শিক্ষাব্যবস্থা বাঁচাতে উত্তাল কলকাতা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি..
শিক্ষাব্যবস্থা বাঁচাতে উত্তাল কলকাতা: কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি..
বিবরণী: ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ এবং কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের দাবিতে আজ উত্তাল হয়ে ওঠে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতা হাজার হাজার শিক্ষার্থী, শিক্ষক, অভিভাবক ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এক বিশাল গণমিছিল ও সমাবেশে অংশ নেন তাদের হাতে ছিল শিক্ষাব্যবস্থার সুরক্ষা ও স্বচ্ছতা দাবি করে লেখা বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড বিক্ষোভকারীরা স্লোগানে স্লোগানে কলকাতার রাজপথ মুখরিত করে তোলেন, যা দেশের শিক্ষাঙ্গনে বিরাজমান অস্থিরতা ও আস্থার সংকটের এক সুস্পষ্ট প্রতিচ্ছবি এই আন্দোলন কেবল একজন মন্ত্রীর অপসারণের দাবি নয়, বরং ভারতের শিক্ষা কাঠামোর মৌলিক সংস্কারের এক জোরালো আহ্বান বিক্ষোভকারীরা অভিযোগ করেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ভুল নীতি ও অব্যবস্থাপনার কারণে ভারতের ঐতিহ্যবাহী শিক্ষা ব্যবস্থা ধ্বংসের মুখে বিশেষত, সম্প্রতি বিভিন্ন জাতীয় স্তরের প্রবেশিকা পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস, ফলাফলে অসঙ্গতি এবং নিয়োগ দুর্নীতির মতো গুরুতর ঘটনা শিক্ষাব্যবস্থার ওপর সাধারণ মানুষের আস্থা কেড়ে নিয়েছে তাদের দাবি, কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান এসব অনিয়ম রোধে সম্পূর্ণ ব্যর্থ হয়েছেন এবং তার অবিলম্বে পদত্যাগ করা উচিত বক্তারা বলেন, দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে হলে শিক্ষাক্ষেত্রে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করা অপরিহার্য এই গণআন্দোলন শিক্ষার বাণিজ্যিকীকরণ বন্ধ করা এবং শিক্ষা সবার জন্য সহজলভ্য করার ওপরও জোর দেয়, যা বহু বছর ধরে ভারতের শিক্ষাঙ্গনের অন্যতম প্রধান আলোচ্য বিষয় কলকাতার এই বিশাল সমাবেশ ভারতের অভ্যন্তরীণ রাজনৈতিক অঙ্গনে ব্যাপক প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে বিরোধী দলগুলো এই আন্দোলনকে সরকারের বিরুদ্ধে তাদের সমালোচনার একটি নতুন অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করতে পারে, যা আসন্ন নির্বাচনেও প্রভাব ফেলতে পারে শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগের দাবি কেন্দ্রীয় সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি করবে এবং শিক্ষা নীতিতে সম্ভাব্য পরিবর্তনের সম্ভাবনা তৈরি করবে শিক্ষাবিদরা মনে করছেন, এই বিক্ষোভ শুধুমাত্র পশ্চিমবঙ্গেই সীমাবদ্ধ থাকবে না, বরং তা সারা ভারতে ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং অন্যান্য রাজ্যেও অনুরূপ আন্দোলনের জন্ম দিতে পারে এটি ভারতের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষের অংশগ্রহণের একটি গুরুত্বপূর্ণ দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছে, যেখানে নাগরিকরা তাদের মৌলিক অধিকার এবং দেশের ভবিষ্যতের জন্য সোচ্চার হয়েছেন [সৌজন্যে: @kanjilalsupti10 (𝕏 (Twitter))]