अगला

পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভায় নজিরবিহীন ঘটনা: বিরোধী বিধায়ককে মারধর, টেনেহিঁচড়ে বহিষ্কার..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 ग्राहकों
3
में

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ বিধানসভা আবারও রাজনৈতিক সংঘাত ও উত্তেজনার কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে মঙ্গলবার বিধানসভার অধিবেশন চলাকালে বেলেঘাটার বিধায়ক কুনাল ঘোষকে মারধর করে, টেনেহিঁচড়ে জোরপূর্বক কক্ষ থেকে বের করে দেওয়ার মতো এক নজিরবিহীন ও বর্বরোচিত ঘটনা ঘটেছে এই ঘটনা রাজ্যটির গণতান্ত্রিক রীতিনীতির ওপর গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এবং ভারতের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলোতে আলোচনার ঝড় তুলেছে, যা বাংলাদেশের গণমাধ্যমেও বিশেষ গুরুত্ব পাচ্ছে প্রাপ্ত তথ্য ও ভিডিও ফুটেজ অনুযায়ী, মঙ্গলবার বিধানসভার ভেতরে তীব্র উত্তেজনার এক পর্যায়ে শাসকদলীয় সদস্যদের সঙ্গে বিরোধী বিধায়ক কুনাল ঘোষের বচসা শুরু হয় পরিস্থিতি দ্রুত সহিংস রূপ নেয় এবং কুনাল ঘোষকে শারীরিকভাবে হেনস্তা করা হয়, টেনেহিঁচড়ে কক্ষের বাইরে বের করে দেওয়া হয় এই ঘটনাকে অনেকেই 'পশ্চিমবঙ্গে জঙ্গলরাজ' প্রতিষ্ঠার ইঙ্গিত হিসেবে দেখছেন, যেখানে বিরোধী মতকে দমন করতে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানকে ব্যবহার করা হচ্ছে বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো তাৎক্ষণিকভাবে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়েছে তাদের অভিযোগ, ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টি (বিজেপি) উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে বিরোধীদের কণ্ঠরোধ করতে এবং গণতান্ত্রিক ভিন্নমত দমনের লক্ষ্যে এ ধরনের আগ্রাসী পদক্ষেপ নিচ্ছে, যা একটি সুস্থ গণতন্ত্রের জন্য অশনিসংকেত বিশ্লেষকরা বলছেন, পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক অঙ্গন বরাবরই উত্তপ্ত ও সংঘাতপূর্ণ তবে বিধানসভার মতো একটি পবিত্র ও সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধির ওপর এমন হামলা দেশের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ ও সংসদীয় রীতিনীতির গুরুতর লঙ্ঘন এই ঘটনা কেবল একটি স্থানীয় রাজনৈতিক সংঘাত নয়, বরং ভারতের যুক্তরাষ্ট্রীয় কাঠামোতে সংসদীয় গণতন্ত্রের ভবিষ্যৎ নিয়েও গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে এমন পরিস্থিতি রাজনৈতিক অসহিষ্ণুতাকে আরও বাড়িয়ে তুলবে এবং সুস্থ রাজনৈতিক বিতর্কের পথ রুদ্ধ করবে বলে মনে করা হচ্ছে, যা সামগ্রিকভাবে একটি গণতান্ত্রিক দেশের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক ইতিমধ্যে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের শীর্ষস্থানীয় নেতারা একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি জানিয়েছেন এবং দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির আহ্বান জানিয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনা আগামী দিনে পশ্চিমবঙ্গের রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে আরও অস্থিতিশীল করে তুলতে পারে গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোতে সহিংসতা ও অসহিষ্ণুতার বিস্তার রোধে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি বলে তারা মত প্রকাশ করেছেন, যাতে জনগণের নির্বাচিত প্রতিনিধিদের কণ্ঠরোধ করার এই সংস্কৃতি আরও ভয়াবহ রূপ নিতে না পারে [সৌজন্যে: @thebengalcartel (𝕏 (Twitter))]

और दिखाओ

 0 टिप्पणियाँ sort   इसके अनुसार क्रमबद्ध करें


अगला