যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, নৃশংসতার অভিযোগ..

اگلا

যন্তর মন্তরে বিক্ষোভ দমনে পুলিশের কাঁদানে গ্যাস, নৃশংসতার অভিযোগ..

0 Views· 22/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 سبسکرائبرز
3
میں

বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থল যন্তর মন্তরে আবারও বিক্ষোভ দমনে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে পুলিশ প্রাপ্ত ভিডিও ফুটেজ ও প্রাথমিক বিবরণ অনুযায়ী, আন্দোলনকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে পুলিশ বারবার কাঁদানে গ্যাস নিক্ষেপ করেছে এই ঘটনাকে 'সূর্য সমাজবাদী' নামের একটি গোষ্ঠী সরাসরি 'নৃশংসতা' এবং 'স্বৈরাচারী শাসন' হিসেবে আখ্যায়িত করেছে, যা গণতান্ত্রিক অধিকারের চরম লঙ্ঘন বলে মনে করা হচ্ছে পুলিশের এই আচরণ দেশজুড়ে নতুন করে আলোচনার জন্ম দিয়েছে এবং মানবাধিকার কর্মীদের মধ্যে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে দীর্ঘদিন ধরে যন্তর মন্তর বিভিন্ন সামাজিক ও রাজনৈতিক আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দু হিসেবে পরিচিত দেশের নানা প্রান্ত থেকে আসা অধিকারকর্মী ও সাধারণ জনগণ তাদের দাবি-দাওয়া নিয়ে এখানে শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ করে থাকেন তবে সাম্প্রতিক এই ঘটনায় শান্তিপূর্ণ সমাবেশের ওপর পুলিশি বলপ্রয়োগের অভিযোগ উঠেছে প্রত্যক্ষদর্শী ও 'সূর্য সমাজবাদী' গোষ্ঠীর দাবি, পুলিশ কোনো ধরনের উস্কানি ছাড়াই অতিরিক্ত শক্তি প্রয়োগ করেছে, যা প্রতিবাদকারীদের মৌলিক অধিকার খর্ব করেছে কাঁদানে গ্যাসের ধোঁয়ায় ভরে ওঠে প্রতিবাদস্থল, যেখানে অসংখ্য মানুষ শ্বাসকষ্টে ভুগছেন বলে জানা গেছে এই ধরনের পুলিশি কার্যক্রমকে কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা হিসেবে না দেখে, ভিন্নমতের প্রতি সরকারের দমনমূলক নীতির অংশ হিসেবে দেখছেন অনেকে পুলিশের এই ধরনের কঠোর দমনপীড়ন ভারতের গণতান্ত্রিক পরিবেশে গভীর উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে যেখানে নাগরিকদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ করার সাংবিধানিক অধিকার রয়েছে, সেখানে বারবার কাঁদানে গ্যাস ও বলপ্রয়োগের ঘটনা দেশের অভ্যন্তরীণ স্থিতিশীলতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে একটি নিরপেক্ষ তদন্তের দাবি তুলেছেন তাদের মতে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকারীদের বিরুদ্ধে এমন 'নৃশংস' এবং 'স্বৈরাচারী' পদক্ষেপ কেবল মানবাধিকারের লঙ্ঘন নয়, বরং সরকারের প্রতি জনগণের আস্থা কমাচ্ছে এ পরিস্থিতি যদি অব্যাহত থাকে, তাহলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা আন্তর্জাতিক মহলেও এ ধরনের ঘটনা গণতন্ত্র ও মানবাধিকারের প্রশ্নে ভারতের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে পারে বলে মন্তব্য করেছেন অনেকে [সৌজন্যে: @surya_samajwadi (𝕏 (Twitter))]

مزید دکھائیں

 0 تبصرے sort   ترتیب دیں


اگلا