Video teratas | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও
Video teratas
প্রশংসায় ভাসছে নারায়ণগঞ্জে এনসিপির পদযাত্রা ও ইসলামি আন্দোলনের সমাবেশের মাঝে প্রকাশ পাওয়া রাজনৈতিক শ
নারায়নগঞ্জের ডিআইটি তে ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশ চলছিল, এসময় পাশ দিয়ে যাচ্ছিলো এনসিপির জুলাই পদযাত্রা। ইসলামি আন্দোলন বাংলাদেশের সমাবেশ দেখে এনপিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ শ্লোগান থামিয়ে দেয়। পাশাপাশি ইসলামি আন্দোলনও তাদের চলমান বক্তব্য থামিয়ে, মঞ্চ থেকে শ্লোগান দিয়ে স্বাগত জানায় এনসিপির কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে। এসময় উভয় দলের মধ্যে প্রকাশ পাওয়া রাজনৈতিক শিষ্টাচার সাধারণ জনগণকে উচ্ছ্বসিত করে
তেহরান, ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান স্থপতি, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের জীবন্ত কিংবদন্তি এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উযমা সাইয়্যেদ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করেছেন। তার এই মহাপ্রয়াণ কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নয়, বরং সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এবং বিশ্ব-রাজনীতির সমীকরণে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে।
১৯৩৯ সালে মাশহাদে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতা ইমাম খোমেনীর (রহ.) যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের হাল ধরেছিলেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকির মুখেও ইরানকে এক চুল নড়াতে দেননি। তার নেতৃত্বে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি সাধারণ রাষ্ট্র থেকে সামরিক ও বৈজ্ঞানিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।
আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবনের অন্যতম প্রধান ব্রত ছিল ফিলিস্তিনের মুক্তি। তিনি ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (Axis of Resistance)-কে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যেখানে হিজবুল্লাহ, হামাস এবং অন্যান্য মুক্তিগামী সংগঠনগুলো আজ ইসরায়েল ও পশ্চিমা আধিপত্যের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির শাহাদাত এই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে শোক নয়, বরং প্রতিশোধের এক নতুন আগ্নেয়গিরি তৈরি করবে।
"শাহাদাত কোনো পরাজয় নয়, বরং এটি বিজয়ের চূড়ান্ত সোপান।" — খামেনির জীবন দর্শনের এই মূলমন্ত্রই এখন ইরানি তরুণদের প্রধান অনুপ্রেরণা।
তার শাসনামলেই ইরান ড্রোন প্রযুক্তি, ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ন্যানো-টেকনোলজিতে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর তালিকায় নাম লিখিয়েছে। তিনি সবসময় তরুণ বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, "আমাদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে।" তার শাহাদাতের পর এখন দেখার বিষয় ইরান কীভাবে তার রেখে যাওয়া এই শক্তিশালী ভিত্তি ধরে রাখে।
