জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সমন্বয়কের কৃষি ও পানি নিয়ে জোরালো বক্তব্য..
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Campus
- Investigative
- Other
জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সমন্বয়কের কৃষি ও পানি নিয়ে জোরালো বক্তব্য..
বিবরণী: জাতিসংঘের সদর দপ্তরে আয়োজিত একটি গুরুত্বপূর্ণ রাউন্ডটেবিল বৈঠকে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার এসডিজি বিষয়ক মুখ্য সমন্বয়ক অধ্যাপক ড. এস. এম. আবদুল-আওয়াল এক তাৎপর্যপূর্ণ বক্তব্য রেখেছেন ওয়াটারএইড কর্তৃক আয়োজিত এই আন্তর্জাতিক সম্মেলনে তিনি সরকারের পক্ষ থেকে দেশের তৃণমূল জনগোষ্ঠীর জীবনমান উন্নয়ন এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে গৃহীত অগ্রাধিকারমূলক প্রকল্পসমূহের যৌক্তিকতা তুলে ধরেন তাঁর বক্তব্যে বিশেষ গুরুত্ব পেয়েছে কৃষি উৎপাদন বৃদ্ধি এবং সকলের জন্য নিরাপদ পানি সরবরাহ নিশ্চিত করার জাতীয় কৌশল অধ্যাপক ড. আবদুল-আওয়াল জাতিসংঘের শীর্ষস্থানীয় প্রতিনিধিদের সামনে তুলে ধরেন যে, বাংলাদেশ সরকার কৃষি খাতের আধুনিকীকরণ ও সম্প্রসারণে বিশেষ মনোযোগ দিয়েছে এর মাধ্যমে একদিকে যেমন খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হচ্ছে, তেমনি গ্রামীণ অর্থনীতিকেও শক্তিশালী করা হচ্ছে তিনি উল্লেখ করেন, জলবায়ু পরিবর্তনের চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা এবং ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার চাহিদা পূরণের জন্য টেকসই কৃষি পদ্ধতি অবলম্বন করা অত্যন্ত জরুরি একইসঙ্গে, তিনি নিরাপদ পানি সরবরাহকে একটি মৌলিক মানবাধিকার হিসেবে আখ্যায়িত করে বলেন, সরকার সকলের জন্য বিশুদ্ধ পানির প্রাপ্তি নিশ্চিত করতে বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে, যা জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় অপরিহার্য এই বৈঠকে তাঁর উপস্থাপিত বিষয়গুলো আন্তর্জাতিক অঙ্গনে বাংলাদেশের উন্নয়ন ভাবনা ও নীতি নির্ধারণের প্রতিফলন তৃণমূলের মানুষের কল্যাণ ও ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে কৃষি ও পানি খাতে গৃহীত অগ্রাধিকারগুলো যে দীর্ঘমেয়াদী সুফল বয়ে আনবে, তা তাঁর বক্তব্যে স্পষ্ট হয়েছে এই আলোচনা বাংলাদেশের জন্য আন্তর্জাতিক পর্যায়ে আরও সহযোগিতা ও অংশীদারিত্ব সৃষ্টির দুয়ার খুলে দেবে বলে আশা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]