নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ: সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন তুললেন সিবল..

اگلا

নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের লাঠিচার্জ: সরকারের ভূমিকায় প্রশ্ন তুললেন সিবল..

0 Views· 22/07/26
Emran Sarkar
Emran Sarkar
12 سبسکرائبرز
12
میں

ভারতের প্রবীণ রাজনীতিবিদ ও সুপ্রিম কোর্টের জ্যেষ্ঠ আইনজীবী কপিল সিবল নিরস্ত্র শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশি লাঠিচার্জের ঘটনায় তীব্র ক্ষোভ ও নিন্দা জানিয়েছেন এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই ঘটনাকে 'অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক' আখ্যা দিয়ে সরকারের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তার মতে, শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলনরত নিরীহ শিক্ষার্থীদের ওপর এ ধরনের হামলা কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না এবং এটি গণতান্ত্রিক অধিকারের সুস্পষ্ট লঙ্ঘন কপিল সিবলের এই কঠোর সমালোচনা ভারতের রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে, যেখানে ক্ষমতাসীন দলের প্রতি চাপ বাড়ছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা সংবাদ সম্মেলনে কপিল সিবল বলেন, সম্প্রতি দেশের বিভিন্ন স্থানে নিরীহ শিক্ষার্থীরা নিজেদের ন্যায্য দাবি আদায়ে আন্দোলন করছিলেন তাদের এই শান্তিপূর্ণ সমাবেশে পুলিশ অতর্কিত হামলা চালায় এবং বেধড়ক লাঠিচার্জ করে, যা ন্যাক্কারজনক ও অমানবিক তিনি জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা দেশের ভবিষ্যৎ এবং তাদের প্রতি এই অমানবিক আচরণ দেশের গণতান্ত্রিক কাঠামোর জন্য অশনি সংকেত সিবল প্রশ্ন তোলেন, "কেন নিরস্ত্র, শান্তিপূর্ণ শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করা হলো? সরকার কি তাদের কণ্ঠরোধ করতে চাইছে?" তিনি এ ঘটনাকে স্বাধীন মত প্রকাশের ওপর সরাসরি আঘাত হিসেবেও অভিহিত করেন এবং জড়িত পুলিশ সদস্যদের বিরুদ্ধে অবিলম্বে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানান তার দাবি, একটি স্বাধীন ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে এই ঘটনার পেছনের সত্য উন্মোচন করা হোক কপিল সিবলের এই বক্তব্য ভারতের ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর নতুন করে চাপ সৃষ্টি করেছে বিরোধী দলগুলোও সরকারের এই পদক্ষেপের তীব্র সমালোচনা করছে এবং বিভিন্ন ফোরামে এই ইস্যুটি উত্থাপনের প্রস্তুতি নিচ্ছে মানবাধিকার কর্মীরা বলছেন, শান্তিপূর্ণ সভা-সমাবেশে পুলিশি হস্তক্ষেপ এবং বলপ্রয়োগ সংবিধানসম্মত নয়, বরং এটি মৌলিক অধিকারের পরিপন্থী শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জের ঘটনা শুধু তাদের শারীরিকভাবে আঘাত করেনি, বরং দেশের তরুণ প্রজন্মের মধ্যে এক ধরনের হতাশা ও ক্ষোভের জন্ম দিয়েছে পর্যবেক্ষকরা মনে করছেন, এ ধরনের ঘটনা ভবিষ্যতের আন্দোলন-সংগ্রামে শিক্ষার্থীদের আরও উসকে দিতে পারে এবং সরকারের সঙ্গে তাদের দূরত্ব আরও বাড়াতে পারে দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা ও অধিকার সুরক্ষায় সরকারের আরও সংবেদনশীল হওয়া প্রয়োজন বলে সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন [সৌজন্যে: @kapilsibal (𝕏 (Twitter))]

مزید دکھائیں

 0 تبصرے sort   ترتیب دیں


اگلا