মেডিকেল ভর্তি প্রশ্নফাঁস: উত্তাল পাটনা, লাঠিপেটার শিকার শিক্ষার্থীরা..

التالي

মেডিকেল ভর্তি প্রশ্নফাঁস: উত্তাল পাটনা, লাঠিপেটার শিকার শিক্ষার্থীরা..

1 Views· 22/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 مشتركين
3
في

বিবরণী: ভারতে মেডিকেল কলেজগুলোতে ভর্তির জন্য অনুষ্ঠিত জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা (NEET)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে তীব্র বিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে বিহারের রাজধানী পাটনা দেশজুড়ে আলোড়ন সৃষ্টিকারী এই ঘটনায় শত শত শিক্ষার্থী রাজপথে নেমে এসেছেন, নিজেদের এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার আদায়ের দাবিতে তারা শান্তিপূর্ণ আন্দোলন শুরু করলেও পুলিশের কঠোর অবস্থানের মুখে পড়েন প্রশ্নফাঁসের মতো অনৈতিক কার্যকলাপের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ জানাতে গিয়ে তাদের লাঠিপেটার শিকার হতে হয়েছে, যা ভারতীয় গণমাধ্যমগুলোতে ব্যাপক সমালোচনার জন্ম দিয়েছে এই ঘটনা ভারতের শিক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা এবং দুর্নীতির গভীরতাকেই নতুন করে সামনে এনেছে প্রাপ্ত তথ্য অনুযায়ী, পাটনার রাজপথে নেমে আসা শিক্ষার্থীরা 'ভারত বাঁচাও', 'শিক্ষার্থীদের ন্যায্য অধিকার চাই' সহ বিভিন্ন স্লোগান দিতে থাকে তাদের দাবি ছিল, প্রশ্নফাঁসের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং এই কেলেঙ্কারির সঙ্গে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি প্রদান পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশ লাঠিচার্জ করে এবং জল কামান ব্যবহার করে আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করার চেষ্টা করে এ সময় বহু শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন বলে বিভিন্ন সূত্র নিশ্চিত করেছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিও ও ছবিতে দেখা যাচ্ছে, লাঠিপেটার শিকার হয়ে শিক্ষার্থীরা রাস্তায় পড়ে আছেন এবং তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে আন্দোলনকারীরা সংসদ অভিমুখে একটি মার্চ করারও পরিকল্পনা করেছিলেন, যা এই প্রতিবাদের তীব্রতাকেই নির্দেশ করে এই প্রশ্নফাঁসের ঘটনা লাখ লাখ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে ঠেলে দিয়েছে পরীক্ষায় সফল হওয়ার জন্য দিনের পর দিন কঠোর পরিশ্রম করা মেধাবী শিক্ষার্থীরা এখন নিজেদের ভাগ্য নিয়ে শঙ্কিত শিক্ষার্থীরা বলছেন, পরিণতি জেনেও তারা রাজপথে নেমে এসেছেন, কারণ দেশের সবার মেরুদণ্ড হয়তো না ঝুঁকলেও, তাদের মেরুদণ্ড এখনও সোজা আছে এটি কেবল একটি প্রশ্নফাঁসের ঘটনা নয়, এটি একটি রাষ্ট্রের শিক্ষাব্যবস্থার প্রতি শিক্ষার্থীদের আস্থা ও বিশ্বাসের প্রশ্ন এমন পরিস্থিতিতে সরকারের দ্রুত ও কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে একটি নিরপেক্ষ ও উচ্চ পর্যায়ের তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনা এবং ভবিষ্যতে এমন ঘটনা রোধে কঠোর আইন প্রণয়ন ও তদারকি ব্যবস্থা গড়ে তোলা এখন সময়ের দাবি অন্যথায়, শিক্ষাব্যবস্থার উপর সাধারণ মানুষের আস্থা মারাত্মকভাবে ক্ষুণ্ণ হবে বলে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন এই আন্দোলন বুঝিয়ে দিচ্ছে, অন্যায় ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সোচ্চার হতে শিক্ষার্থীদের দৃঢ় সংকল্প এখনও অটুট [সৌজন্যে: @garimabharti19 (𝕏 (Twitter))]

أظهر المزيد

 0 تعليقات sort   ترتيب حسب


التالي