এই সংকট নিরসনে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণ না করলে ভবিষ্যতে আরও প্রাণহানির আশঙ্কা রয়েছে। পাহাড়ের মানুষের জীবন রক্ষায় অবিলম্বে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের প্রতি তারা জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন শেষে দাবিসমূহ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য সাচিং প্রু জেরী, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের চেয়ারম্যান থানজামা লুসাই এবং জেলা প্রশাসকের কাছে পৃথক স্মারকলিপি প্রদান করা হয়।
মানববন্ধন থেকে উত্থাপিত প্রধান দাবিগুলো হলো—
বান্দরবান ২৫০ শয্যার হাসপাতাল দ্রুত পূর্ণাঙ্গভাবে চালু করতে হবে।
সদর হাসপাতালে অবিলম্বে আইসিইউ ও ডায়ালাইসিস সেন্টার চালু করতে হবে।
আধুনিক সরকারি অ্যাম্বুলেন্স সার্ভিস নিশ্চিত করতে হবে।
হাম প্রতিরোধ, চিকিৎসা ও ব্যবস্থাপনায় সকল ধরনের অবহেলা ও গাফিলতির সুষ্ঠু তদন্ত করে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে হবে।
পাহাড়ের মানুষের জন্য মানসম্মত ও টেকসই স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে প্রয়োজনীয় জনবল, চিকিৎসা সরঞ্জাম ও ওষুধের ব্যবস্থা করতে হবে।
মানববন্ধনে বক্তারা হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, যৌক্তিক দাবিগুলো দ্রুত বাস্তবায়ন না হলে জনগণকে সঙ্গে নিয়ে আরও বৃহত্তর শান্তিপূর্ণ কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে।
বান্দরবান পৌরসভার ৪, ৫, ৭ ও ৮ নম্বর ওয়ার্ডে আকস্মিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে নগদ অর্থ ও হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করেছে ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস)।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই ২০২৬) আয়োজিত সহায়তা বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের সংসদ সদস্য ও বান্দরবান জেলা বিএনপির আহ্বায়ক রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি।
এ সময় তিনি বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে নগদ অর্থ ও হাইজিন সামগ্রী তুলে দেন। তিনি বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো একটি মানবিক দায়িত্ব। এ ধরনের সহায়তা কার্যক্রম মানুষের দুর্ভোগ লাঘবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। তিনি ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস)-এর মানবিক উদ্যোগের প্রশংসা করেন এবং ভবিষ্যতেও এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান পৌর প্রশাসক, বান্দরবান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, ওয়ার্ল্ড ভিশন বাংলাদেশ ও গ্রাম উন্নয়ন সংগঠন (গ্রাউস)-এর প্রতিনিধিবৃন্দসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা।
মানবিক এ সহায়তা কার্যক্রমের মাধ্যমে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জরুরি প্রয়োজন মেটাতে নগদ অর্থ ও স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় হাইজিন সামগ্রী বিতরণ করা হয়।
বান্দরবান প্রতিনিধি:
আজ বুধবার সকালে ঢাকা থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে ছেড়ে আসা একটি যাত্রীবাহী বাস বান্দরবান সদর উপজেলার আমতলী এলাকায় সড়ক দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। দুর্ঘটনায় বাসে থাকা কয়েকজন যাত্রী আহত হলেও ঘটনাস্থলে কোনো প্রাণহানির ঘটনা ঘটেনি।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকালে বান্দরবানের আমতলী এলাকায় পৌঁছালে বাসটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দুর্ঘটনায় পড়ে। দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, পথচারী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা দ্রুত ঘটনাস্থলে ছুটে এসে আহত যাত্রীদের উদ্ধার করেন। পরে আহতদের প্রাথমিক চিকিৎসার জন্য বান্দরবান সদর হাসপাতালে এবং প্রয়োজন অনুযায়ী অন্যান্য চিকিৎসাকেন্দ্রে নেওয়া হয়।
