গ্রহের ৭০ ভাগ জল: 'পৃথিবী' নয়, নাম হোক 'জল'!
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Campus
- Investigative
- Other
গ্রহের ৭০ ভাগ জল: 'পৃথিবী' নয়, নাম হোক 'জল'!
সম্প্রতি বিশ্বজুড়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম এবং জনপ্রিয় অনলাইন প্ল্যাটফর্মগুলোতে একটি নতুন এবং চমকপ্রদ আলোচনার সূত্রপাত হয়েছে, যা আমাদের গ্রহের নামকরণ নিয়ে পুনরায় চিন্তাভাবনার খোরাক যোগাচ্ছে 'বিলিয়নেয়ার হাব' নামের একটি ভাইরাল ভিডিওতে সুস্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, পৃথিবীর মোট পৃষ্ঠের প্রায় ৭০ শতাংশ জল দ্বারা আবৃত এই বৈজ্ঞানিক সত্যকে সামনে রেখে ভিডিওটিতে প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, যেখানে আমাদের গ্রহের বেশিরভাগ অংশই জল, সেখানে এর নাম 'পৃথিবী' (যা মাটি বা স্থলভাগ নির্দেশ করে) না হয়ে 'জল' (বা 'পানি') হওয়া কি আরও যৌক্তিক নয়? এই ধারণাটি সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর কৌতূহল এবং একই সাথে পরিবেশগত গুরুত্ব সম্পর্কে নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে ভূগোল ও বিজ্ঞান অনুযায়ী, এই তথ্যটি নতুন না হলেও, এর পুনর্ব্যবহার বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত প্রাসঙ্গিক হয়ে উঠেছে পৃথিবীর মোট ভূ-পৃষ্ঠের প্রায় ৭১ শতাংশ জল দ্বারা বেষ্টিত, যার মধ্যে সমুদ্র ও মহাসাগরের লবণাক্ত জলই ৯৭ শতাংশের বেশি বাকি মাত্র ২.৫ শতাংশ বিশুদ্ধ জল, যার সিংহভাগই জমাটবদ্ধ অবস্থায় সুমেরু ও কুমেরু অঞ্চলের হিমবাহ এবং মেরু প্রদেশে বিদ্যমান নদী, হ্রদ, ভূগর্ভস্থ জল এবং বায়ুমণ্ডলে থাকা জলীয় বাষ্পের পরিমাণ অত্যন্ত সীমিত এই বিশাল জলরাশি কেবল প্রাণধারণের জন্য অপরিহার্য নয়, বরং পৃথিবীর জলবায়ু নিয়ন্ত্রণ, জীববৈচিত্র্য রক্ষা এবং গুরুত্বপূর্ণ প্রাকৃতিক চক্র (যেমন, জলচক্র) পরিচালনেও এর ভূমিকা অনস্বীকার্য মহাসাগরগুলো পৃথিবীর তাপমাত্রাকে স্থিতিশীল রাখতে এবং বায়ুমণ্ডল থেকে কার্বন ডোষণ করে জলবায়ু পরিবর্তনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে বিজ্ঞানীরা বহু বছর ধরেই জলের এই মৌলিক গুরুত্বের ওপর জোর দিয়ে আসছেন, যা জীবন এবং পরিবেশগত ভারসাম্যের মূল ভিত্তি আমাদের গ্রহের ৭০ শতাংশেরও বেশি অংশ জল দ্বারা বেষ্টিত হওয়ার এই তথ্যটি মানবজাতির জন্য বহুবিধ গুরুত্ব বহন করে একদিকে যেমন এটি জলবায়ু পরিবর্তন, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের মতো চ্যালেঞ্জগুলি সম্পর্কে আমাদের সচেতন করে তোলে, যা বাংলাদেশের মতো নিচু উপকূলীয় দেশগুলির জন্য মারাত্মক হুমকি অন্যদিকে, এটি সমুদ্র ও মহাসাগরের বিশাল প্রাকৃতিক সম্পদ, মৎস্য এবং নীল অর্থনীতির অপরিমেয় সম্ভাবনাকেও তুলে ধরে এই বিশাল জলরাশিই বিশ্বের অসংখ্য মানুষের জীবন ও জীবিকার প্রধান উৎস তাই, জলের নামানুসারে গ্রহের নামকরণের প্রস্তাবটি কেবল একটি প্রতীকী পরিবর্তন নয়, বরং এটি জলের প্রতি আমাদের দৃষ্টিভঙ্গি এবং এর সংরক্ষণ ও সঠিক ব্যবস্থাপনার প্রয়োজনীয়তাকে নতুন করে তুলে ধরে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য একটি টেকসই পৃথিবী নিশ্চিত করতে হলে জলসম্পদের বিচক্ষণ ব্যবহার, দূষণ রোধ এবং এর সুরক্ষা নিশ্চিত করা অপরিহার্য এই আলোচনাটি বৈশ্বিক জলনীতি এবং পরিবেশ সুরক্ষার কৌশল প্রণয়নে নতুন চিন্তাভাবনার খোরাক যোগাবে বলে মনে করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]