দেশে সারের কোন সংকট নেই - ত্রাণমন্ত্রী
দেশে সারের কোন সংকট নেই - ত্রাণমন্ত্রী
‘গত বছরের চেয়ে এবার সারের বরাদ্দ অনেক বেশি দেওয়া হয়েছে। দেশে সারের কোনো সংকট নেই। আমরা ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি এবং খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও আরও বাড়ানো হবে।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) লালমনিরহাট জেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রানমন্ত্রী আরও বলেন, সার নিয়ে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। সার কালোবাজারি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্ঠা, সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ অনিয়ম বা সার মজুদ করার চেষ্টা করলে ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।‘গত বছরের চেয়ে এবার সারের বরাদ্দ অনেক বেশি দেওয়া হয়েছে। দেশে সারের কোনো সংকট নেই। আমরা ডিলারের সংখ্যা বাড়ানোর চেষ্টা করছি এবং খুচরা বিক্রেতার সংখ্যাও আরও বাড়ানো হবে।’
বুধবার (২৬ আগস্ট) লালমনিরহাট জেলা বিএনপির কার্যালয়ে স্বেচ্ছাসেবক দল আয়োজিত এক অনুষ্ঠান শেষে স্থানীয় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
ত্রানমন্ত্রী আরও বলেন, সার নিয়ে আমরা ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি গ্রহণ করেছি। সার কালোবাজারি ও কৃত্রিম সংকট তৈরির চেষ্ঠা, সরকারের পক্ষ থেকে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কেউ অনিয়ম বা সার মজুদ করার চেষ্টা করলে ছাড় পাওয়ার কোনো সুযোগ নেই।
তবে স্থানীয় খুচরা বাজারে সার বেশী দামে বিক্রি হচ্ছে বলে কৃষকের অভিযোগ করেন। তারা জানান, ইউরিয়া ২০০ টাকা ধারা (৫কেজি) ডিএপি ১৫০ টাকা ধারা হিসেবে ক্রয় করছেন। এছাড়া খুচরা সার বিক্রেতারা জানান, তারা সার বেশী দামে কিনেছেন ১৩৫০ টাকার ইউরিয়া ১৯০০ থেকে ২০০০ হাজার এবং ১০৫০টাকার ডিএপি ১৪৫০ থেকে ১৫০০ টাকায়। ডিলার সার সংকটের কথা বলে বেশী দামে তাদের কাছ বিক্রি করছেন বলে তারা অভিযোগ জানান।
