জ মন্তরে খাদ্য বিতরণে সহায়তা, পরিবারের ওপর দমন-পীড়ন?

Næste

জ মন্তরে খাদ্য বিতরণে সহায়তা, পরিবারের ওপর দমন-পীড়ন?

0 Views· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenter
3
I

দাবি, উত্তরপ্রদেশ পুলিশ আটক করেছে জুনেদের পরিবারকে, খতিয়ে দেখছে ব্যাংক অ্যাকাউন্ট ভারতের দিল্লিতে জ মন্তরে চলমান কৃষক আন্দোলন বা অন্য কোনো প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের খাদ্য বিতরণের কাজে সহায়তা করার অভিযোগে জুনেদ নামে এক ব্যক্তি উত্তরপ্রদেশ পুলিশের হাতে তার পরিবারের হেনস্থার শিকার হওয়ার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ করেছেন জুনেদের দাবি, পুলিশ তার পরিবারের সদস্যদের আটক করেছে এবং তাদের ব্যাংক অ্যাকাউন্ট পরীক্ষা করে দেখছে যদিও উত্তরপ্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে এই অভিযোগের বিষয়ে এখনো কোনো আনুষ্ঠানিক বক্তব্য বা নিশ্চিতকরণ পাওয়া যায়নি এই ঘটনাটি আন্দোলনের সঙ্গে জড়িত স্বেচ্ছাসেবকদের নিরাপত্তা এবং হয়রানির বিষয়ে নতুন করে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে ঘটনার সূত্রপাত হয় জ মন্তরে যখন প্রতিবাদে অংশ নেওয়া ব্যক্তিদের জন্য খাবার বিতরণের কাজে জুনেদ নামে এক ব্যক্তি সহায়তা করছিলেন তার ভাষ্যমতে, তিনি সাধারণ মানবিক দায়িত্ব পালন করছিলেন কিন্তু হঠাৎ করেই উত্তরপ্রদেশ পুলিশের পক্ষ থেকে তার পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা হয় জুনেদের অভিযোগ, তার বাবা-মা এবং অন্যান্য নিকটাত্মীয়দের বাড়ি থেকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়েছে এবং তাদের আর্থিক লেনদেন, ব্যাংক অ্যাকাউন্টের তথ্য সংগ্রহের চেষ্টা চলছে তিনি এই ঘটনাকে প্রত্যক্ষভাবে হয়রানি ও দমন-পীড়ন বলে অভিহিত করেছেন জুনেদ বিবিসি’র একজন সাংবাদিকের কাছে এই ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন, যেখানে তিনি ঘটনার পুঙ্খানুপুঙ্খ বর্ণনা তুলে ধরেছেন এই অভিযোগ যদি সত্যি প্রমাণিত হয়, তবে তা প্রতিবাদকারী এবং তাদের সহায়তাকারীদের নিরাপত্তা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলবে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে মত প্রকাশের স্বাধীনতা এবং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার স্বীকৃত কিন্তু এমন অভিযোগ প্রমাণ হলে তা এই অধিকার খর্ব করার শামিল হবে বিশেষ করে, সাধারণ নাগরিক যারা মানবিক কারণে কোনো আন্দোলনে সহায়তা করেন, তাদের যদি এভাবে হয়রানির শিকার হতে হয়, তবে তা সমাজে ভয়ের পরিবেশ সৃষ্টি করবে আন্দোলন বা প্রতিবাদ দমনের জন্য পরিবারের ওপর চাপ সৃষ্টি করা একটি অগণতান্ত্রিক ও অমানবিক পন্থা বলে বিবেচিত হতে পারে উত্তরপ্রদেশ পুলিশ এই অভিযোগ সম্পর্কে এখনো নীরব থাকায় পরিস্থিতি আরও ঘোলাটে হয়েছে তাদের পক্ষ থেকে দ্রুত স্পষ্ট বক্তব্য প্রদান প্রয়োজন যদি অভিযোগ অসত্য হয়, তবে তা খণ্ডন করা এবং অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত আর যদি অভিযোগ সত্যি হয়, তবে কেন এবং কোন যুক্তিতে এমন পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে, তার ব্যাখ্যা দেওয়া জরুরি এই ঘটনা দেশজুড়ে নাগরিক অধিকার কর্মী এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলোর নজরে আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং তারা বিষয়টি নিয়ে সরব হতে পারেন এই ঘটনার পরবর্তী পদক্ষেপগুলো দেশের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং আইনি প্রক্রিয়ার ওপর প্রভাব ফেলবে [সৌজন্যে: @sachingupta (𝕏 (Twitter))]

Vis mere

 0 Kommentarer sort   Sorter efter


Næste