কলকাতার প্রতিবাদে ১০% শিক্ষার্থী, বাকিরা হুলিগান: বিস্ফোরক অভিযোগ..

Susunod

কলকাতার প্রতিবাদে ১০% শিক্ষার্থী, বাকিরা হুলিগান: বিস্ফোরক অভিযোগ..

0 Views· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Mga subscriber
3
Sa

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় চলমান প্রতিবাদ-বিক্ষোভের আড়ালে এক চাঞ্চল্যকর ও বিস্ফোরক তথ্য সামনে এসেছে এক পর্যবেক্ষকের তথ্যানুসারে, এই বিক্ষোভে অংশগ্রহণকারীদের মধ্যে মাত্র ১০ শতাংশ ছিলেন প্রকৃত শিক্ষার্থী বা ছাত্রনেতা বাকি বিশাল অংশটি ছিল উচ্ছৃঙ্খল জনতা এবং হুলিগানদের সমন্বয়ে গঠিত, যারা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে ভিন্ন খাতে প্রবাহিত করার চেষ্টা করেছে এই তথ্য কলকাতার প্রতিবাদ সম্পর্কে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে এবং এর পেছনের প্রকৃত উদ্দেশ্য নিয়ে গভীর উদ্বেগ তৈরি করেছে পর্যবেক্ষক পূজা মেহতা তার প্রাথমিক বিশ্লেষণে উল্লেখ করেছেন যে, কলকাতার এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশগ্রহণকারী তথাকথিত "ছাত্র"দের বাইরে যারা ছিলেন, তারা কেবল বিশৃঙ্খল পরিবেশই তৈরি করেননি, বরং গণমাধ্যমকর্মীদের প্রতি অত্যন্ত আপত্তিকর ভাষা ব্যবহার করেছেন এবং তাদের হেনস্তা করেছেন গণমাধ্যমকর্মীদের লক্ষ্য করে কটূক্তি ও গালিগালাজ করার ঘটনা ঘটেছে, যা সংবাদ সংগ্রহের স্বাধীনতা এবং সাংবাদিকদের পেশাগত দায়িত্ব পালনে গুরুতর বাধা সৃষ্টি করেছে মেহতার এই অভিযোগ যদি সত্য হয়, তবে এটি কেবল প্রতিবাদের স্বকীয়তাকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে না, বরং এর পেছনের সুপ্ত এজেন্ডা নিয়েও গভীর সন্দেহ সৃষ্টি করে শিক্ষার্থীদের নামে এমন একদল উচ্ছৃঙ্খল লোকজনের সমাবেশের ঘটনা গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের মূল স্পিরিটকে ক্ষতিগ্রস্ত করে যখন কোনো প্রতিবাদে শান্তিপূর্ণ অংশগ্রহণের পরিবর্তে হুলিগান ও দুর্বৃত্তরা সক্রিয় হয়ে ওঠে, তখন তা জনসাধারণের কাছে প্রকৃত দাবির গুরুত্বকে ম্লান করে দেয় গণমাধ্যমকর্মীদের টার্গেট করা বাকস্বাধীনতা ও মতপ্রকাশের স্বাধীনতার ওপর সরাসরি আঘাত এমন ঘটনা প্রমাণ করে যে, কিছু স্বার্থান্বেষী মহল শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করে নিজেদের এজেন্ডা বাস্তবায়নের চেষ্টা করছে, যা কোনো সুস্থ গণতান্ত্রিক সমাজের জন্য শুভলক্ষণ নয় পূজা মেহতার এই বিস্ফোরক অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের একটি নিরপেক্ষ ও গভীর তদন্ত পরিচালনা করা অত্যাবশ্যক এই অভিযোগের সত্যতা যাচাই হওয়া প্রয়োজন এবং যদি অভিযোগ প্রমাণিত হয়, তবে জড়িত হুলিগান ও তাদের মদদদাতাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত গণমাধ্যমকর্মীদের হেনস্তা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের আড়ালে উচ্ছৃঙ্খলতা কোনোভাবেই কাম্য নয় এই ঘটনা কেবল ভারতের গণতান্ত্রিক কাঠামোতেই নয়, আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা ও গণমাধ্যমের নিরপেক্ষ ভূমিকা পালনের ক্ষেত্রেও একটি অশনিসংকেত বলে বিবেচিত হচ্ছে [সৌজন্যে: @pooja_news (𝕏 (Twitter))]

Magpakita ng higit pa

 0 Mga komento sort   Pagbukud-bukurin Ayon


Susunod