সোনাম ওয়াংচুককে হাসপাতাল ত্যাগে বাধা: দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা..

Следующий

সোনাম ওয়াংচুককে হাসপাতাল ত্যাগে বাধা: দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশ উপেক্ষা..

0 Views· 25/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Подписчики
3
В

বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির সাফদারজং হাসপাতালে এক নাটকীয় পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে গত ২১শে জুলাই বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব সোনাম ওয়াংচুককে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ ও পুলিশ মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরিত হওয়ার পথে বাধা দিয়েছে সোনাম ওয়াংচুক সেদিন সাফদারজং হাসপাতাল ছেড়ে গুরগাঁওয়ের মেদান্তা হাসপাতালে যেতে চাইছিলেন কিন্তু বিস্ময়করভাবে, দিল্লি হাইকোর্ট সোনাম ওয়াংচুককে মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দিলেও, হাসপাতাল প্রশাসন ও পুলিশ তাকে জোরপূর্বক আটকে রাখার চেষ্টা করে এই ঘটনা ভারতের বিচার ব্যবস্থার প্রতি সরকারি কর্তৃপক্ষের অবজ্ঞার এক গুরুতর দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা ভিডিও ফুটেজে দেখা যায়, সোনাম ওয়াংচুক হাসপাতাল প্রাঙ্গণ ত্যাগ করতে গেলে পুলিশ ও হাসপাতালের কর্মীরা তাকে ঘিরে ধরে এবং গন্তব্যে যেতে বাধা দেয় অথচ এর আগেই দিল্লি হাইকোর্ট সোনাম ওয়াংচুকের পছন্দ অনুযায়ী গুরগাঁওয়ের মেদান্তা হাসপাতালে স্থানান্তরের অনুমতি দিয়েছিল আদালতের এমন সুনির্দিষ্ট ও স্পষ্ট নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও কেন একজন রোগীকে তার চিকিৎসা গ্রহণ এবং হাসপাতাল পরিবর্তনের স্বাধীনতায় বাধা দেওয়া হলো, তা নিয়ে জনমনে তীব্র প্রশ্ন উঠেছে কর্তৃপক্ষের এমন পদক্ষেপ কেবল একজন নাগরিকের অধিকার লঙ্ঘনের মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকছে না, বরং দেশের সর্বোচ্চ আদালতের আদেশের প্রতি অবজ্ঞা প্রকাশ করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ আদালতের আদেশ অমান্য করা কেবল আইনি জটিলতাই তৈরি করে না, বরং এটি নাগরিকের মৌলিক অধিকার এবং বিচার ব্যবস্থার প্রতি শ্রদ্ধাবোধেরও পরিপন্থী এমন ঘটনা রাষ্ট্রের আইনের শাসনের প্রতি জনসাধারণের আস্থাকে মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ করতে পারে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এবং পুলিশের এমন পদক্ষেপের পেছনের প্রকৃত কারণ এখনো স্পষ্ট নয় তবে প্রশ্ন উঠেছে, কোন যুক্তি বা কোন কর্তৃত্বের বলে দিল্লি হাইকোর্টের নির্দেশকে প্রকাশ্যে উপেক্ষা করা হলো ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, এই ঘটনা নিয়ে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি হয়েছে এবং সোনাম ওয়াংচুকের পক্ষ থেকে বিষয়টি নিয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে, যা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জন্য আদালত অবমাননার কারণ হতে পারে [সৌজন্যে: @the_hindu (𝕏 (Twitter))]

Показать больше

 0 Комментарии sort   Сортировать по


Следующий