গালির ভাষা অশালীন, সংস্কৃতি ঠিক নয়: প্রীতম কুমার বৌদ্ধ

Up next

গালির ভাষা অশালীন, সংস্কৃতি ঠিক নয়: প্রীতম কুমার বৌদ্ধ

0 Views· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Subscribers
3
In

বিবরণী: দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিসরে ক্রমশ বেড়ে চলা অশালীন ভাষা ও শিষ্টাচার বহির্ভূত মন্তব্যের সংস্কৃতি নিয়ে এবার কঠোর বার্তা দিয়েছেন বিশিষ্ট চিন্তাবিদ ও বৌদ্ধ ধর্মগুরু প্রীতম কুমার বৌদ্ধ সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ও বিভিন্ন গণমাধ্যমে তার একটি বক্তব্য ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে তিনি সরাসরি আক্রমণাত্মক ভাষা ব্যবহারকারীদের শিষ্টাচার ও সংস্কৃতি নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন প্রীতম কুমার বৌদ্ধ তার বক্তব্যে পরিষ্কারভাবে বলেছেন, "গালির ভাষা কখনওই মানানসই নয়, এটি আপনার সংস্কৃতির পরিচয় দেয় না" তার এই মন্তব্য এমন এক সময়ে এসেছে যখন দেশের অনলাইন ও অফলাইন উভয় ক্ষেত্রেই পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সহনশীলতার অভাব প্রকট হয়ে উঠেছে, যা সুস্থ সামাজিক পরিবেশের জন্য অশনিসংকেত হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে প্রীতম কুমার বৌদ্ধের মতে, গালাগালি বা অশালীন ভাষা ব্যবহার কেবল ব্যক্তিবিশেষের রুচিহীনতারই পরিচায়ক নয়, বরং এটি একটি সমাজের সার্বিক নৈতিক অবক্ষয়ের লক্ষণ তিনি তার বক্তব্যে উল্লেখ করেন, সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে গঠনমূলক সমালোচনা অপরিহার্য হলেও, ব্যক্তিগত আক্রমণ বা কুৎসিত ভাষা প্রয়োগ কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় তার প্রশ্ন, যে ব্যক্তি অন্যের প্রতি এমন নিম্নমানের ভাষা ব্যবহার করে, তার পারিবারিক ও সামাজিক শিক্ষা এবং মূল্যবোধ কতটা সুদৃঢ়? প্রীতম কুমার বৌদ্ধের বিশ্লেষণ অনুযায়ী, এই ধরনের ভাষা ব্যবহার সমাজে বিভাজন তৈরি করে, সংঘাতকে উস্কে দেয় এবং ফলস্বরূপ সুস্থ বিতর্কের পথ রুদ্ধ করে দেয় বিশেষ করে তরুণ প্রজন্ম এই সংস্কৃতির শিকার হয়ে ক্রমশ অসহনশীল হয়ে উঠছে, যা ভবিষ্যতের জন্য অত্যন্ত উদ্বেগজনক তিনি জোর দিয়ে বলেন, মৌখিক অশালীনতা সামাজিক পরিবেশকে বিষিয়ে তোলে এবং মানবিক সম্পর্কগুলোকেও ক্ষতিগ্রস্ত করে প্রীতম কুমার বৌদ্ধের এই কড়া বার্তা সমাজের সর্বস্তরের মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে তার মন্তব্য জাতীয় গণমাধ্যম ও সুশীল সমাজে নতুন করে বিতর্ক এবং আলোচনার খোরাক যুগিয়েছে অনেক বিশেষজ্ঞ মনে করছেন, তার এই বক্তব্য এমন একটি সময়ে এসেছে যখন দেশের রাজনৈতিক অঙ্গন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের দৈনন্দিন আলাপচারিতাতেও অশালীন ভাষার ব্যবহার আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে এটি একদিকে যেমন মানুষের মধ্যে মানসিক চাপ বাড়াচ্ছে, তেমনি অন্যদিকে সমাজে বিভাজন ও অস্থিরতা তৈরি করছে প্রীতম কুমার বৌদ্ধের বার্তাটি একদিকে যেমন নিন্দার প্রকাশ, তেমনি এটি সবার জন্য একটি আত্মপর্যালোচনার সুযোগ তৈরি করেছে—কীভাবে আমরা পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ ও সভ্যতার ধারা ফিরিয়ে আনতে পারি এর মধ্য দিয়ে একটি সুস্থ, সহনশীল এবং মানবিক সমাজ গড়ার প্রতিশ্রুতির কথাই যেন তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, যেখানে ভাষা হবে সংযত এবং আলোচনা হবে গঠনমূলক [সৌজন্যে: @pritamkrbauddh (𝕏 (Twitter))]

Show more

 0 Comments sort   Sort By


Up next