ভারতে বিরোধী এমপিদের ওয়াংচুকের সাথে সাক্ষাতে বাধা: উচ্চ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষিত..
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Campus
- Investigative
- Other
ভারতে বিরোধী এমপিদের ওয়াংচুকের সাথে সাক্ষাতে বাধা: উচ্চ আদালতের নির্দেশ উপেক্ষিত..
ভারতে বিশিষ্ট পরিবেশকর্মী সোনম ওয়াংচুকের সাথে দেখা করতে গিয়ে ক্ষমতাসীন ভারতীয় জনতা পার্টির (বিজেপি) বাধার মুখে পড়েছেন বিরোধীদলীয় সংসদ সদস্যরা আম আদমি পার্টির (এএপি) নেতা সঞ্জয় সিং এই ঘটনাকে বিজেপির ‘স্বৈরাচারী’ আচরণ বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন এবং প্রশ্ন তুলেছেন, কেন উচ্চ আদালতের স্পষ্ট নির্দেশনার পরও তাদের সাক্ষাত করতে দেওয়া হয়নি লাদাখের পরিবেশ ও সংস্কৃতি রক্ষায় দীর্ঘ অনশনসহ বিভিন্ন আন্দোলন করে পরিচিতি পাওয়া এই শিক্ষাবিদ ও উদ্ভাবক সাম্প্রতিক সময়ে রাজ্য সরকারের কঠোর নজরে রয়েছেন সঞ্জয় সিংয়ের অভিযোগ অনুযায়ী, ভারতের হাইকোর্ট স্পষ্টভাবে জানিয়েছিল যে সোনম ওয়াংচুক কোনো পুলিশি হেফাজতে নেই আদালতের এমন স্পষ্ট নির্দেশের পরও সংসদ সদস্যদের ওয়াংচুকের সাথে সাক্ষাত করতে না দেওয়ায় সরকারের উদ্দেশ্য নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে সমাজবাদী পার্টি, এএপি, তৃণমূল কংগ্রেস (টিএমসি), সিপিএম, শিবসেনা (উদ্ধব বালাসাহেব ঠাকরে), ডিএমকে, আরজেডি, বিজু জনতা দল (বিজেডি), এএসপি, সিপিআই এবং ন্যাশনাল কনফারেন্স (এনসি) সহ একাধিক বিরোধী দলের সংসদ সদস্যরা সোনম ওয়াংচুকের সাথে দেখা করার জন্য সম্মিলিতভাবে আবেদন করেছিলেন কিন্তু তাদের এই গণতান্ত্রিক অধিকার খর্ব করা হয়েছে, যা গণতন্ত্রের প্রতি বিজেপির চরম অবজ্ঞা প্রমাণ করে বলে বিরোধীরা দাবি করছেন এই ঘটনা ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন করে উত্তাপ ছড়িয়েছে বিরোধী দলগুলো মনে করছে, এটি ভিন্নমত দমনের একটি বড় উদাহরণ এবং ক্ষমতাসীন দলের বাড়াবাড়ি একটি অবাধ ও গণতান্ত্রিক পরিবেশে যেখানে সংসদ সদস্যদের তাদের নির্বাচনী এলাকার জনগণের প্রতিনিধিত্ব করার বা সমাজের গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের সাথে মতবিনিময়ের অধিকার রয়েছে, সেখানে এমন বাধা প্রদানকে মৌলিক অধিকারের লঙ্ঘন হিসেবে দেখা হচ্ছে এই ঘটনা বিরোধী জোটকে আরও ঐক্যবদ্ধ হতে উৎসাহিত করবে এবং এটিকে সরকারের বিরুদ্ধে অন্যতম প্রধান হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করা হতে পারে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন উচ্চ আদালতের নির্দেশকেও উপেক্ষা করা হয়েছে বলে অভিযোগ ওঠায় বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাবোধ নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে, যা একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক পুরো বিষয়টি ভারতের গণতন্ত্রের জন্য একটি অস্বস্তিকর পরিস্থিতি তৈরি করেছে এবং এর রাজনৈতিক রেশ দীর্ঘায়িত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এই ধরনের ঘটনা নাগরিকদের মধ্যে সরকারের উপর আস্থাহীনতা তৈরি করতে পারে এবং ভবিষ্যতে রাজনৈতিক বিভেদ আরও বাড়াতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @sanjayazadsln (𝕏 (Twitter))]