আয়াতুল্লাহ খামেনি চলে গেছেন, কিন্তু তিনি রেখে গেছেন একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং একটি আপসহীন আদর্শ। তার শাহাদাত ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যের এক অভূতপূর্ব জোয়ার সৃষ্টি করেছে। তেহরানের রাস্তায় উপচে পড়া মানুষের ভিড় আজ বিশ্বকে এই বার্তাই দিচ্ছে—ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু চেতনার মৃত্যু নেই।
বাউফল উপজেলা যুবদল নেতা মুজাহিদ মুন্সি নেতৃত্বে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল শোভাযাত্রা।
বাউফল উপজেলা যুবদল নেতা মুজাহিদ মুন্সি নেতৃত্বে যুবদলের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে বিশাল শোভাযাত্রা।
বিয়ের দাবিতে শিক্ষকের বাড়িতে অনশন ছাত্রির
সিরাজগঞ্জে মিনি ‘আয়নাঘর’, উঠে এলো নির্যাতনের ভয়াবহ তথ্য
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের মিছিল।
কক্সবাজার ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রধান হিসেবে, অতিরিক্ত ডিআইজি,সুপার নিউমারারি, আপেল মাহমুদ, পর্যটন খাতের শৃঙ্খলা এবং পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে, উল্লেখযোগ্য সাফল্য দেখিয়েছেন। নগরীর নিরাপত্তা ও শৃঙ্খলায় ব্যাপক পরিবর্তন এনেছেন। অপরাধ দমন থেকে শুরু করে মানবিক সেবা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই, ট্যুরিস্ট পুলিশ বাহিনীর তৎপরতায় প্রশংসিত হয়েছেন তিনি । তার নেতৃত্বে পর্যটন জোনে অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড উল্লেখযোগ্য ভাবে হ্রাস পেয়েছে । তার প্রধান সাফল্য ও অবদান সমূহ হলো, অপরাধ দমন ও নিরাপত্তা জোরদারে, অপরাধী সিন্ডিকেট নির্মূল, হোটেল মোটেল জোন ও সৈকত এলাকায় সক্রিয় ছিনতাইকারী চক্র এবং কিশোর গ্যাংয়ের বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান তার । অবৈধ ব্যবসা বন্ধ,স্পা সেন্টার ও হোটেলের আড়ালে চলা অসামাজিক কার্যকলাপ ও অবৈধ ব্যবসার বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান চালিয়ে সেগুলো বন্ধ করেছেন। হটলাইন ও রেসপন্স টিম পর্যটকদের দ্রুত সেবা দিতে হটলাইন, কুইক রেসপন্স টিম এবং মোবাইল পেট্রোল ইউনিট চালু করেছেন। পর্যটক সেবা ও মানবিক কার্যক্রম এর আওতায়, হারিয়ে যাওয়া শিশু উদ্ধারে, তার নির্দেশে পরিচালিত অভিযানে,দুই শো বাহাত্তর জনের ও বেশি শিশুকে উদ্ধার করে, পরিবারের কাছে ফিরিয়ে দেওয়া হয়েছে । পর্যটকদের হয়রানি প্রতিরোধ, কিট কট ব্যবসায়ী বা পর্যটন সংশ্লিষ্টদের দ্বারা পর্যটক হয়রানি রোধে জিরো টলারেন্স, নীতি ঘোষণা এবং নিয়মিত মনিটরিং নিশ্চিত করেছেন ।
আশুলিয়ার পূর্ব বাড়ইপাড়ায় বাড়ির রাস্তার মাঝে দেয়াল নির্মাণের কারনে বিপাকে এলাকাবাসি।