দুর্ঘটনার খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং যান চলাচল স্বাভাবিক করতে কাজ শুরু করে। দুর্ঘটনার কারণ জানতে বাসটি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, চালকের নিয়ন্ত্রণ হারানো অথবা সড়কের অবস্থার কারণে এ দুর্ঘটনা ঘটে থাকতে পারে। তবে প্রকৃত কারণ তদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে।
এদিকে, দুর্ঘটনায় কেউ নিহত না হওয়ায় যাত্রী ও স্বজনদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে। তবে আহতদের দ্রুত সুস্থতা কামনা করেছেন স্থানীয়রা।
বান্দরবান, ২১ জুলাই: সাম্প্রতিক বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত বান্দরবান সদর উপজেলার ৬৫০টি পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে
মঙ্গলবার (২১ জুলাই) দুপুর ২টায় বান্দরবান সদর উপজেলার বালাঘাটা ভোকেশনাল স্কুলের সামনে আয়োজিত এ ত্রাণ বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি
অনুষ্ঠানে এমপি সাচিং প্রু জেরী বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং তাদের হাতে প্রয়োজনীয় ত্রাণসামগ্রী তুলে দেন তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর পাশে থাকার আশ্বাস দিয়ে বলেন, দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসনে সরকার ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ প্রয়োজনীয় সহায়তা অব্যাহত রাখবে
ত্রাণ বিতরণ কর্মসূচিতে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন
বান্দরবান প্রতিনিধি:
বান্দরবানে জেলা প্রশাসন ও বন বিভাগের যৌথ উদ্যোগে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার উদ্বোধন উপলক্ষে সোমবার সকালে একটি বর্ণাঢ্য র্যালি অনুষ্ঠিত হয়েছে
র্যালিতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে নেতৃত্ব দেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি র্যালিটি শহরের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে মেলা প্রাঙ্গণে এসে শেষ হয়
এ সময় জেলা প্রশাসন, বন বিভাগ, বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারী, জনপ্রতিনিধি, শিক্ষার্থী, সামাজিক ও পরিবেশবাদী সংগঠনের সদস্যসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ অংশগ্রহণ করেন
পরে সপ্তাহব্যাপী বৃক্ষরোপণ অভিযান ও বৃক্ষমেলার আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয় আয়োজকরা জানান, পরিবেশের ভারসাম্য রক্ষা, বনজ সম্পদ সংরক্ষণ এবং জনগণের মধ্যে বৃক্ষরোপণের গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধি করাই এ আয়োজনের মূল লক্ষ্য
“মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রংধনুর মতো দৃষ্টিনন্দন উন্নয়নের প্রতীক” — পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক প্রতিমন্ত্রী
বান্দরবান প্রতিনিধি
আই নিউজ বিডি
পার্বত্য চট্টগ্রামবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল উদ্দিন বলেছেন, “মাননীয় প্রধানমন্ত্রী রংধনুর মতো দৃষ্টিনন্দন রংধনুর সাতটি রঙ যেমন সৌন্দর্য, বৈচিত্র্য ও সম্প্রীতির প্রতীক, তেমনি প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বাংলাদেশ উন্নয়ন, শান্তি, সম্প্রীতি ও অগ্রগতির পথে এগিয়ে যাচ্ছে”
