গণঅভ্যুত্থান শহীদের স্মরণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল..
বিবরণী: ঢাকার প্রাণকেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে অনুষ্ঠিত হলো এক স্মরণীয় দোয়া মাহফিল বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ছাত্রদল আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে শহীদদের স্মরণে দোয়া ও মোনাজাত করা হয়, যারা ঐতিহাসিক জুলাই গণঅভ্যুত্থানে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদের পবিত্র পরিবেশে অনুষ্ঠিত এই মাহফিলে বিপুল সংখ্যক ছাত্রদল নেতাকর্মী, সমর্থক এবং সাধারণ মানুষ অংশগ্রহণ করেন অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য ছিল অতীতের গৌরবোজ্জ্বল আন্দোলনগুলোর শহীদদের আত্মত্যাগকে স্মরণ করা এবং তাদের আদর্শকে পুনরুজ্জীবিত করা এই দোয়া মাহফিলটি কেবল একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠানই ছিল না, বরং এটি ছিল একটি রাজনৈতিক ও সামাজিক সম্মিলন এতে অংশগ্রহণকারীরা শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন এবং তাদের ত্যাগের বিনিময়ে অর্জিত গণতন্ত্র ও ন্যায়বিচারের আদর্শ সমুন্নত রাখার অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে আয়োজিত হওয়ায় এটি একদিকে যেমন পবিত্রতা ও আধ্যাত্মিকতার আবহে পূর্ণ ছিল, তেমনই অন্যদিকে এটি এক ঐতিহাসিক স্থানে দাঁড়িয়ে অতীতের সংগ্রামগুলোকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরার প্রয়াস ছিল অনুষ্ঠানটি প্রায় ৭৬ হাজার দর্শক দেখেছেন এবং ২ হাজারেরও বেশি মানুষ এতে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া জানিয়েছেন, যা থেকে এই আয়োজনের গুরুত্ব ও প্রভাব সহজেই অনুমেয় জুলাই গণঅভ্যুত্থান বাংলাদেশের জাতীয় ইতিহাসে এক গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় সেই আন্দোলনের শহীদদের স্মরণ করার মাধ্যমে ছাত্রদল কেবল অতীতের প্রতি শ্রদ্ধা জানালো না, বরং দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি ইতিবাচক বার্তা প্রেরণ করল বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে দাঁড়িয়ে এমন স্মরণে অনুষ্ঠানগুলো জাতীয়তাবোধ ও দেশপ্রেম জাগিয়ে তুলতে সহায়ক ভূমিকা পালন করে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি শিক্ষাঙ্গনে এই ধরণের আয়োজন তরুণ শিক্ষার্থীদের মাঝে আত্মত্যাগ, দেশপ্রেম এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের প্রতি আগ্রহ সৃষ্টি করবে বলে আশা করা যায় ছাত্রদলের এই উদ্যোগ একদিকে যেমন শহীদদের আত্মত্যাগকে সম্মান জানিয়েছে, তেমনই এটি দেশের রাজনৈতিক অঙ্গনে একটি গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার জন্ম দিয়েছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]