মাহমুদুল হাসান
|Subscribers
Breaking news
রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) এক শিক্ষার্থীকে মারধরের প্রতিবাদে শিক্ষার্থীরা ৪ দফা দাবিতে রেল অবরোধ করেছে। এর ফলে রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে।
বিবরণী: বাংলাদেশের জাতীয় গণমাধ্যম হিসেবে আমরা সর্বদা জনগণের কাছে সত্য ও তথ্য তুলে ধরতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ সম্প্রতি ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার ১১৭ নং সোনাউটা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক অনুসন্ধানে পাওয়া গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য সেখানে সযত্নে সংরক্ষিত অবস্থায় পাওয়া গেছে একটি ফ্যাসিষ্ট সরকারের ব্যানার এই ঘটনা দেশের গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোড়ন সৃষ্টি করেছে এবং শিক্ষাঙ্গনে এমন ঐতিহাসিক বিকৃতির উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে অনুসন্ধান সূত্রে জানা গেছে, বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা এই ব্যানারটি দীর্ঘদিন ধরে দেখে আসছে তবে এর উৎপত্তি এবং কেন এটি বিদ্যালয়ে সংরক্ষিত রয়েছে, সে সম্পর্কে স্পষ্ট কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি স্থানীয় প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলেও, এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়নি এই পরিস্থিতিতে, জাতীয় গণমাধ্যম হিসেবে আমরা ঘটনার গভীরে গিয়ে এর পেছনের কারণ উদ্ঘাটনের চেষ্টা করছি এই ধরনের ঐতিহাসিক বিকৃতি শুধুমাত্র একটি বিদ্যালয়ের বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এর গভীরতর তাৎপর্য রয়েছে একটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফ্যাসিবাদী শাসনের প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হওয়া ব্যানার সংরক্ষিত থাকার বিষয়টি শিক্ষাব্যবস্থার ভাবমূর্তি এবং জাতীয় চেতনার ওপর প্রশ্ন তোলে এটি আমাদের ইতিহাস বিকৃতির এক বেদনাদায়ক চিত্র তুলে ধরে, যা ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক আমরা এই ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ তদন্ত এবং এর সঙ্গে জড়িতদের জবাবদিহিতার আওতায় আনার দাবি জানাই এই ঘটনার প্রভাব সুদূরপ্রসারী হতে পারে এটি কেবল স্থানীয় পর্যায়ে নয়, জাতীয় পর্যায়েও শিক্ষাঙ্গনে ইতিহাস বিকৃতি রোধ এবং সঠিক ইতিহাস চর্চা নিশ্চিত করার জন্য নতুন করে আলোচনার সূত্রপাত ঘটাবে আমরা আশা করি, সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করবে এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে কার্যকর পদক্ষেপ নেবে আমাদের এই অনুসন্ধান অব্যাহত থাকবে এবং আমরা পরবর্তী তথ্যের জন্য আপনাদের সঙ্গে যুক্ত থাকব [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]
কিশোরগঞ্জের ভৈরবে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘটিত এক রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে একজন নিহত হয়েছেন গতকাল মঙ্গলবার গভীর রাতে উপজেলার শম্ভুপুর এলাকায় এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে নিহত ব্যক্তির পরিচয় প্রাথমিকভাবে মো. সজীব মিয়া (৩০) হিসেবে জানা গেছে এ ঘটনায় এলাকায় চরম উত্তেজনা বিরাজ করছে এবং পরিস্থিতি থমথমে পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনলেও স্থানীয়দের মধ্যে এখনো আতঙ্ক কাটেনি স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ভৈরব উপজেলার এই এলাকায় বেশ কিছুদিন ধরে দুটি প্রভাবশালী গোষ্ঠীর মধ্যে আধিপত্য বিস্তার ও স্থানীয় প্রভাব বলয় ধরে রাখা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল এই বিরোধের জের ধরেই গতকাল সন্ধ্যায় দুপক্ষের সমর্থকরা প্রথমে বাগ্বিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে একপর্যায়ে তা তীব্র সংঘর্ষে রূপ নেয় দেশীয় অস্ত্রশস্ত্র, যেমন – লাঠিসোঁটা, রামদা, হাসুয়া ও ইটের আঘাতে রণক্ষেত্রে পরিণত হয় পুরো এলাকা সংঘর্ষ চলাকালে মো. সজীব মিয়া গুরুতর আহত হন তাকে তাৎক্ষণিকভাবে উদ্ধার করে ভৈরব উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন সংঘর্ষে উভয় পক্ষের আরও বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলেও জানা গেছে, যাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক আহতদের বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে ঘটনার খবর পেয়ে ভৈরব থানা পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এলাকায় যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে ভৈরব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. মাকসুদুর রহমান জানান, নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কিশোরগঞ্জ সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে এই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে গ্রেপ্তারের অভিযান চলছে এবং মামলার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে তিনি আরও জানান, এলাকার পরিস্থিতি বর্তমানে শান্ত থাকলেও উত্তেজনা বিরাজ করছে সাধারণ মানুষ এই ধরনের সহিংসতায় আতঙ্কিত এবং যেকোনো সময় আবারও সংঘাতের আশঙ্কায় ভুগছেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরাও দ্রুত এই সমস্যার স্থায়ী সমাধান চেয়েছেন ভৈরবের মতো দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সংঘটিত হত্যাকাণ্ড ও সংঘর্ষের ঘটনা নতুন নয় স্থানীয় পর্যায়ে ক্ষমতা দখল, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ বা এমনকি তুচ্ছ বিষয় নিয়ে শুরু হওয়া বিরোধও অনেক সময় বড় ধরনের সহিংসতায় রূপ নেয় সমাজের গভীরে প্রোথিত এই প্রবণতা বহু মূল্যবান প্রাণের অকাল মৃত্যু ঘটাচ্ছে এবং আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে প্রশাসনের পক্ষ থেকে কঠোর পদক্ষেপ এবং স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের সমন্বিত উদ্যোগ ছাড়া এই ধরনের সংঘাত থেকে মুক্তি কঠিন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা নিহত সজীব মিয়ার পরিবারে এখন শোকের মাতম চলছে, যা এ ধরনের প্রতিটি ঘটনার অনিবার্য পরিণতি [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]