মিথ্যা ভিডিও ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি: ফের বিতর্কে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র..

Bir sonraki

মিথ্যা ভিডিও ছড়িয়ে সাম্প্রদায়িক উসকানি: ফের বিতর্কে বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Aboneler
3
İçinde

দিল্লির বিজেপি নেতা কপিল মিশ্র আবারও বিতর্কের কেন্দ্রে এসেছেন, এবার শিখ ধর্মের পবিত্র ব্যক্তিত্ব গুরু তেগ বাহাদুরকে নিয়ে একটি মিথ্যা ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগে ভিডিওটির বিবরণীতে দাবি করা হয়েছে যে, কপিল মিশ্র এই ভুয়া ভিডিওটি সামাজিক মাধ্যমে শেয়ার করেছেন এবং পরবর্তীতে পুরো বিজেপি দল এই মিথ্যা তথ্য প্রচারে যুক্ত হয়েছে এমন একটি সংবেদনশীল বিষয়ে মিথ্যাচার ও উসকানি ছড়ানোর এই অভিযোগ ভারতের রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে নতুন করে আলোচনা তৈরি করেছে, যেখানে কপিল মিশ্রের অতীত কর্মকাণ্ডও পুনরায় সামনে চলে আসছে কপিল মিশ্রের বিরুদ্ধে এটিই প্রথম সাম্প্রদায়িক উসকানির অভিযোগ নয় এর আগে ২০১৯ সালের দিল্লি দাঙ্গায় তার বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছিল সে সময় অভিযোগ করা হয়েছিল, তার উসকানিমূলক ও বিভেদ সৃষ্টিকারী বক্তব্যের কারণে দাঙ্গা পরিস্থিতি আরও খারাপ হয়েছিল ভিডিওটির বিবরণী অনুযায়ী, দিল্লি দাঙ্গার সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ থাকা সত্ত্বেও বিজেপি তাকে বাঁচিয়েছিল সেই ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার তিনি গুরু তেগ বাহাদুরকে নিয়ে মিথ্যা ভিডিও প্রচার করে ধর্মীয় সংবেদনশীলতায় আঘাত হানার অভিযোগে অভিযুক্ত হয়েছেন রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন, বারবার এমন বিতর্কিত কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে পড়া কপিল মিশ্রের নেতৃত্বাধীন বিজেপির ভাবমূর্তিকে প্রশ্নের মুখে ফেলছে মিথ্যা তথ্য ও গুজব ছড়ানো, বিশেষ করে ধর্মীয় ব্যক্তিত্বদের কেন্দ্র করে, সমাজে বিভেদ ও অস্থিরতা তৈরি করতে পারে ভারতের মতো বহু ধর্ম, বহু ভাষা ও সংস্কৃতির দেশে এমন ঘটনা সামাজিক সম্প্রীতি নষ্ট করার পাশাপাশি আইন-শৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে গুরু তেগ বাহাদুর শিখ ধর্মের একজন শহীদ গুরু, যার প্রতি কোটি কোটি মানুষের গভীর শ্রদ্ধা ও ভক্তি রয়েছে তাকে নিয়ে মিথ্যা ভিডিও ছড়ানো কেবল একটি নির্দিষ্ট সম্প্রদায়ের অনুভূতিতে আঘাত হানার বিষয় নয়, এটি সমগ্র দেশের ধর্মনিরপেক্ষ ভাবধারা এবং সহাবস্থানের ধারণাকেও চ্যালেঞ্জ করে এই ধরনের কর্মকাণ্ড রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়ে থাকলে তা গণতন্ত্রের জন্য অত্যন্ত বিপজ্জনক বলে মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা দেশের প্রধান রাজনৈতিক দল হিসেবে বিজেপির উচিত, এমন বিতর্কিত বিষয়গুলো দ্রুততার সঙ্গে সমাধান করা এবং তাদের দলের নেতাদের দায়িত্বশীল আচরণের ব্যাপারে কঠোর নির্দেশনা দেওয়া, যাতে সমাজে কোনো ধরনের বিভেদ বা অস্থিরতা তৈরি না হয় [সৌজন্যে: @mshahi0024 (𝕏 (Twitter))]

Daha fazla göster

 0 Yorumlar sort   Göre sırala


Bir sonraki