ভালুকায় বিপ্লব ও সংহতি দিবসে ছাএদল নেতা ইন্জিনিয়ার রিয়াদ পাঠানের নেতৃত্বে র্যালি
আশুলিয়া জিরানী বাজার খাদে পড়ে গাড়ি দুর্ঘটনা
লালমনিরহাট জেলার কালীগঞ্জ উপজেলার বাসিন্দা আঃ মালেক গত ২১/০৮/২০২৫ইং
তারিখের ৩৫৪/২৫ নং পিটিশন দায়ের করেন । পিটিশনের ১৪৪/১৪৫ ধারামতে বিবাদী পক্ষকে নালিশী
জমিতে চাষাবাদের বাধাঁ দিয়ে যায় কালীগঞ্জ থানার এসআই মোঃ জিন্নাত আলী। নালীশি জমিতে
শাক-সবজি সহ ৪০/৫০ টি সুপারি গাছ ছিলো । এমতবস্থায় ইউনিয়ন ভূমি সহকারী কর্মকর্তা স্ব-রেজমিনে
তদন্তের আগেই বাদীপক্ষ (আঃ মালেক) গত ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখে রাতের আধারে সুপারিগাছ
অপসরন করে ফেলেন বলে অভিযোগ তুলেছেন বিবাদী নুর আলম, মেহেদী হাসান, নুর হাসান সহ এলাকাবাসী।
এলাকাবাসীর
পক্ষে গোলাম মোস্তফার সাথে কথা বললে তিনি জানান উক্ত নালিশী জমিতে ১৮ই সেপ্টেম্বর ২০২৫ইং তারিখ সন্ধা অবধি সুপারিগাছ
ছিলো কিন্তু হটাৎ ১৯ই সেপ্টেম্বর সকাল বেলায় সুপারিগাছ উধাও হয়েছে। বাদীপক্ষের অর্থাৎ
আঃ মালেকের বড় ভাই আঃ খালেক এলাকাবাসীর সাথে একাত্তত্বা প্রকাশ করে বলেন উক্ত নালিশি
জমিতে সুপারি গাছ ছিলো কিন্তু আজ তা উধাও হয়েছে।
নালিশী জমির
বর্গাচাষী চাঁন মিয়া জানান ১৪৪/১৪৫ জারীকৃত নালিশী জমির দুটি দাগের ১টিতে আমি লাউ চাষ
করেছি জমির চারদিকে সুপারিগাছ লাগিয়েছিলো নুর আলম । অপর দাগে নুর আলমের মারাশাক সহ সুপারিগাছ ছিলো। আমি গত ১৮ই সেপ্টেম্বর
২০২৫ইং তারিখে লাউ তুলতে এসেছিলাম জমিতে তখন অবধি সুপারিগাছগুলো ছিলো।
ক্ষতিগ্রস্থ
নুর আলম জানান, আমার ক্রয়কৃত সম্পত্তি যাহার দলিল নং ১২২০ তারিখ ২৪/০২/২০২১ইং মৌজার
নামঃ শাখাতী জেএল নং ০৩ বিআরএস খতিয়ান নং ১০৫৩
নামজারী খতিয়ান নং ৩১৮১ বিআরএস দাগ নং ৪১৮৬ জমি ৩১ শতকের মধ্যে ৭.২১ শতক, বিআরএস দাগ
নং ৪১৮৭ জমি ২৭ শতকের মধ্যে ৬.২৯ শতক যাহা আমার দখলে আছে। জমি ক্রয় করার পর আমি নিজ
দখলে নিয়ে চাষাবাদ করিতেছি। জমির ২টি দাগের একটি দাগ চাঁন মিয়ার নিকট বর্গা দিয়েছি
অপর দাগের আমি নিজেই চাষাবাদ করি। ২টি দাগের আইলে সুপারিগাছ লাগিয়ে ছিলাম যা একেকটা
৬ থেকে ৭ ফুট লম্বা হয়েছিলো।
অপর দিকে আমার
চাচা আঃ মালেক ১০৮২ তারিখ ২৬/০২/২০০৫ ইং দলিল মূলে যাহার মৌজার নামঃ শাখাতী জেএল নং ০৩ বিআরএস খতিয়ান নং ১০৫৩ বিআরএস দাগ নং ৪১৮৬
জমি ৩১ শতকের মধ্যে ১৪.৪৩ শতক, বিআরএস দাগ নং ৪১৮৭ জমি ২৭ শতকের মধ্যে ১২.৫৭ শতক। ২৫৫৭
তারিখ ৩০/৫/২০০৫ ইং তারিখের দলিল মুলে যাহার
মৌজার নামঃ শাখাতী জেএল নং ০৩ বিআরএস খতিয়ান
নং ১০৫৩ নামজারী খতিয়ান নং ৩১৮১ বিআরএস দাগ নং ৪১৮৬ জমি ৩১ শতকের মধ্যে ৭.২১ শতক, বিআরএস
দাগ নং ৪১৮৭ জমি ২৭ শতকের মধ্যে ৬.২৯। অর্থাৎ
৪১৮৬ দাগে ২দলিলে মোট জমি ২১.৬৪ শতক, অপর দাগ ৪১৮৭ দাগে ২দলিলে মোট জমি ১৮.৮৬ শতক।
কিন্তু আমার
উপর মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করে ৪১৮৬ দাগে ২৭ শতক, আর ৪১৮৭ দাগে ১৩.৫০ শতক দাবি করে আঃ মালেক গত
