দিল্লির জন্তর মন্তরে ফের রণক্ষেত্র, পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে উত্তেজনা..
দিল্লির জন্তর মন্তরে ফের রণক্ষেত্র, পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে উত্তেজনা..
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক জন্তর মন্তর এলাকা ফের এক উত্তাল পরিস্থিতির সাক্ষী হয়েছে গতকাল (সোমবার/মঙ্গলবার) নিজেদের বিভিন্ন দাবি-দাওয়া নিয়ে জড়ো হওয়া শিক্ষার্থীদের সঙ্গে নিরাপত্তা বাহিনীর ব্যাপক সংঘর্ষ হয়েছে বিক্ষোভকারীরা পুলিশের দিকে লক্ষ্য করে ইট-পাথর নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি দ্রুত নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশও লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে, যা পুরো এলাকাকে রণক্ষেত্রে পরিণত করে এই ঘটনায় উভয় পক্ষের বেশ কয়েকজন আহত হয়েছেন বলে প্রাথমিক খবর পাওয়া গেছে সংঘর্ষের সূত্রপাত হয় যখন বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী জন্তর মন্তরে জড়ো হয়ে নিজেদের দাবি আদায়ে বিক্ষোভ শুরু করে প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, একপর্যায়ে বিক্ষোভকারীদের একটি অংশ সহিংস হয়ে ওঠে এবং পুলিশের ব্যারিকেড ভাঙার চেষ্টা করে এরপরই তারা নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি পাথর ছুঁড়তে শুরু করে শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভে পুলিশ অন্যায়ভাবে বাধা দিয়েছে এবং বিনা প্ররোচনায় লাঠিচার্জ শুরু করেছে অন্যদিকে, দিল্লি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা দাবি করেছেন যে, বিক্ষোভকারীরাই প্রথমে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি লঙ্ঘন করে এবং পুলিশের ওপর হামলা চালায়, যার প্রেক্ষিতে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বলপ্রয়োগ ছাড়া কোনো উপায় ছিল না এই তীব্র সংঘর্ষের ফলে পুরো জন্তর মন্তর এলাকা ধোঁয়াশা ও আতঙ্কের মধ্যে ডুবে যায় পুলিশের ক্রমাগত লাঠিচার্জ এবং কাঁদানে গ্যাসের শেল নিক্ষেপে বিক্ষোভকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে পড়ে এবং আশপাশের রাস্তায় ছড়িয়ে যায় ঘটনায় কতজন আহত হয়েছেন তার সুনির্দিষ্ট সংখ্যা এখনো জানা যায়নি, তবে একাধিক গণমাধ্যমের খবরে শিক্ষার্থী ও পুলিশ সদস্য উভয় পক্ষেই বেশ কয়েকজনের আঘাত পাওয়ার খবর পাওয়া গেছে আহতদের স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসার জন্য পাঠানো হয়েছে এই ঘটনা নয়াদিল্লির আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে আবারও উদ্বেগ তৈরি করেছে এবং ভারতের গুরুত্বপূর্ণ প্রতিবাদস্থল জন্তর মন্তরে এমন সহিংসতা নতুন নয় শিক্ষার্থীদের এই বিক্ষোভের মূল কারণ যদিও তাৎক্ষণিকভাবে বিস্তারিত জানানো হয়নি, তবে সাধারণত এটি নিয়োগ পরীক্ষা, শিক্ষাব্যবস্থার ত্রুটি, বা সরকারের বিভিন্ন নীতির বিরুদ্ধে হয়ে থাকে এ ধরনের সহিংস সংঘাত শুধু শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের উদ্দেশ্যকেই ম্লান করে না, বরং সরকারের জন্যও এক বড় চ্যালেঞ্জ তৈরি করে এই ঘটনা আবারও প্রশ্ন তুলেছে যে, শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভকে কীভাবে সহিংসতা থেকে দূরে রাখা যায় এবং সরকার ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে কীভাবে একটি গঠনমূলক সংলাপের ক্ষেত্র তৈরি করা সম্ভব এমন পরিস্থিতিতে দ্রুত একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান না হলে ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের সংঘাতের আশঙ্কা থেকে যায়, যা দেশের সামগ্রিক স্থিতিশীলতার ওপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে [সৌজন্যে: Sachin Gupta (𝕏 (Twitter))]