দিল্লি উত্তাল: সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের ব্যারিকেড ভাঙা মিছিল, পুলিশের হামলা..
দিল্লি উত্তাল: সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের ব্যারিকেড ভাঙা মিছিল, পুলিশের হামলা..
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে এক নজিরবিহীন ছাত্রবিক্ষোভে উত্তাল হয়ে উঠেছে শহর ‘সংসদ চলো মার্চ’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে বিপুল সংখ্যক শিক্ষার্থী সংসদ ভবন অভিমুখে যাত্রা শুরু করলে পুলিশের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ বেঁধে যায় প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, শিক্ষার্থীদের এই জনস্রোতকে আটকাতে পুলিশ ব্যারিকেড দিয়ে পথ আটকে রাখলেও, শিক্ষার্থীরা তা ভেঙে সামনে এগিয়ে যেতে থাকে নিজেদের দাবি-দাওয়া নিয়ে সরাসরি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করাই ছিল এই বিক্ষোভের মূল উদ্দেশ্য, যা দ্রুতই এক সংঘাতে রূপ নেয় বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করতে দিল্লি পুলিশ কঠোর অবস্থান নেয় ভিডিও ফুটেজ ও প্রত্যক্ষদর্শীদের বিবরণ অনুযায়ী, পুলিশ শিক্ষার্থীদের ওপর নির্বিচারে লাঠিপেটা করে এবং টিয়ার গ্যাসের শেল নিক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশকে বেশ বেগ পেতে হয় কিন্তু পুলিশের এই কড়া পদক্ষেপ সত্ত্বেও শিক্ষার্থীরা বিন্দুমাত্র দমে না গিয়ে তাদের মার্চ অব্যাহত রাখে তারা একের পর এক ব্যারিকেড ভেঙে সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হতে থাকে, যা পরিস্থিতিকে আরও অগ্নিগর্ভ করে তোলে শিক্ষার্থীরা স্লোগান দিতে দিতে সামনে এগোচ্ছিল এবং পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে নিজেদের গণতান্ত্রিক অধিকার প্রয়োগের চেষ্টা করছিল পুরো এলাকা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়, যেখানে ধোঁয়া ও চিৎকারের শব্দে আকাশ-বাতাস ভারী হয়ে ওঠে সংসদ অভিমুখে শিক্ষার্থীদের এই দৃঢ় পদযাত্রা এবং পুলিশের সাথে তাদের ব্যাপক সংঘর্ষ ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনে গভীর প্রভাব ফেলবে বলে বিশ্লেষকরা মনে করছেন একটি গণতান্ত্রিক দেশে শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদকে এভাবে দমন করার চেষ্টা জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি করতে পারে এটি কেবল একটি নির্দিষ্ট দাবির আন্দোলন না হয়ে, প্রতিবাদ করার অধিকার এবং সরকারের দমনমূলক নীতির বিরুদ্ধে বৃহত্তর প্রতিবাদের প্রতীক হয়ে উঠেছে এই ঘটনা ভারতের ভবিষ্যৎ ছাত্র আন্দোলন এবং সরকারের সাথে তাদের সম্পর্কের ওপর সুদূরপ্রসারী প্রভাব ফেলবে বলে ধারণা করা হচ্ছে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে পুলিশের কঠোর পদক্ষেপ একদিকে যেমন সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছে, তেমনি শিক্ষার্থীদের অদম্য মনোবল দেশের তরুণ প্রজন্মের শক্তিকে নতুন করে জানান দিয়েছে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এই ধরনের পরিস্থিতি সরকারের জন্য একটি বড় চ্যালেঞ্জ এবং এটি আগামী দিনগুলোতে আরও বড় সংঘাতের জন্ম দিতে পারে [সৌজন্যে: @thenewspinch (𝕏 (Twitter))]