ঢাবিতে জান্তার মন্তরের সমর্থনে মিছিল, মোদিকে হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় সমালোচনা..

次に

ঢাবিতে জান্তার মন্তরের সমর্থনে মিছিল, মোদিকে হাসিনাকে আশ্রয় দেওয়ায় সমালোচনা..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 加入者
3
の

বিবরণী: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে চলমান জান্তার মন্তরের ছাত্র বিক্ষোভকারীদের প্রতি সংহতি জানিয়ে একটি প্রতিবাদ সমাবেশ ও মিছিল করেছেন এই সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির তীব্র সমালোচনা করেন বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, ২০২৪ সালের ব্যাপক হত্যাকাণ্ডের পর বাংলাদেশে থেকে পালিয়ে আসা শেখ হাসিনাকে ভারত আশ্রয় দিয়েছে, যা আঞ্চলিক রাজনীতিতে এক নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থীরা দাবি করেন, ভারতের এই পদক্ষেপ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপের শামিল এবং প্রতিবেশীসুলভ আচরণের পরিপন্থী সম্প্রতি বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল থেকে আসা শত শত শিক্ষার্থী ক্যাম্পাসের গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে তাদের হাতে ছিল বিভিন্ন প্ল্যাকার্ড ও ফেস্টুন, যেখানে মোদি সরকারের বিরুদ্ধে তীব্র স্লোগান লেখা ছিল বিক্ষোভকারীরা "মোদি, হাসিনা এক নয়", "আশ্রয়দাতা মোদি, জবাব দাও", "জান্তার মন্তরের ছাত্রদের প্রতি সংহতি" ইত্যাদি স্লোগান দেন তাদের বক্তব্যে উঠে আসে, বাংলাদেশের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময় ভারতের এমন অবস্থান আন্তর্জাতিক আইনের লঙ্ঘন তারা জান্তার মন্তরের শিক্ষার্থীদের উপর দমন-পীড়নের নিন্দা জানান এবং তাদের ন্যায্য দাবির প্রতি পূর্ণ সমর্থন ব্যক্ত করেন শিক্ষার্থীরা আরও উল্লেখ করেন, প্রতিবেশী রাষ্ট্র হিসেবে ভারতের কাছ থেকে বাংলাদেশের জনগণ আরও সংবেদনশীল ও নিরপেক্ষ ভূমিকা আশা করে এই বিক্ষোভ বাংলাদেশের অভ্যন্তরীণ রাজনীতি এবং ভারত-বাংলাদেশ সম্পর্ক উভয় ক্ষেত্রেই গভীর তাৎপর্য বহন করে ২০২৪ সালের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটকে ঘিরে বাংলাদেশে যে সংঘাতময় পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল, তার রেশ এখনও কাটেনি এই অবস্থায় শেখ হাসিনাকে 'আশ্রয়' দেওয়ার অভিযোগটি ভারত ও বাংলাদেশের মধ্যে দীর্ঘদিনের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কে নতুন করে টানাপোড়েন সৃষ্টি করতে পারে শিক্ষার্থীদের এমন প্রকাশ্য প্রতিবাদ দেশের শিক্ষাঙ্গনে রাজনৈতিক সচেতনতার প্রতিফলন এবং একই সাথে আঞ্চলিক ক্ষমতার ভারসাম্যে একটি সম্ভাব্য পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে, যা আগামী দিনের ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতিকে প্রভাবিত করতে পারে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ধরনের সংহতি সমাবেশ ভবিষ্যতে আরও বড় আন্দোলনের রূপ নিতে পারে এবং দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ককে এক নতুন চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলতে পারে [সৌজন্যে: @basherkella (𝕏 (Twitter))]

もっと見せる

 0 コメント sort   並び替え


次に