ভিডিও আপলোড করুন পয়েন্ট জিতুন!
কুখ্যাত ভূমি দস্যু অরুন তার খুটির জোর কোথায় ? সাংবাদিককে ঝুলিয়ে পেটানোর হুমকি ঘুরছেন বুক ফুলিয়ে
কুখ্যাত ভূমি দস্যু অরুন তার খুটির জোর কোথায় ? সাংবাদিককে ঝুলিয়ে পেটানোর হুমকি
রিপোর্টঃ - বিভাগীয় প্রধান চট্টগ্রাম, আই নিউজ বিডি
কুখ্যাত ভূমি দস্যু ও ভয়ংকর এক মূর্তিময় আতংকের নাম অরুন। বাড়ি কুমিল্লার হোমনা উপজেলার মিঠাইভাঙ্গা গ্রামে। পরিচয় ওয়ার্ড বিএনপির নেতা। রাজনৈতিক ছত্রছায়ার আড়ালে রয়েছে তার নিজস্ব দস্যু বাহিনী। এবং পিছনে রয়েছে বিএনপির বড় একটি গ্রুপের হাত। ৫ই আগস্টের পর ওই গ্রুপের ছায়া তলে অরুন আক্রমণাত্মক রূপে নিজের আত্মপ্রকাশ করেন।
বিগত আওয়ামী লীগের সময়ে বিচার শালিসসহ অপরাধ মূলক সকল কর্মকান্ড থেকে অনেকটা বিরত থাকলেও। আওয়ামী ফ্যাসিবাদ সরকার বিদায় নেওয়ার কিছুদিনের মধ্যেই পুরোনো কায়দায় আবারও মাথাচারা দিয়ে ওঠেন অরুন। তার সন্ত্রাসী কার্যক্রম চালাতে আশ্রয় নিয়েছেন বিএনপির একটি শক্তিশালী গ্রুপের ছত্রছায়ায়।
দীর্ঘ অনুসন্ধানে জানাগেছে, উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের মিঠাইভাঙ্গা গ্রামে অরুন সরকারের বাড়ি। তিনি ওই ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ড বিএনপির সিনিয়র সহ সভাপতি। সেই সুবাধে এলাকায় রয়েছে তার বিশাল আধিপত্য। শুধু তাই নয় নিজের এলাকার বাহিরেও ক্ষমতার প্রভাব খাটায় সে। পাশের ইউনিয়ন গুলোতেও রয়েছে তার বিস্তার। বিচার শালিস থেকে জায়গা - জমি দখলসহ এমন কোনো অপরাধ মূলক কর্মকান্ড নেই যা তার হাতের ইশারা ছাড়া কিংবা না জানিয়ে সংঘঠিত হওয়ার সাহস রাখে কেউ। অরুন এতোটাই প্রভাবশালী এবং হিংস্র যে তার ভয়ে অতিষ্ঠ দুই ইউনিয়ন বাসী। তার এই সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালাতে পার্শ্ববর্তী চান্দেরচর ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুর ওয়াই ব্রীজের নিচে লাকড়ির দোকানের পাশে অফিস ভাড়া নেয় অরুন। এখান থেকেই তার সকল অপরাধ সাম্রাজ্য পরিচালিত হয়। এ যেন সাধারণ মানুষের মূর্তিময় ভয়ংকর এক আতঙ্ক। কিন্তু তার খুঁটির জোর কোথায়? এমনটাই প্রশ্ন সুশিল সমাজ ও সচেতন মহলের। অরুন নিজেই তার পরিচয় বলে বেড়ান সারাক্ষণ। সম্প্রতি প্রবাসীর বাড়িতে চাঁদাবাজি নিয়ে হোমনা টিভিতে একটি প্রতিবেদন প্রচারিত হলে। ওই সাংবাদিকের পিঠের চামড়া তুলে উল্টো ঝুলিয়ে রাখার হুমকি প্রদান করনে অরুন। "হুমকিতে নিজের পরিচয় বলেন, আমি ১৭ মামলার আসামী। হত্যা মামলা দিয়েও কিছুই করতে পারে নি। তোর মত সাংবাদিককে মেরে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখলে কিছুই হবে না আমার। কথা গুলো অত্যন্ত বীরদর্পেই বলেন অরুন সরকার। এ বিষয়ে থানায় একটি সাধারণ ডায়েরিও করা হয়েছে। এখন প্রশ্ন হলো একজন মিডিয়া (সংবাদকর্মী)কেই যদি এভাবে মেরে উল্টো করে ঝুলিয়ে রাখার হুমকি দেয়া হয়। তা হলে সাধারণ মানুষ মুখ খোলার সাহস পাবে কি করে! তাদের কথা কে শুনবে? কে লিখবে অসহায় নির্যাতিত মানুষের পক্ষে। তাদের বিচার বা কান্না শুনবার বুঝি কেউ আর থাকলো না। একাধিক অভিযোগ থাকার পরও রহস্যজনক কারনে তার বিরুদ্ধে কোনো প্রকার ব্যবস্থা নিচ্ছে না প্রশাসন।