ইরানের যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তানের প্রশংসা, পাশে থাকার অঙ্গীকার..

Bir sonraki

ইরানের যুদ্ধবিরতিতে পাকিস্তানের প্রশংসা, পাশে থাকার অঙ্গীকার..

0 Views· 27/07/26
İçinde

বিবরণী: সম্প্রতি পাকিস্তান সফররত ইরানের উচ্চপর্যায়ের প্রতিনিধিদলের সঙ্গে এক বৈঠকে পাকিস্তানের প্রধানমন্ত্রী শাহবাজ শরীফ ইরানের প্রতি গভীর সংহতি প্রকাশ করেছেন বৈঠক চলাকালীন দেওয়া তাঁর উদ্বোধনী বক্তব্যে শাহবাজ শরীফ ইরানের নেতৃত্বকে তাদের একটি গুরুত্বপূর্ণ সমঝোতা স্মারক (MoU) এবং সম্মানজনক যুদ্ধবিরতি অর্জনের জন্য উষ্ণ অভিনন্দন জানান তিনি পাকিস্তানের মাটিতে ইরানের প্রতিনিধিদলকে স্বাগত জানিয়ে এই অর্জনকে উভয় দেশের জন্য অত্যন্ত আনন্দের ও সন্তুষ্টির বিষয় বলে অভিহিত করেন প্রধানমন্ত্রীর এই মন্তব্য আঞ্চলিক কূটনীতিতে পাকিস্তানের মধ্যস্থতাকারী ভূমিকার ওপর আলোকপাত করে এবং ইরানের সঙ্গে তাদের ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্কের গভীরতা তুলে ধরে পাকিস্তানি প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যে ইরানের সর্বোচ্চ নেতার প্রতি উষ্ণ শুভেচ্ছা জানানোর কথা বিশেষভাবে উঠে আসে তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতার দূরদর্শী নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসা করেন, যার অধীনে ইরান কেবল একটি সমঝোতা স্মারক স্বাক্ষরই করেনি, বরং অত্যন্ত মর্যাদা ও সম্মানের সাথে একটি যুদ্ধবিরতিও নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে শাহবাজ শরীফ ইরান ও তার নেতৃত্বকে ধন্যবাদ জানানোর পাশাপাশি পাকিস্তানের মধ্যস্থতা করার সৎ ও আন্তরিক ক্ষমতার ওপর তাদের অবিচল আস্থার কথাও উল্লেখ করেন তিনি জোর দিয়ে বলেন, ভ্রাতৃপ্রতিম দেশ হিসেবে পাকিস্তান কখনোই ইরানকে নিরাশ করবে না এবং মর্যাদা ও সম্মানের নীতির ওপর ভিত্তি করে দীর্ঘস্থায়ী শান্তি অর্জিত না হওয়া পর্যন্ত এই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে যাবে এই প্রতিশ্রুতি পাকিস্তানের আঞ্চলিক নেতৃত্ব এবং কূটনৈতিক প্রচেষ্টা জোরদার করার ইচ্ছাকে স্পষ্ট করে শাহবাজ শরীফের এই মন্তব্য আঞ্চলিক ভূ-রাজনীতিতে পাকিস্তানের একটি গুরুত্বপূর্ণ মধ্যস্থতাকারী হিসেবে ভূমিকা পালনের ইচ্ছাকে স্পষ্ট করে তোলে ইরানের সাথে একটি সম্মানজনক যুদ্ধবিরতি এবং সমঝোতা স্মারক অর্জনে পাকিস্তানের এই সক্রিয় সমর্থন কেবল দুই দেশের মধ্যকার ঐতিহাসিক ভ্রাতৃত্বপূর্ণ সম্পর্ককেই মজবুত করে না, বরং বৃহত্তর আঞ্চলিক স্থিতিশীলতা প্রতিষ্ঠায় পাকিস্তানের দায়বদ্ধতাও তুলে ধরে বিশেষ করে মধ্যপ্রাচ্য ও এর সংলগ্ন অঞ্চলে চলমান অস্থিরতার প্রেক্ষাপটে পাকিস্তানের এই ধরনের আশ্বাস এবং মধ্যস্থতার প্রস্তাব একটি ইতিবাচক বার্তা বহন করে এটি আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলে পাকিস্তানের ভাবমূর্তিকে আরও উজ্জ্বল করবে এবং অন্যান্য আঞ্চলিক সংকট নিরসনে তাদের ভূমিকা রাখার সুযোগ তৈরি করবে, যা সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্যের শান্তি ও নিরাপত্তায় নতুন মাত্রা যোগ করতে পারে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]

Daha fazla göster

 0 Yorumlar sort   Göre sırala


Bir sonraki