- National
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Other
কক্সবাজার মগনামা ঘাটে দুর্ঘটনার আশঙ্কা
মগনামা ঘাটে চরম ঝুঁকি নিয়ে নৌযানে ওঠানামা, যাত্রীদের তীব্র ক্ষোভ
নজরুল ইসলাম, কুতুবদিয়া (কক্সবাজার)
কক্সবাজারের দ্বীপ উপজেলা কুতুবদিয়ার প্রধান প্রবেশপথ মগনামা ঘাটে যাত্রীদের যাতায়াত এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। কোনো সুষ্ঠু সিঁড়ি বা নিরাপদ জেটি ব্যবস্থা না থাকায় প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ জীবনের ঝুঁকি নিয়ে নৌযানে ওঠানামা করতে বাধ্য হচ্ছেন। প্রশাসনের দীর্ঘদিনের উদাসীনতায় ক্ষোভে ফুঁসছেন স্থানীয় বাসিন্দা ও পর্যটকরা।
মগনামা ঘাটে সরেজমিন গিয়ে দেখা যায়, নৌযানে ওঠা-নামার জন্য নিরাপদ কোনো অবকাঠামো নেই। জোয়ার-ভাটার ওপর নির্ভর করে যাত্রীদের অত্যন্ত কসরত করে নৌযানে উঠতে হয়। বিশেষ করে নারী, শিশু ও বৃদ্ধদের অবস্থা সবচেয়ে করুণ। একে অপরকে ধরে অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণভাবে যাত্রীরা সী-ট্রাক ও অন্যান্য নৌযানে উঠছেন।
যাত্রীরা জানান, ঈদুল ফিতরের ছুটিতে কুতুবদিয়া সমুদ্র সৈকতে কয়েক হাজার পর্যটকের সমাগম ঘটে। পর্যটকবাহী সী-ট্রাকগুলোতে যাতায়াতের সময় পর্যটকদের চরম ভোগান্তি পোহাতে হয়।
মীর কাশেম নামের এক যাত্রী বলেন, “প্রতিদিনই এভাবে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে আমাদের যাতায়াত করতে হয়। পা পিছলে গেলেই বড় দুর্ঘটনা নিশ্চিত।”
আরেক যাত্রী রবিউল আক্ষেপ করে বলেন, “হয়তো বড় কোনো দুর্ঘটনা না হওয়া পর্যন্ত কর্তৃপক্ষের টনক নড়বে না।”
সাজ্জাদ নামের এক যাত্রী ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, “দীর্ঘদিন ধরে এই অবস্থা চললেও দেখার কেউ নেই। আমরা সারাক্ষণ আতঙ্ক নিয়ে চলাচল করি।”
স্থানীয় বাসিন্দা মেজবাহ বৱেন, চরম অব্যবস্থাপনার চলছে সিট্রাক। অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায়র মধ্যে উঠানামা করতে হয়। বিশেষ করে ছোট বাচ্চা এবং মা-বোনদের জন্য অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ। ওটা নামার মধ্যে যে কোন মুহূর্তে দুর্ঘটনা ঘটতে পারে, এমন কি মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। চরম ঝুঁকির মধ্যে মগনামা এসে গাড়ি পাওয়াটা অত্যন্ত মুশকিল। আগে থেকে বুক করে না আসলে এস আলম বা এস আর এ টিকিট পাওয়া যায় না। বাস অত্যন্ত অপ্রতুল। সিএনজি জনপ্রতি ৩৫০ টাকা করে ভাড়া চাচ্ছে। যা আমাদের জন্য মরার উপরে খাঁড়ার ঘা।
প্রশাসন এবং জনপ্রতিনিধিদের সদয় দৃষ্টি আকর্ষণ করছি।
স্থানীয় ব্যবসায়ীরা জানান, মগনামা ঘাট দিয়ে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ যাত্রী ও পণ্য পারাপার হয়। কিন্তু এখানে কোনো আধুনিক জেটি, পর্যাপ্ত সিঁড়ি বা হ্যান্ডরেল নেই। দীর্ঘদিন ধরে অবকাঠামোগত উন্নয়নের দাবি জানানো হলেও বাস্তবে তার কোনো প্রতিফলন দেখা যাচ্ছে না।
স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, মগনামা ঘাটটি কুতুবদিয়ার অর্থনীতির প্রাণকেন্দ্র। কিন্তু নূন্যতম নাগরিক সুবিধা ও নিরাপত্তা না থাকাটা দুঃখজনক। যেকোনো বড় ধরনের দুর্ঘটনা এড়াতে এবং পর্যটন শিল্পের প্রসারে দ্রুত একটি আধুনিক ও নিরাপদ ঘাট নির্মাণসহ নিরাপদ উঠানামার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন এলাকাবাসী।