তিনি বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামে দীর্ঘদিনের উন্নয়ন বৈষম্য দূর করতে সরকার আন্তরিকভাবে কাজ করছে দুর্গত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, যোগাযোগব্যবস্থার উন্নয়ন, শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও কর্মসংস্থান সৃষ্টির মাধ্যমে পার্বত্য অঞ্চলের সার্বিক উন্নয়ন নিশ্চিত করা হচ্ছে
তিনি আরও বলেন, পার্বত্য চট্টগ্রামের সব সম্প্রদায়ের মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্প্রীতি বজায় রেখে উন্নয়নের ধারা অব্যাহত রাখতে সরকার বদ্ধপরিকর যেকোনো দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পুনর্বাসন এবং টেকসই উন্নয়নে প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহায়তা অব্যাহত থাকবে
অনুষ্ঠানে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ উপস্থিত ছিলেন প্রতিমন্ত্রী উপস্থিত জনসাধারণকে ঐক্য, সম্প্রীতি ও উন্নয়নের স্বার্থে সম্মিলিতভাবে কাজ করার আহ্বান জানান
ঐতিহাসিক জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থান স্মরণে বান্দরবান শহীদ আবু সাঈদ মুক্ত মঞ্চে আয়োজিত দুই দিনব্যাপী আলোকচিত্র প্রদর্শনীর শুভ উদ্বোধন করেছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি
বৃহস্পতিবার (১৬ জুলাই ২০২৬) আয়োজিত উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং জুলাই অভ্যুত্থানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মুহূর্ত, ত্যাগ ও সংগ্রামের স্মৃতিবিজড়িত আলোকচিত্র পরিদর্শন করেন এ সময় তিনি বলেন, ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ ঘটনাগুলো নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরতে এ ধরনের উদ্যোগ অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ
দুই দিনব্যাপী এই আলোকচিত্র প্রদর্শনীর আয়োজন করেছে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন, বান্দরবান পার্বত্য জেলা সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বান্দরবান জেলা প্রশাসন
প্রদর্শনীটি সকল দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হয়েছে, যেখানে জুলাই ছাত্র-জনতার অভ্যুত্থানের বিভিন্ন স্মরণীয় মুহূর্ত আলোকচিত্রের মাধ্যমে তুলে ধরা হয়েছে
চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের সমন্বয়ক এবং বিদ্য
বান্দরবান, ১৫ জুলাই ২০২৬ (বুধবার): চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন্যাদুর্গত মানুষের উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের অংশ হিসেবে বান্দরবানে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে ত্রাণসামগ্রী বিতরণ করা হয়েছে
বুধবার সকালে বান্দরবান পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ডের বালাঘাটা আমবাগান এলাকায় মারমা, তঞ্চংগ্যা, ত্রিপুরা ও বড়ুয়া জাতিগোষ্ঠীর পাশাপাশি পাহাড়ে বসবাসরত বাঙালি পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করেন চট্টগ্রাম ও পার্বত্য অঞ্চলের বন্যাদুর্গতদের উদ্ধার, ত্রাণ ও পুনর্বাসন কার্যক্রমের সমন্বয়ক এবং বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মাননীয় প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত
এ সময় উপস্থিত ছিলেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি সংরক্ষিত মহিলা আসনের এম,পি জেলা প্রশাসক, এস,পি সহ সরকারি আধা সরকারি প্রতিষ্টানের কর্মকর্তা, কর্মচারীবৃন্দ এলাকার গন্যমান্য ব্যাক্তি বর্গ
