নতুন প্রজন্মের ক্ষোভ: গণমাধ্যমের প্রতি ঘৃণা, ভারতের রাজপথে তুমুল প্রতিবাদ..
নতুন প্রজন্মের ক্ষোভ: গণমাধ্যমের প্রতি ঘৃণা, ভারতের রাজপথে তুমুল প্রতিবাদ..
ভারতের দিল্লিতে সাম্প্রতিক এক বিক্ষোভ কর্মসূচিতে নতুন প্রজন্ম এবং শিক্ষার্থীদের তীব্র ক্ষোভের মুখে পড়েছে দেশটির গণমাধ্যম বিশেষ করে, ‘গোদি মিডিয়া’ বলে পরিচিত গণমাধ্যমের প্রতি শিক্ষার্থীদের এই ক্ষোভ ছিল লক্ষ্যণীয় বিক্ষোভকারীরা গণমাধ্যমের প্রতিনিধিদের উদ্দেশ্য করে তীব্র স্লোগান দেয়, এমনকি তাদের উপর পানিও নিক্ষেপ করা হয় কিছু ক্ষেত্রে সাংবাদিকদের মারধর করারও অভিযোগ উঠেছে এই ঘটনাটি ভারতের গণমাধ্যমের স্বাধীনতা এবং জনগণের সাথে তাদের সম্পর্ক নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত এই বিক্ষোভে Gen Z এবং শিক্ষার্থীদের একটি বড় অংশ অংশগ্রহণ করে তাদের প্রতিবাদের মূল কারণ ছিল, ভারতের তথাকথিত ‘গোদি মিডিয়া’র পক্ষপাতদুষ্ট প্রতিবেদন এবং সরকারি নীতির প্রতি অন্ধ সমর্থন অভিযোগ রয়েছে, এই গণমাধ্যমগুলো সত্য উদ্ঘাটন না করে কেবল সরকারের প্রচারযন্ত্র হিসেবে কাজ করছে এই কারণে, যখনই কোনো ‘গোদি মিডিয়া’র এঙ্কর বা সাংবাদিক বিক্ষোভস্থলে উপস্থিত হন, তাদের দিকে আঙ্গুল তোলে সাধারণ মানুষ এমনকি, টাইমস নাউ-এর এক সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনাও ঘটেছে বলে জানা গেছে বিক্ষোভকারীদের মধ্যে গণমাধ্যমের প্রতি এমন ক্ষোভের মূল কারণ অনুসন্ধান করলে দেখা যায়, তাদের অনেকেই মনে করেন গণমাধ্যম জনগণের আশা-আকাঙ্ক্ষা এবং মৌলিক সমস্যাগুলোর প্রতি উদাসীন বরং, তারা কেবল রাজনৈতিক প্রচারণায় লিপ্ত থাকে এবং ভিন্নমতকে দমন করার চেষ্টা করে এই পরিস্থিতি ভারতের গণতান্ত্রিক অধিকার এবং মত প্রকাশের স্বাধীনতার উপর নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে বলে অনেকেই মনে করছেন শিক্ষার্থীদের এই প্রতিবাদ তাই কেবল একটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়, বরং এটি ভারতের বৃহত্তর জনমনের অসন্তোষের প্রতিফলন গণমাধ্যমের প্রতি এই তীব্র ঘৃণা কেবল শিক্ষার্থীদের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সমাজের একটি বড় অংশের মধ্যে ছড়িয়ে পড়ছে এই ঘটনার ফলে ভারতের গণমাধ্যমগুলোর তাদের ভূমিকা এবং নীতি পুনর্বিবেচনা করতে বাধ্য হবে বলে আশা করা হচ্ছে পাশাপাশি, এটি গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভ হিসেবে গণমাধ্যমের দায়িত্ব ও কর্তব্য সম্পর্কেও নতুন করে ভাবনার জন্ম দিয়েছে আগামী দিনে এই পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, তা পর্যবেক্ষণ করা গুরুত্বপূর্ণ [সৌজন্যে: @shamstabrezq (𝕏 (Twitter))]
