জুলাই গণঅভ্যুত্থান: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান স্মরণে বিশেষ সভা..

Bir sonraki

জুলাই গণঅভ্যুত্থান: বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের অবদান স্মরণে বিশেষ সভা..

2 Views· 26/07/26
MD Satu
MD Satu
Aboneler
0
İçinde

মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন এক ঐতিহাসিক ঘোষণা দিয়েছেন যে, আগামীতে জুলাই গণঅভ্যুত্থানে দেশের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের অবদানকে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বীকৃতি প্রদানের জন্য একটি বিশেষ স্মরণসভার আয়োজন করা হবে শনিবার (২৫ জুলাই, ২০২৬) মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে প্রতিমন্ত্রী এই ঘোষণা দেন তিনি উল্লেখ করেন, দেশের ইতিহাসে জুলাই গণঅভ্যুত্থান একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় এবং এই আন্দোলনে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আত্মত্যাগ ও সক্রিয় অংশগ্রহণ ছিল অনস্বীকার্য দীর্ঘদিন ধরে তাদের এই অবদান অগোচরে ছিল, যা এবার আনুষ্ঠানিকভাবে স্মরণ ও সম্মান জানানো হবে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন তার বক্তব্যে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের প্রেক্ষাপট এবং এর সামগ্রিক গুরুত্ব তুলে ধরেন তিনি বলেন, জাতি গঠনে এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনে বিভিন্ন সময়ে তরুণ সমাজের ভূমিকা ছিল অগ্রগণ্য বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলো প্রতিষ্ঠার পর থেকে দেশের সামাজিক ও রাজনৈতিক পরিবর্তনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রেখেছে জুলাই গণঅভ্যুত্থান ছিল এমনই এক ক্রান্তিকাল, যখন দেশের আপামর জনতার সঙ্গে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও স্বতঃস্ফূর্তভাবে রাজপথে নেমে এসেছিল তাদের সাহসী ভূমিকা সে সময় আন্দোলনের গতিকে তীব্রতর করেছিল সরকারের পক্ষ থেকে এই ত্যাগ ও অবদানকে নতুন প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়েছে, যা আগামী প্রজন্মের জন্য অনুপ্রেরণার উৎস হবে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী আরও জানান, স্মরণসভা আয়োজনের বিস্তারিত রূপরেখা খুব শিগগিরই চূড়ান্ত করা হবে এই সভায় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন শিক্ষক ও শিক্ষার্থী প্রতিনিধি, ইতিহাসবিদ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের আমন্ত্রণ জানানো হবে ইশরাক হোসেন বলেন, "গণঅভ্যুত্থানের সময় বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূমিকা কেবল শিক্ষার্থীদের রাজপথে নামা নয়, বরং বুদ্ধিবৃত্তিক সমর্থন, আন্দোলনকারীদের আশ্রয় প্রদান এবং আন্দোলনের কৌশল নির্ধারণেও তাদের অবদান ছিল অপরিসীম এই বিষয়গুলো নতুন করে গবেষণার মাধ্যমে তুলে আনা হবে এবং স্মরণসভার মাধ্যমে জাতির সামনে উপস্থাপন করা হবে" তিনি আরও বলেন, এই স্বীকৃতি জাতীয় ইতিহাসে বেসরকারি খাতের শিক্ষাব্যবস্থার ইতিবাচক ভূমিকা এবং দেশের গণতান্ত্রিক আন্দোলনে তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণকে সুপ্রতিষ্ঠিত করবে বিশেষজ্ঞ মহল মনে করছেন, মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের এই উদ্যোগ দেশের ইতিহাসচর্চায় একটি নতুন দিগন্ত উন্মোচন করবে দীর্ঘদিনের অবহেলিত একটি অধ্যায়ের ওপর আলোকপাত করার মাধ্যমে ঐতিহাসিক তথ্যগুলোকে আরও সমৃদ্ধ করা সম্ভব হবে একই সাথে, এটি বর্তমান ও ভবিষ্যতের শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশপ্রেম ও সামাজিক দায়বদ্ধতার ধারণা আরও সুদৃঢ় করবে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোও এই স্বীকৃতিকে নিজেদের জন্য একটি ঐতিহাসিক অর্জন হিসেবে দেখছে এবং আশা করছে, এই ধরনের উদ্যোগ তাদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে দেশের প্রতি দায়িত্ববোধ আরও বাড়িয়ে তুলবে সামগ্রিকভাবে, জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর অবদান স্মরণের এই উদ্যোগ জাতীয় ঐক্য ও ইতিহাসের সঠিক মূল্যায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করবে বলে আশা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]

Daha fazla göster

 0 Yorumlar sort   Göre sırala


Bir sonraki