২১/০৮/২০২৫ ইং তারিখে পিটিশন নং ৩৫৪/২৫ মুলে ১৪৪/২৪৫ ধারার মামলা দাযের করেন।
আমার চাচা আঃ মালেক নিজেই মামলা করে আদালতের নিশেধাজ্ঞা ভঙ্গ করে রাতের আধারে সুপারিগাছ
উধাও করেছে।
আঃ মালেকের
সাথে অভিযোগের বিষয়ে জানার জন্য তার বাড়িতে যাই কিন্তু বাড়িতে পাওয়া না গেলে ফোনে যোগাযোগ
করার চেষ্টা করি। ফোনে আঃ মালেকের স্ত্রী জানান এসব বিষয়ে আমরা কিছু জানি না।
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বহুজাতিক শক্তি কর্পোরেশন শেভরন (Chevron)-এর একটি প্রতিনিধি
মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে বহুজাতিক শক্তি কর্পোরেশন শেভরন (Chevron)-এর একটি প্রতিনিধি দল সৌজন্য সাক্ষাৎ করেন।
বাংলাদেশ সচিবালয়, ঢাকা
দীর্ঘ ৭ বছর পর স্বামী শহীদ জিয়াউর রহমানের ক ব র জিয়ারতে বেগম খালেদা জিয়া
চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী-বায়েজীদ আংশিক আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী নাছির উদ্দীন মুনিরের এর সমর্থনে বিশ
চট্টগ্রাম-৫ হাটহাজারী-বায়েজীদ আংশিক আসনে রিকশা প্রতীকের প্রার্থী নাছির উদ্দীন মুনিরের এর সমর্থনে বিশাল জনসভা
কামারখন্দে নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের দায়ে জামায়েত নেতাকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা
.
#সিরাজগঞ্জ | #জামায়েত | #কামারখন্দ
গভীর রাতে বাঘাবাড়ী অয়েল ডিপোতে জ্বালানি মন্ত্রীর অভিযান
.
#baghabarioildepot | #fuelminister | #sirajganj
মাছ কেনাকে কেন্দ্র করে শিক্ষার্থী-ব্যবসায়ী
পাকিস্তানে দিলীপ কুমার-রাজ কাপুরের পৈতৃকভিটে হচ্ছে জাদুঘর
শ্যামনগরে বিশ্ব মানবপাচার প্রতিরোধ দিবস পালিত
রনজিৎ বর্মন শ্যামনগর(সাতক্ষীরা) প্রতিনিধি ঃ '' মানব পাচার একটি সংঘবদ্ধ অপরাধ,মানব পাচার রুখে দিন"এই প্রতিপাদ্যকে সামনে নিয়ে সাতক্ষীরার শ্যামনগর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে বুধবার(৩০ জুলাই) সকালে শ্যামনগর পাবলিক লাইব্রেরী মিলনায়তনে বিশ্ব মানব পাচার প্রতিরোধ দিবস উপলক্ষে র্যালী ও আলোচনাসভার আয়োজন করা হয়।
অভিবাসী কর্মী উন্নয়ন প্রোগ্রামের সহায়তায় র্যালীটি উপজেলার প্রধান প্রধান সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে শ্যামনগর পাবলিক লাইব্রেরী হল রুমে আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন কৈখালী ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুর রহিম।
উপজেলা সমাজসেবা অফিসের এফএসএস আরিফুজ্জামানের সভাপতিত্বে আলোচনাসভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা এস এম আহসান হাবিব, উপজেলা সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা মোঃ জনিরুল ইসলাম, সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসের এফ এ মুজিবর রহমান,ওকাপ শ্যামনগরে ফিল্ড অফিসার আল আমিন প্রমুখ।
