close

কমেন্ট করুন পয়েন্ট জিতুন!

اگلا

শেরপুরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি নিহত

2 مناظر· 28/01/26
A M Abdul Wadud
میں خصوصی

শেরপুরে বিএনপি–জামায়াত সংঘর্ষে উপজেলা জামায়াত সেক্রেটারি নিহত
এ এম আব্দুল ওয়াদুদ শেরপুর জেলা প্রতিনিধি:
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর মধ্যে সংঘর্ষে জামায়াতের এক নেতা নিহত হয়েছেন। নিহত ব্যক্তি ঝিনাইগাতী উপজেলা জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি মাওলানা রেজাউল করিম। এ ঘটনায় উভয় পক্ষের অন্তত ৩০ জন আহত হয়েছেন।
বুধবার (২৮ জানুয়ারি) দুপুরে শেরপুর-৩ (শ্রীবরদী–ঝিনাইগাতী) আসনের নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানকে কেন্দ্র করে ঝিনাইগাতী উপজেলা মিনি স্টেডিয়াম মাঠে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে।
উপজেলা প্রশাসন ও স্থানীয় সূত্র জানায়, ঝিনাইগাতী উপজেলা প্রশাসনের উদ্যোগে পূর্বঘোষিতভাবে নির্বাচনী ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। সকাল থেকেই বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের প্রার্থী ও সমর্থকরা অনুষ্ঠানস্থলে জড়ো হতে থাকেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেলসহ প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীরা মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠান শুরুর আগে মঞ্চে চেয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতের কয়েকজন কর্মী-সমর্থকের মধ্যে প্রথমে হট্টগোল শুরু হয়। একপর্যায়ে কথাকাটাকাটি থেকে তা সংঘর্ষে রূপ নেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেলে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া শুরু হয়।
এ সময় মঞ্চের সামনে রাখা শতাধিক চেয়ার ভাঙচুর করা হয় এবং অনুষ্ঠানস্থলে থাকা কয়েকটি মোটরসাইকেল ক্ষতিগ্রস্ত হয়। সংঘর্ষে আহতদের উদ্ধার করে ঝিনাইগাতী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও শেরপুর জেলা সদর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গুরুতর আহত মাওলানা রেজাউল করিম পরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।
ঘটনার জন্য একে অপরকে দায়ী করেছেন উভয় দলের প্রার্থীরা। জামায়াত মনোনীত প্রার্থী নূরুজ্জামান বাদল অভিযোগ করেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিএনপি ও তাদের সমর্থকরা জামায়াতের কর্মী-সমর্থকদের ওপর হামলা চালিয়েছে। এতে জামায়াতের অন্তত ১৫ জন নেতাকর্মী আহত হয়েছেন বলে তিনি দাবি করেন। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত ও বিচার দাবি করেন।
অন্যদিকে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাহমুদুল হক রুবেল দাবি করেন, জামায়াত পরিকল্পিতভাবে বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করেছে। তার ভাষ্য অনুযায়ী, ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠান শুরুর আগেই হামলার প্রস্তুতি নিয়ে তারা সংঘর্ষে জড়ায়, এতে বিএনপির বহু নেতাকর্মী আহত হন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা আশরাফুল আলম রাসেল বলেন, সকল প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীকে নিয়ে শান্তিপূর্ণভাবে ইশতেহার পাঠ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছিল। চেয়ার বসানোকে কেন্দ্র করে অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ) মো. মিজানুর রহমান ভূঁঞা জানান, পুলিশ ও সেনাবাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। বর্তমানে এলাকায় পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

مزید دکھائیں

 0 تبصرے sort   ترتیب دیں


اگلا