লাইক দিন পয়েন্ট জিতুন!
ঝালকাঠির বিনাপানিতে পাশাপাশি ক্লাব হওয়ায় গোলাম আজম সৈকতের গণসংযোগ কে ঘিরে টান টান উত্তেজনা।
রাজনীতির ময়দানে উত্তাপ বাড়ছে দলীয় গ্রুপিংয়ের কারণে। বিশেষ করে বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব এখন প্রকাশ্যে এসে পড়েছে। আজকের দিনে সাবেক কেন্দ্রীয় নেতা গোলাম আজম সৈকতের একটি গণসংযোগকে কেন্দ্র করে এই উত্তেজনা তীব্রতর আকার ধারণ করেছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায় যে, বিএনপির মধ্যে এখন দুটি প্রধান গ্রুপ সক্রিয়। একদিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন গোলাম আজম সৈকত সহ আরও পাঁচজন হেভিওয়েট নেতা। অন্যদিকে রয়েছেন বিএনপির ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক রফিকুল ইসলাম জামাল। এই বিভাজনের কারণে স্থানীয় বাজার এলাকায় দুটি আলাদা রাজনৈতিক কার্যালয় দেখা যাচ্ছে।
গোলাম আজম সৈকত আজ তার ৩১ দফা প্রচারণা এবং বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমানের সালাম পৌঁছানোর উদ্দেশ্যে একটি গণসংযোগে অংশ নেন। এ সময় তিনি ঐ ক্লাবে উপস্হিত হন তখনই ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য সচিব কিরন হাওলাদার একটি চেয়ার উঁচিয়ে ধরে রাখেন, যা নিয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়।
গোলাম আজম সৈকতের অনুসারীদের মতে, কিরন হাওলাদার এই আচরণের মাধ্যমে একটি অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনার সৃষ্টির চেষ্টা করেছিলেন। তারা দাবি করেন এটি কোন রাজনৈতিক শিষ্টাচার হতে পারে না কেননা যেই নমিনেশন পাবে সবাই তার পক্ষে কাজ করবে।
তবে কিরন হাওলাদার জানান যে, তিনি মিডিয়ার সামনে যেতে ইচ্ছুক ছিলেন না, তাই চেয়ার তুলে মুখ লুকিয়েছিলেন।
এই পরিস্থিতি চলাকালে গোলাম আজম সৈকতের কৌশলগত অবস্থানের কারণে কোনো বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়নি। তবে এই ঘটনা বিএনপির অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্বের একটি প্রতিফলন এবং তা দলটির ভবিষ্যৎ রাজনীতিতে প্রভাব ফেলতে পারে।