দিল্লিতে ছাত্র নির্যাতন: হিমাচল প্রদেশ উত্তাল, পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী..
দিল্লিতে ছাত্র নির্যাতন: হিমাচল প্রদেশ উত্তাল, পথে নামলেন মুখ্যমন্ত্রী..
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর নৃশংস লাঠিচার্জের ঘটনায় গোটা দেশজুড়ে তীব্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে এই বর্বর পুলিশি হামলার প্রতিবাদে উত্তাল হয়ে উঠেছে হিমাচল প্রদেশ, যেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুকখু নিজেই কংগ্রেস কর্মীদের সঙ্গে নিয়ে এক বিশাল মোমবাতি মিছিল ও প্রতিবাদ পদযাত্রার নেতৃত্ব দিয়েছেন গত বুধবার দিল্লিতে একটি শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশ যেভাবে বলপ্রয়োগ করেছে, তা ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর এক চরম আঘাত হিসেবে দেখছেন বহু রাজনৈতিক নেতা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা এই ঘটনা শুধু শিক্ষার্থীদের মধ্যে নয়, বরং সারা দেশের সাধারণ মানুষের মধ্যেও গভীর উদ্বেগ ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে দিল্লির রাজপথে শিক্ষার্থীদের ওপর আকস্মিক ও নির্মম লাঠিপেটার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রী সুখবিন্দর সিং সুকখু ক্ষোভে ফেটে পড়েন তাৎক্ষণিকভাবে তিনি এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানান এবং এর প্রতিবাদে মোমবাতি মিছিলের ঘোষণা দেন তাঁর নেতৃত্বে শত শত কংগ্রেস কর্মী, ছাত্র সংগঠন ও সাধারণ নাগরিক হাতে মোমবাতি নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে সিমলার প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন মুখ্যমন্ত্রী সুকখু তাঁর বক্তব্যে এই হামলাকে গণতন্ত্রের জন্য 'লজ্জাজনক' আখ্যা দেন এবং বলেন, শিক্ষার্থীদের ন্যায়সঙ্গত দাবি উপেক্ষা করে এভাবে দমন-পীড়ন চালানো কোনো সভ্য সরকারের কাজ হতে পারে না তিনি আরও বলেন, সরকার অগণতান্ত্রিক আচরণের মাধ্যমে ছাত্রদের কণ্ঠস্বর স্তব্ধ করতে চাইছে, যা কোনোভাবেই বরদাস্ত করা হবে না কংগ্রেসের পক্ষ থেকে এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দোষী পুলিশ সদস্যদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানানো হয়েছে দিল্লিতে শিক্ষার্থীদের ওপর চালানো এই বর্বরোচিত হামলা কেবল একটি স্থানীয় ঘটনা নয়, বরং এটি ভারতের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক কাঠামো এবং নাগরিক অধিকারের ওপর একটি গুরুতর প্রশ্ন তৈরি করেছে বিশেষ করে তরুণ সমাজের ওপর এমন বলপ্রয়োগ দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে গভীর হতাশা ও আস্থার সংকট তৈরি করতে পারে হিমাচল প্রদেশের মুখ্যমন্ত্রীর এই প্রতিবাদী অবস্থান শুধু শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়ানো নয়, বরং এটি দেশের সংবিধান প্রদত্ত মৌলিক অধিকার রক্ষায় রাজনৈতিক নেতৃত্বকে আরও সোচ্চার হওয়ার বার্তা দেয় বিভিন্ন শিক্ষাবিদ ও মানবাধিকার কর্মী এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ভবিষ্যতে শিক্ষার্থীদের প্রতি আরও সংবেদনশীল আচরণ করার আহ্বান জানিয়েছেন এই ধরনের ঘটনা পুনরাবৃত্তি রোধে সরকারের পক্ষ থেকে দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপের দাবি উঠেছে, যাতে ভবিষ্যতে কোনো শিক্ষার্থীকে তাদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগ করতে গিয়ে এমন নির্মমতার শিকার হতে না হয় [সৌজন্যে: @lutyensmediain (𝕏 (Twitter))]