ত্রাণ বিতরণকালে বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের খোঁজখবর নেওয়া হয় এবং তাদের পাশে থেকে দ্রুত পুনর্বাসন কার্যক্রম বাস্তবায়নের আশ্বাস দেওয়া হয় উপস্থিত ব্যক্তিরা সরকারের এই মানবিক উদ্যোগকে স্বাগত জানান এবং দুর্গত মানুষের পাশে থাকার জন্য সংশ্লিষ্ট সকলের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন
বান্দরবানে বন্যায় পানিবন্দী ও আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থান নেওয়া ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেছেন বান্দরবান-৩০০ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি
দুপুরে তিনি শহরের গার্লস স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র, হাই স্কুল আশ্রয়কেন্দ্র, আর্মিপাড়া ব্লু স্কাই আশ্রয়কেন্দ্র, বাস স্টেশন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় আশ্রয়কেন্দ্র, ওয়ার্ল্ড ভিশন আশ্রয়কেন্দ্র এবং সাঙ্গু স্কুল আশ্রয়কেন্দ্রে আশ্রয় নেওয়া বন্যাকবলিত পরিবারের মাঝে রান্না করা খাবার বিতরণ করেন
এ সময় তিনি আশ্রয়কেন্দ্রে অবস্থানরত মানুষের খোঁজখবর নেন এবং চলমান দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্ত মানুষের পাশে থেকে প্রয়োজনীয় মানবিক সহায়তা অব্যাহত রাখার আশ্বাস দেন
১০ জুলাই ২০২৬-শুক্রবার
আজ বৃহস্পতিবার সারাদিন জেলা সদরের যেসকল আশ্রয়কেন্দ্র ও দুর্গত এলাকায় ত্রাণ পৌছানো সম্ভব হয়েছে-
- সাংগু স্কুল
- হাফেজঘোনা প্রাথমিক বিদ্যালয়
- নতুন পাড়া প্রাথমিক
- সিদ্দিকনগর প্রাথমিক
- কাচিংঘাটা প্রাথমিক
- কাচিংঘাটা সংলগ্ন জলাবদ্ধ এলাকা
- গোয়ালিয়াপাড়া বিদ্যালয়
- কুহলং এলাকার জলাবদ্ধ পরিবারসমূহ
- লেমুঝিড়ির বোম ও ত্রিপুরা হোস্টেলের আটকেপরা ছাত্র-ছাত্রী ও কর্তৃপক্ষ
- ওয়ার্ল্ডভিশন আশ্রয়কেন্দ্র
- জেলা পরিষদ রেস্ট হাউসের আশ্রয়কেন্দ্র
ত্রাণ হিসেবে চাল, ডাল, তেল, পানি, আলু, চিড়া, মুড়ি, মোম, স্যালাইন, চিনি, শিশুদের দুধ, সুজি, প্যাকেট জুস, ডায়াপার, সাবান ও ক্ষেত্রবিশেষে নগদ টাকা দেয়া হয়
এছাড়াও ইউএনওগণের নেতৃত্বে উপজেলা পর্যায়ে একইরকম কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে
যাদের অক্লান্ত পরিশ্রমে সম্ভব হয়েছে, বিশেষত পুলিশ বিভাগ, আনসার সদস্য, ফায়ার সার্ভিস, রেডক্রিসেন্ট, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ও সাংগাঠনিক ব্যাক্তি, সাংবাদিক, বিভিন্ন পর্যায়ের সরকারি দপ্তর - সকলের প্রতি জেলা প্রশাসনের পক্ষ হতে কৃতজ্ঞতা
আপনাদের সহযোগিতা অব্যাহত থাকলে এ দুর্যোগে সামনের দিনগুলোতেও সবাই মিলে বিপদমুক্ত থাকা সম্ভব হবে বলে জানান
বান্দরবানের বৃষ্টিপাতের অবস্থা বেশ খারাপের দিকে যাচ্ছে ক্রমাগত পানি লেভেল বাড়ছে এভাবে বৃষ্টিপাত চলতে থাকলে সকাল হতে হতে বিভিন্ন এলাকায় পানি উঠে যাবে বর্তমানে ইসলামপুর, শেরেবাংলা নগর, আর্মি পাড়া, ওয়াপদা ব্রিজ এলাকা প্লাবিত হয়ে গেছে
ইসলামপুর এলাকা
কেরানীহাট–বান্দরবান সড়কে বাস চলাচল বন্ধ, বিদ্যুৎ সঞ্চালন লাইন স্বাভাবিক করার জন্য মেরামতের কাজ চলমান আছে।
বান্দরবান বিদ্যুৎ বিতরণ বিভাগের প্রধান নির্বাহী সৈয়দ আমির হোসেন ঘঠনাস্হলে পরিদর্শন করেছেন এবং সরাসরি তদারকির মাধ্যমে সমাধানের চেষ্টা করছেন বলে জানিয়েছেন।
অতিরিক্ত বৃষ্টিপাত কারণে, থানচি বংড এরিয়াতে নৌকা ডু/বে নদীতে পর্যটক প/ড়ে যাই, পরবর্তীতে স্থানীয় মানুষদের সহযোগিতা উ/দ্ধার করা হয়। দ
২৮ জুন ২০২৬—বান্দরবানের থানচি উপজেলার তিন্দু ইউনিয়নের একটি নিম্ন মাধ্যমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণের পথে একধাপ এগিয়েছে। সংবাদটি নিঃসন্দেহে একফালি রোদ, পাহাড়ের ঘন কুয়াশা ভেদ করে আসা আশার আভা। তবু এই আলোর পাশে ছায়া হয়ে দাঁড়ায় একটি তীক্ষ্ণ প্রশ্ন—এতদিন কেন এই অপেক্ষা?
শিক্ষা কি তাদের জন্য কম জরুরি? প্রশ্নগুলো রূঢ়, কিন্তু বাস্তবতা আরও রূঢ়। বছরের পর বছর পাহাড়ি জনপদে শিক্ষা রাষ্ট্রীয় অবহেলার করুণ উপাখ্যান হয়ে থেকেছে। শিক্ষক নেই, শ্রেণিকক্ষ জীর্ণ, পাঠ্যবই পৌঁছায় বর্ষা পেরিয়ে। নদী, পাহাড় আর প্রশাসনিক অনিশ্চয়তার ত্রিভুজে বন্দি হয়ে প্রতিদিন ক্ষয় হয় শিশুদের মৌলিক অধিকার।
এই প্রেক্ষাপটে তিন্দুর একটি বিদ্যালয়ের জাতীয়করণ কোনো করুণা নয়। এটি রাষ্ট্রের বিলম্বিত কর্তব্য পালনের এক ক্ষুদ্র, অথচ প্রয়োজনীয় স্বীকৃতি। অধিকার কখনো অনুগ্রহ হতে পারে না—এ সত্য যত দেরিতে উপলব্ধি করা যায়, তত বেশি মূল্য দিতে হয় একটি প্রজন্মকে।
এই উদ্যোগের পেছনে আছেন সুফল চাকমার মতো নীরব প্রহরীরা। তাঁদের কলমে উঠে এসেছে তিন্দুর স্কুলটির দীর্ঘশ্বাস, বঞ্চনার করুণ কাহিনি। তাঁদের লেখা পৌঁছেছে সংসদের কক্ষে, নীতিনির্ধারকের টেবিলে।
আছেন প্রধান শিক্ষক বামং খিয়াং মিংলেন। সাঙ্গুর বুকে নৌকা বেয়ে যিনি শিক্ষকদের সামান্য ভাতা জোগাড় করেন, বিদ্যালয়টিকে বাঁচিয়ে রাখেন নিজের কাঁধে। পাহাড়ের মানুষেরা নিঃশব্দে সমাজের ভার বয়—এটাই তাঁদের চিরায়ত বৈশিষ্ট্য।
কিন্তু রাষ্ট্রের যে দায়িত্ব নিয়মতান্ত্রিকভাবে পালনের কথা, তা যদি বারবার সচেতন নাগরিকের ব্যক্তিগত ত্যাগের উপর ভর করে দাঁড়ায়, তবে সেটি আর সাফল্য থাকে না। সেটি হয়ে ওঠে রাষ্ট্রীয় ব্যর্থতার স্পষ্ট স্বীকারোক্তি।
আমাদের সংবিধান এবং জাতীয় শিক্ষানীতি—দুটোই পাহাড়ি ও প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর শিক্ষাকে অগ্রাধিকারের কথা বলে। অথচ বাস্তবে পাহাড়ের শিক্ষা আজও প্রকল্পনির্ভর, দাতা-সহায়তার মুখাপেক্ষী, অনিশ্চিত।
যদি জাতীয়করণ কেবল বিদ্যালয়ের নামফলকে নতুন রং হয়ে থেমে যায়—যদি স্থায়ী শিক্ষক নিয়োগ না হয়, পর্যাপ্ত বরাদ্দ না আসে, প্রশাসনিক জবাবদিহি প্রতিষ্ঠিত না হয়—তবে তিন্দুর এই উদ্যোগও আরেকটি ফাঁপা আশার নামান্তর হবে। নামফলক পেট ভরায় না, ভবিষ্যৎও গড়ে না
পাহাড়ে শিক্ষা নিশ্চিত না করে উন্নয়ন, শান্তি কিংবা সমতার কথা বলা কেবল বাগাড়ম্বর। শিক্ষা কোনো দয়ার দান নয়—এটি সাংবিধানিক অধিকার, মানবিক মর্যাদার ভিত্তি। এই অধিকার নিশ্চিত করতে ব্যর্থ হলে রাষ্ট্রকে তার নীরবতার দায় নিতেই হবে।
তিন্দুর এই ক্ষুদ্র প্রদীপ দৃষ্টান্ত হোক, ব্যতিক্রম নয়। পাহাড়ের প্রতিটি ঝির পাশে, প্রতিটি পাড়ায় যেন জ্বলে ওঠে এমন আলো। কারণ একটি জাতি ততটাই উন্নত, যতটা আলোকিত তার সবচেয়ে প্রান্তিক শিশুটির চোখ।
জাতীয়করণ হচ্ছে বান্দরবানের থানচি উপজেলার সেই পিছিয়ে থাকা সেই স্কুলটি।
আজ জাতীয় সংসদে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও সমস্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন রাজপুত্র সাচিং প্রু
আজ জাতীয় সংসদে পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়ন ও সমস্যা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য রাখলেন রাজপুত্র সাচিং প্রু জেরী এমপি