আশুলিয়ায় মেঘনা লাইফ ইনসুরেন্সের জোন ইনচার্জের বিরুদ্ধে ৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ
নিজস্ব প্রতিনিধি।
আশুলিয়ায় মেঘনা লাইফ ইনসুরেন্সের জোন ইনচার্জ আশিকুর রহমান আশিকের বিরুদ্ধে প্রায় ৩ কোটি টাকা প্রতারণার অভিযোগ উঠেছে । মেঘনা লাইফ ইনসুরেন্সের আশুলিয়া পল্লী বিদুৎ শাখার সকল গ্রাহকদের সাথে প্রতারণা করে আশিকুর রহমান আশিক বর্তমানে লাপাত্তা রয়েছেন। আশিকুর রহমান আশিক দিনাজপুর জেলার আজির উদ্দিনের ছেলে। তার বর্তমান ঠিকানা আশুলিয়ার পলাশবাড়ি গ্রাম। তার ব্যক্তিগত একটি গাড়ি রয়েছে, যার নাম্বার ঢাকা মেট্রো গ ১৫-২১২১
তার বিরুদ্ধে মানববন্ধন করেছেন ভুক্তভোগী গ্রাহকরা।
মানববন্ধনে গ্রাহকরা বলেন, বেশ কয়েক বছর ধরে আশুলিয়ার পল্লী বিদুৎ এলাকায় স্থাপিত আশুলিয়া চক্ষু হাসাপাতালের ৪ তলায় মেঘনা লাইফ ইনসুরেন্সের শাখা অফিস খুলে আশিকুর রহমান আশিক ইনসুরেন্সের কার্যক্রম চালিয়ে আসছিলেন। তার অফিসে প্রায় ৩৫ জন স্টাফ কর্মরত ছিলেন। এসময় তিনি বিভিন্ন সময় নিজের ব্যবসার কথা বলে প্রতিটি স্টাফের কাছে থেকে চেক প্রদাণ করে লক্ষ লক্ষ টাকা হাতিয়ে নেয়। হিসেব করে দেখা যায় এভাবে তিনি প্রায় ৩ কোটি হাতিয়ে নিয়ে গত ৯ /১১/২৫ তারিখ থেকে নিখোঁজ রয়েছেন। এমনকি তার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করলে ফোন বন্ধ দেখায়।
ভুক্তভোগী রিপন বলেন, আমার কাছ থেকে বিভিন্ন সময়ে ব্যবসা বাড়ানোর কথা বলে জোন ইনচার্জ আশিকুর রহমান আশিক প্রায় ১১ লক্ষ টাকা নেয়। ভুক্তভোগী মিম আকতার বলেন, ব্যক্তিগত কাজের জন্য আমার কাছে থেকে তিনি কখনও ২০ হাজার কখনও ১০ করে এভাবে প্রায় ১ লক্ষ টাকা নেন। তাছাড়াও তিনি বিভিন্ন প্রলোভন দেখিয়ে অফিস স্থায়ী রাখার জন্য প্রতিটি গ্রাহকের কাছ থেকে অর্থ হাতিয়ে নেন। ভুক্তভোগী এজিএম আব্দুল কাদের বলেন, আমাদের সকল স্টাফদের কাছ থেকে ব্যক্তিগত ব্যবসার কথা বলে লভাংশের টাকা নিয়ে কি করেছেন না করেছেন তা আমরা জানিনা। ভুক্তভোগী মায়া বলেন, ২০২২ সাল থেকে ২৩ সাল পর্যন্ত আমি অফিস সহকারী হিসেবে এই অফিসে চাকরি করি। তারপর চাকরি ছেড়ে দিয়ে অন্য অফিসে চাকরি নিয়ে চলে যায়। তারপর কিছুদিন পরে আমাকে ডেকে ৫০ হাজার টাকা ধার নেন, এছাড়াও একবার ১০ হাজার টাকা নেন। ভুক্তভোগী আমির হোসেন বলেন, আমি এখানে ৬ বছর ধরে আশিক স্যারের সাথে কাজ করি। বিভিন্ন সময় স্যার আমাকে টার্গেট দিতেন এবং বলতেন এই টার্গেট পূরণ করতে পারলে খুব ভালো লাভ পাবেন। আমি স্যারের কথানুযায়ী টার্গেট পূরণে বিভিন্ন জন'কে ইনসুরেন্স করিয়ে মোটা অংকের টাকা এনে দিতাম। যে পরিমাণ টাকা এনে দিতাম টাকার সে পরিমাণ উল্লেখ করে প্রতিটি স্টাফ কে তিনি চেকের পাতা দিতেন এবং বলতেন আগামি ডিসেম্বরে আপনাদের সমস্ত টাকা ফেরত প্রদান করা হবে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীদের মধ্যে ১ জন আশুলিয়া থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন