দলীয় কোন্দল আর হিংস্র রাজনীতির বলি আর কত সাধারণ কর্মী হবে?
দলীয় কোন্দল আর হিংস্র রাজনীতির বলি আর কত সাধারণ কর্মী হবে?
দলীয় কোন্দল আর হিংস্র রাজনীতির বলি আর কত সাধারণ কর্মী হবে?
গফরগাঁওয়ের পাগলা থানার নিগুয়ারী ইউনিয়নের কোরচাই গ্রামের এক নিবেদিতপ্রাণ রাজনৈতিক কর্মী শারফুল সরকার। (পিতা: খোরশেদ আলম)। যিনি তৃণমূল থেকে সেচ্ছাসেবক দলের একজন সক্রিয় কর্মী হিসেবে দলের জন্য কাজ করে গেছেন, আসন্ন নিগুয়ারী ইউনিয়ন সেচ্ছাসেবক দলের সদস্য সচিব পদপ্রার্থী হিসেবেও তিনি ছিলেন অন্যতম মুখ।
কিন্তু অত্যন্ত দুঃখজনক ও নির্মম সত্য হলো, দলের জন্য এত ত্যাগ স্বীকার করার পরও আজ তাকে নিজস্ব দলেরই অন্য একটি গ্রুপের নোংরা রাজনৈতিক গ্রুপিং ও হিংস্রতার শিকার হতে হয়েছে। একই দলের একদল কর্মীর নির্মম হামলায় আজ শারফুল সরকারের দুটি পা-ই ভেঙে দেওয়া হয়েছে!
নিষ্ঠুরতা এখানেই শেষ হয়নি। তার উপার্জনের একমাত্র মাধ্যম, তার ব্যবসা প্রতিষ্ঠানটি ভাঙচুর করে মাটির সাথে মিশিয়ে দেওয়া হয়েছে। আজ তাকে শারীরিকভাবে পঙ্গু করার পাশাপাশি অর্থনৈতিকভাবেও সম্পূর্ণ নিঃস্ব করে দেওয়া হয়েছে।
যাদের সাথে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে রাজনীতি করার কথা, যাদেরকে ভাই মনে করার কথা—আজ তাদেরই কুৎসিত গ্রুপিংয়ের কারণে একটা পরিবার ধ্বংসের মুখে। এই কি তবে ত্যাগের রাজনীতি? এই কি তবে তৃণমূলের কর্মীদের প্রাপ্য?
নিজ দলের ভাইদের হাতেই যখন সহযোদ্ধা এভাবে পঙ্গু আর নিঃস্ব হয়, তখন সাধারণ মানুষের নিরাপত্তার কথা বলাটাই এক ধরণের প্রহসন।
আমরা এই বর্বরোচিত, কাপুরুষোচিত হামলার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। যারা এই নগ্ন হামলার সাথে জড়িত, দলমত নির্বিশেষে তাদের অনতিবিলম্বে চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা হোক। শারফুল সরকারের ওপর হওয়া এই অন্যায়ের বিচার চাই!
#বিচার_চাই #রাজনৈতিক_সহিংসতা_বন্ধ_হোক #গফরগাঁও #নিগুয়ারী_ইউনিয়ন
