- National
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Other
ঝালকাঠির কাঁঠালিয়ায় বিএনপি নেতা গোলাম আযম সৈকতের গণসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ
ঝালকাঠি জেলার কাঁঠালিয়া উপজেলার বীণাপানি বাজারে সম্প্রতি বিএনপি নেতা গোলাম আযম সৈকত ৩১ দফা দাবিনামা বিতরণ করেন। গোলাম আযম সৈকত বিএনপি ছাত্রদলের সাবেক সাংগঠনিক সম্পাদক এবং বর্তমানে সংসদ সদস্য পদে মনোনয়ন প্রত্যাশী। তিনি ঐক্যবদ্ধ জোট নামে ৬ জন মনোনয়ন প্রত্যাশীদের মধ্যে অন্যতম।
সন্ধ্যার পরে বীণাপানি বাজারে স্থানীয় জনগণের সাথে গণসংযোগের মাধ্যমে তিনি তার রাজনৈতিক প্রচারণা চালান। এ সময় তিনি খালেদা জিয়া এবং তারেক রহমানের শুভেচ্ছা বার্তা উপস্থিত জনগণের কাছে পৌঁছে দেন।
গণসংযোগ চলাকালে গোলাম আযম সৈকত বলেন, 'আমাদের দলের মূল লক্ষ্য হলো দেশের জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠা করা এবং বর্তমান সরকারের অত্যাচার থেকে মুক্তি প্রদান করা।' তিনি আরও বলেন, '৩১ দফা দাবিনামার প্রতিটি পয়েন্ট দেশের জনগণের কল্যাণে করা হয়েছে এবং আমরা তা বাস্তবায়নে বদ্ধপরিকর।'
এতে উপস্থিত ছিলেন কাঠালিয়া উপজেলা শ্রমিক দলের সভাপতি ও উপজেলা কৃষক দলের সদস্য সচিব শহিদুল ইসলাম, এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন সাবেক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও সাবেক ইউনিয়ন বিএনপির সভাপতি ফজলুর রহমান ফুল।
বিএনপি নেতার এই প্রচারণা এবং দাবিনামা বিতরণ কার্যক্রমের মাধ্যমে কাঁঠালিয়ায় রাজনৈতিক উত্তেজনা বৃদ্ধি পেয়েছে। স্থানীয় জনগণ এ বিষয়ে মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখিয়েছেন। অনেকেই গোলাম আযম সৈকতের প্রচারণাকে ইতিবাচকভাবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ এটি নির্বাচনী কৌশল হিসেবে বিবেচনা করছেন।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন যে, আগামী সংসদ নির্বাচনে গোলাম আযম সৈকতের এই উদ্যোগ তার নির্বাচনী প্রচারণায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে। তবে, এই প্রচারণার মাধ্যমে তিনি কিভাবে স্থানীয় জনগণের সমর্থন অর্জন করবেন, তা সময়ই বলে দেবে।
সামাজিক ও রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে, এই ধরনের রাজনৈতিক কার্যক্রম স্থানীয় জনগণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি করতে পারে। তবে, এটি একইসাথে রাজনৈতিক প্রতিদ্বন্দ্বিতা এবং উত্তেজনার সৃষ্টি করতে পারে। এই পরিস্থিতিতে, রাজনৈতিক দলগুলোর উচিত হবে স্থানীয় জনগণের আস্থা অর্জনের জন্য গঠনমূলক এবং দায়িত্বশীল কার্যক্রম পরিচালনা করা।