প্রয়াগরাজে শিক্ষার্থীদের প্রবল বিক্ষোভ: প্রশ্নের মুখে যোগী প্রশাসন..
প্রয়াগরাজে শিক্ষার্থীদের প্রবল বিক্ষোভ: প্রশ্নের মুখে যোগী প্রশাসন..
ভারতের উত্তরপ্রদেশের প্রয়াগরাজে সম্প্রতি শিক্ষার্থীদের এক বিশাল বিক্ষোভ অনুষ্ঠিত হয়েছে, যা রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে দীর্ঘদিন ধরে একটি ধারণা প্রচলিত ছিল যে, মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথের 'বাবা কি সরকার' (যোগীর সরকার) থাকাকালীন উত্তরপ্রদেশে বড় ধরনের কোনো প্রতিবাদ বা আন্দোলন সম্ভব নয়, এবং প্রতিবাদ সীমাবদ্ধ থাকবে কেবল দিল্লিকেন্দ্রিক এই ধারণাকে মিথ্যা প্রমাণ করে প্রয়াগরাজের রাজপথে নেমে এসেছেন হাজার হাজার শিক্ষার্থী এই আন্দোলন কেবল শিক্ষার্থীদের দাবি-দাওয়া আদায়ের একটি প্রচেষ্টা নয়, বরং এটি রাজ্যের ক্ষমতা কাঠামোকে চ্যালেঞ্জ জানানোর একটি প্রতীকী বার্তা হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে বিক্ষোভকারীরা বিভিন্ন দাবি নিয়ে স্লোগান দিতে দিতে রাজপথ প্রদক্ষিণ করেন, যা স্থানীয় প্রশাসনের জন্য নতুন এক মাথাব্যথার কারণ হয়ে দাঁড়িয়েছে ভিডিওতে দেখা যায়, প্রয়াগরাজের শিক্ষানগরী জুড়ে শিক্ষার্থীরা ব্যানার-ফেস্টুন হাতে নিয়ে বিক্ষোভ প্রদর্শন করছেন তাদের মূল অভিযোগ ছিল যে, কিছু 'সুবিধাবাদী সাংবাদিক' কেবল দিল্লির আন্দোলনকে গুরুত্ব দেন এবং উত্তরপ্রদেশের মতো রাজ্যে এমন আন্দোলন অসম্ভব বলে প্রচার করেন কিন্তু প্রয়াগরাজের এই বিশাল সমাবেশ চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে দিয়েছে যে, যোগী সরকারের কঠোরতা সত্ত্বেও জনগণের ক্ষোভ যেকোনো মুহূর্তে বিস্ফোরিত হতে পারে আন্দোলনকারীরা শিক্ষা সংক্রান্ত বিভিন্ন সমস্যা, নিয়োগ দুর্নীতি এবং সরকারি উদাসীনতার বিরুদ্ধে সোচ্চার ছিলেন তারা সরকারের কাছে দ্রুত সমাধান চেয়ে বিভিন্ন দাবি উত্থাপন করেন ভিডিওতে স্পষ্টতই শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরনের তীব্র অসন্তোষ এবং কর্তৃপক্ষের প্রতি চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেওয়ার মনোভাব লক্ষ্য করা গেছে তাদের এই প্রতিবাদ স্থানীয় প্রশাসনকে দ্রুত পদক্ষেপ নিতে বাধ্য করবে বলে ধারণা করা হচ্ছে প্রয়াগরাজের এই ছাত্র বিক্ষোভের তাৎক্ষণিক প্রভাব হিসেবে রাজ্যের শিক্ষামন্ত্রীর পদক্ষেপ গ্রহণের সম্ভাবনা তৈরি হয়েছে ভিডিওর অসম্পূর্ণ তথ্য অনুযায়ী, এই আন্দোলনের পরপরই শিক্ষামন্ত্রীর হস্তক্ষেপের কথা ইঙ্গিত করা হয়েছে, যা শিক্ষার্থীদের একত্রিত শক্তির একটি বড় বিজয় হিসেবে দেখা যেতে পারে এই আন্দোলন কেবল উত্তরপ্রদেশের শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন উদ্দীপনা সৃষ্টি করবে না, বরং যোগী সরকারের প্রতি তাদের কঠোর নীতির কারণে যে অসন্তোষ জমেছিল, তা প্রকাশেও সাহায্য করবে এটি ভবিষ্যতে রাজ্যের অন্যান্য অংশেও অনুরূপ প্রতিবাদ দানা বাঁধতে উৎসাহিত করতে পারে একই সঙ্গে, এটি সেইসব গণমাধ্যমের জন্যও একটি বার্তা, যারা কেবল নির্দিষ্ট কিছু অঞ্চল বা ঘটনার প্রতি পক্ষপাতিত্ব করে থাকে এই আন্দোলন প্রমাণ করে যে, গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে প্রতিবাদ করার অধিকার সর্বজনীন এবং যেকোনো অঞ্চলে এটি সংঘটিত হতে পারে, এমনকি কঠোর শাসনাধীন রাজ্যেও [সৌজন্যে: @yadavmanish1001 (𝕏 (Twitter))]