মিজোরামে 'আরশোলার প্রত্যাবর্তন' স্লোগানে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ..
মিজোরামে 'আরশোলার প্রত্যাবর্তন' স্লোগানে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে তীব্র বিক্ষোভ..
মিজোরামের রাজপথ আজ এক নজিরবিহীন প্রতিবাদের সাক্ষী হলো কেন্দ্রীয় সরকারের একজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রীর বিরুদ্ধে জবাবদিহিতার দাবিতে রাজ্যের বিভিন্ন প্রান্তে ব্যাপক বিক্ষোভ প্রদর্শন করেছে জনতা এই প্রতিবাদে বারংবার উচ্চারিত হয়েছে 'আরশোলার প্রত্যাবর্তন' (Cockroach is Back) স্লোগান, যা প্রতিবাদকারীদের ক্ষোভের গভীরতা ও একটি সুনির্দিষ্ট বার্তা বহন করছে ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ এবং তার দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করার দাবিতে এই আন্দোলন এখন আর শুধু মিজোরামের মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই, বরং সমগ্র দেশ একাত্মতা ঘোষণা করে সংহতি প্রকাশ করেছে দিনের শুরু থেকেই মিজোরামের বিভিন্ন শহর ও জনপদে হাজার হাজার মানুষ ব্যানার, প্ল্যাকার্ড ও বিভিন্ন প্রতিবাদী স্লোগান নিয়ে রাস্তায় নেমে আসে মূলত তরুণ সমাজ ও ছাত্র সংগঠনগুলোর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভে ধীরে ধীরে সমাজের সকল স্তরের মানুষ যোগ দেয় প্রতিবাদকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট কিছু বিষয়ে জবাবদিহিতা চেয়ে স্লোগান দেয় যদিও ভিডিওর মূল তথ্য থেকে সেই সুনির্দিষ্ট অভিযোগগুলির বিস্তারিত জানা সম্ভব হয়নি, তবে আন্দোলনের তীব্রতা দেখে অনুমান করা হচ্ছে, এটি কোনো গুরুত্বপূর্ণ নীতিগত সিদ্ধান্ত, অর্থনৈতিক অনিয়ম অথবা জনস্বার্থবিরোধী কার্যকলাপের সাথে সম্পর্কিত বিক্ষোভকারীরা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে, জনগণের অর্থ ও অধিকার নিয়ে যেকোনো ধরনের গাফিলতি বা দুর্নীতির বিরুদ্ধে তারা ঐক্যবদ্ধভাবে রুখে দাঁড়াবে 'আরশোলার প্রত্যাবর্তন' স্লোগানটি বিশেষ তাৎপর্য বহন করছে এটি ইঙ্গিত করে যে, অতীতের কোনো অপ্রীতিকর ঘটনা, অনাকাঙ্ক্ষিত ব্যক্তি বা অব্যবস্থাপনা পুনরায় ফিরে এসেছে অথবা দীর্ঘস্থায়ীভাবে রয়ে গেছে, যার জন্য প্রতিবাদকারীরা ধর্মেন্দ্র প্রধানকে দায়ী করছেন সাধারণত 'আরশোলা' প্রতীক হিসেবে এমন কিছুর জন্য ব্যবহৃত হয় যা অনাকাঙ্ক্ষিত হলেও বারবার ফিরে আসে বা নির্মূল করা কঠিন এই স্লোগান একদিকে যেমন বিক্ষোভকারীদের ক্ষোভ প্রকাশ করছে, তেমনি সংশ্লিষ্ট ইস্যুতে জনমনের দীর্ঘদিনের জমে থাকা অসন্তোষকেও তুলে ধরছে এই বিক্ষোভ শুধুমাত্র মিজোরামের আঞ্চলিক সমস্যা নয়, বরং এটি দেশের অন্যান্য অংশেও একই ধরনের অসন্তোষের প্রতিধ্বনি সারা দেশ থেকে সংহতি প্রকাশের অর্থ হলো, কেন্দ্রীয় সরকারের কোনো গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে এমন অসন্তোষ ব্যাপক আকার ধারণ করতে পারে এবং এটি বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে গভীর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন মিজোরামের এই ব্যাপক বিক্ষোভ কেন্দ্রীয় সরকারের উপর চাপ সৃষ্টি করবে নিঃসন্দেহে এমন পরিস্থিতিতে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পক্ষ থেকে একটি স্পষ্ট ব্যাখ্যা বা পদক্ষেপ আশা করা হচ্ছে এই আন্দোলন যদি দ্রুত প্রশমিত না হয়, তবে তা দেশের অন্যান্য রাজ্যেও ছড়িয়ে পড়তে পারে এবং আঞ্চলিক অস্থিরতা তৈরি করতে পারে গণতন্ত্রে জনগণের প্রতিবাদ ও জবাবদিহিতার দাবি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এই ঘটনার মধ্য দিয়ে প্রমাণিত হলো যে, জনগণের উপর চাপানো কোনো সিদ্ধান্ত বা তাদের অধিকার খর্বকারী কোনো পদক্ষেপ সহজে মেনে নেওয়া হবে না দেশের শীর্ষস্থানীয় গণমাধ্যমগুলো এই ঘটনার উপর নিবিড় নজর রাখছে এবং পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা দেখার জন্য রাজনৈতিক মহলও সজাগ রয়েছে [সৌজন্যে: @cockroachisback (𝕏 (Twitter))]