যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে আরএএফের ছররা গুলি: ভিডিও ফাঁস, চাঞ্চল্য..
- Politics
- International
- Crime
- Law-Court
- Entertainment
- Religion and Education
- District News
- Exclusive
- Sports News
- Agriculture-Economy and Trade
- Interview
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Campus
- Investigative
- Other
যন্তর মন্তরে বিক্ষোভে আরএএফের ছররা গুলি: ভিডিও ফাঁস, চাঞ্চল্য..
ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লির কেন্দ্রস্থল যন্তর মন্তরে গত ২০ জুলাই অনুষ্ঠিত এক বিক্ষোভ চলাকালীন সৃষ্ট তীব্র গোলযোগ নিয়ন্ত্রণে র্যাপিড অ্যাকশন ফোর্স (আরএএফ)-এর এক সদস্যকে ছররা গুলি ব্যবহার করতে দেখা গেছে এই ঘটনার একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ার পর দেশজুড়ে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে বিক্ষোভ দমনে এমন একটি প্রাণঘাতী অস্ত্রের ব্যবহার নিয়ে মানবাধিকার কর্মী ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন, যা রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগের সীমা নিয়ে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে ভিডিওতে প্রদর্শিত অস্ত্রটির প্রকৃতি নিয়ে প্রাথমিক জল্পনা থাকলেও, পরবর্তীতে আরএএফ ও পুলিশের একাধিক নির্ভরযোগ্য সূত্রের মাধ্যমে এর সত্যতা ও ধরন নিশ্চিত করা হয়েছে সূত্রগুলো জানিয়েছে, এটি মূলত একটি পাম্প-অ্যাকশন বন্দুক, যা ১২ বোর সাইজের গুলি ব্যবহার করে এই বিশেষ ধরনের গুলি বিস্ফোরিত হলে অসংখ্য ছোট ছোট ধাতব ছররা চারদিকে ছড়িয়ে পড়ে এই ছররাগুলো মানবদেহের ত্বকে বিদ্ধ হয়ে মারাত্মক জখম করতে পারে, এমনকি চোখ বা অন্যান্য সংবেদনশীল অঙ্গে আঘাত লাগলে স্থায়ী পঙ্গুত্ব বা প্রাণহানির কারণও হতে পারে সাধারণত, ভিড় বা গোলযোগপূর্ণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কঠোরতম এবং প্রায়শই বিতর্কিত ব্যবস্থা হিসেবে এই ধরনের অস্ত্রের ব্যবহার করা হয়ে থাকে ছররা গুলির ব্যবহার আন্তর্জাতিক মানবাধিকার সংস্থাগুলো দ্বারা কঠোরভাবে সমালোচিত হয়ে আসছে, বিশেষত যখন তা শান্তিপূর্ণ বা নিরস্ত্র বিক্ষোভকারীদের ওপর প্রয়োগ করা হয় এর নির্বিচার প্রয়োগ মানবদেহে গুরুতর আঘাত এবং স্থায়ী ক্ষতির কারণ হতে পারে, যা অনেক সময় প্রাণহানির দিকেও ঠেলে দেয় যন্তর মন্তরের এই ঘটনা ভারতের আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর জনতা নিয়ন্ত্রণের কৌশল নিয়ে নতুন করে তীব্র বিতর্কের জন্ম দিয়েছে দেশের শীর্ষস্থানীয় মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতোমধ্যে এই ঘটনার উচ্চপর্যায়ের তদন্ত দাবি করেছে এবং জড়িত আরএএফ সদস্যের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে এই ধরনের ঘটনা গণতান্ত্রিক অধিকারের ওপর প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি রাষ্ট্রীয় দমন-পীড়নের প্রতীক হিসেবেও বিবেচিত হতে পারে, যা ভবিষ্যতে আরও বড় ধরনের প্রতিবাদ ও সংঘাতের জন্ম দিতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন বিশ্লেষকরা [সৌজন্যে: @sachingupta (𝕏 (Twitter))]