- राष्ट्रीय
- राजनीति
- अंतर्राष्ट्रीय
- अपराध
- कानून-कोर्ट
- मनोरंजन
- धर्म और शिक्षा
- ज़िला समाचार
- विशेष
- खेल समाचार
- कृषि-अर्थव्यवस्था और व्यापार
- साक्षात्कार
- Ramadan
- Documentary
- Health & Beauty
- Earn Money Online
- Kids
- Tech Review
- Book Review
- History
- Tour and Travel
- Stock Market
- Bangladesh
- Stock Video Footage
- Podcast
- Fact Checking
- Campus
- अन्य
ভারতের গণতন্ত্রে রাজপথই মূল: বাংলাদেশকে টেনে ভোটের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার হুঁশিয়ারি..
ভারতের গণতন্ত্রে ভোট নয়, রাজপথই মূল নির্ধারক শক্তি—এমন এক চাঞ্চল্যকর মন্তব্য করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছেন ঋষি বাগরী নামের এক ব্যক্তি তার এই মন্তব্যে শুধু ভারতের রাজনৈতিক অঙ্গনেই নয়, আঞ্চলিক ভূ-রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মধ্যেও আলোচনা শুরু হয়েছে ঋষি বাগরী সরাসরি বলেছেন, "ভোটাররা ভারতের গণতন্ত্রের সিদ্ধান্ত নেবে না, নেবে রাজপথ নির্বাচন দিয়ে নয়, প্রতিরোধ দিয়েই (গণতন্ত্রের পথ নির্ধারিত হবে)" আরও গুরুতর বিষয় হলো, তিনি তার এই বক্তব্যের সপক্ষে বাংলাদেশ ও নেপালের উদাহরণ টেনে বলেছেন, "ঠিক যেমন বাংলাদেশ ও নেপালে হয়েছে, তারা আপনাদের ভোটের ক্ষমতা কেড়ে নিতে আসছে" এই মন্তব্য ভারতের গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ভিত্তি নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি প্রতিবেশী দেশগুলোকে নিয়ে একটি স্পর্শকাতর তুলনা টেনেছে, যা বিভিন্ন মহলে তীব্র প্রতিক্রিয়া সৃষ্টি করেছে এই মন্তব্য ভারতের মতো বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে পরিচিত একটি দেশের জন্য অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ যেখানে নিয়মিত নির্বাচনের মাধ্যমে সরকার গঠিত হয় এবং জনগণ তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগের মাধ্যমে তাদের প্রতিনিধি নির্বাচন করে ঋষি বাগরীর এই বক্তব্য সরাসরি নির্বাচনের সার্বভৌমত্বকে চ্যালেঞ্জ করে রাজপথের আন্দোলন এবং প্রতিরোধকে গণতন্ত্রের মূল চালিকাশক্তি হিসেবে তুলে ধরছে গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়ায়, নির্বাচনের মাধ্যমে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতার পালাবদলকে অপরিহার্য বলে মনে করা হয় সেখানে 'ভোটের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়া' এবং 'প্রতিরোধের মাধ্যমে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা'র মতো উক্তি জনমনে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করতে পারে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানের প্রতি আস্থাহীনতা বাড়াতে পারে বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা মনে করছেন বিশেষত বাংলাদেশের নাম টেনে এনে এমন তুলনা করা অত্যন্ত সংবেদনশীল বাংলাদেশের গণতন্ত্র দীর্ঘদিন ধরেই বিভিন্ন চ্যালেঞ্জের মুখে পড়েছে এবং নির্বাচন প্রক্রিয়া ও রাজনৈতিক স্থিতিশীলতা নিয়ে আন্তর্জাতিক মহলে প্রায়শই আলোচনা হয় এমন পরিস্থিতিতে ভারতের কোনো গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তি কর্তৃক বাংলাদেশকে উদাহরণ হিসেবে টেনে 'ভোটের ক্ষমতা কেড়ে নেওয়ার' মতো বিষয় উল্লেখ করা কূটনৈতিক এবং অভ্যন্তরীণ উভয় দিক থেকেই গুরুতর বার্তা বহন করে এর ফলে বাংলাদেশের গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া নিয়ে একপেশে বা নেতিবাচক ধারণার বিস্তার ঘটতে পারে, যা দেশের ভাবমূর্তির জন্য ক্ষতিকর একইভাবে নেপালের ক্ষেত্রেও একই ধরনের তুলনা টানা হয়েছে, যেখানে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং রাজপথের আন্দোলন সরকার পরিবর্তনে ভূমিকা রেখেছে তবে ভারতের মতো একটি স্থিতিশীল গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রের প্রেক্ষাপটে এমন মন্তব্য দেশের অভ্যন্তরে রাজনৈতিক অস্থিরতা বা গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের অবক্ষয়ের ইঙ্গিত দেয় কি না, সে প্রশ্নও উঠছে এই ধরনের মন্তব্য গণতন্ত্রের মৌলিক কাঠামোকেই প্রশ্নবিদ্ধ করে একটি গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় জনগণের ভোটাধিকার এবং অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনের মাধ্যমেই সরকারের বৈধতা নির্ধারিত হয় যদি রাজপথ বা প্রতিরোধের মাধ্যমে সেই বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ করা হয়, তবে তা দেশের আইনশৃঙ্খলার অবনতি ঘটাতে পারে এবং গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে দুর্বল করে দিতে পারে ঋষি বাগরীর এই বক্তব্য আঞ্চলিক রাজনীতি এবং গণতান্ত্রিক মূল্যবোধের ওপর এর সম্ভাব্য প্রভাব নিয়ে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে, যেখানে প্রতিবেশী দেশগুলোর গণতান্ত্রিক যাত্রার প্রেক্ষাপটকে ব্যবহার করে ভারতের অভ্যন্তরীণ গণতান্ত্রিক চর্চা নিয়ে প্রশ্ন তোলা হচ্ছে বিষয়টি কেবল ভারত নয়, বরং সামগ্রিকভাবে দক্ষিণ এশিয়ার গণতান্ত্রিক ভবিষ্যতের জন্য গভীর চিন্তার উদ্রেক করছে [সৌজন্যে: @rishibagree (𝕏 (Twitter))]