⁣⁣আমতলীতে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার, জামাতা পলাতক

Bir sonraki

⁣⁣আমতলীতে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার, জামাতা পলাতক

5 Views· 03/11/26
MD .KHALED MOSHARRAF SHOHEL
0
İçinde İlçe Haberleri

⁣⁣আমতলীতে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রী গ্রেপ্তার, জামাতা পলাতক
মোঃ খালেদ মোশাররফ, জেলা প্রতিনিধি,বরগুনা।।
বরগুনার আমতলীতে অভিযান চালিয়ে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবাসহ স্বামী-স্ত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে জেলা গোয়েন্দা পুলিশ (ডিবি)। এ সময় তাঁদের জামাতা মো. সবুজ মৃধা পালিয়ে গেছেন বলে জানিয়েছে পুলিশ।
সোমবার (২ নভেম্বর) দিবাগত রাত সাড়ে ১২টার দিকে উপজেলার কুকুয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের পূর্ব চুনাখালী এলাকায় একটি বাড়িতে অভিযান চালিয়ে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়। গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন মোসা. কহিনুর (৪০) ও তাঁর স্বামী মো. সেলিম প্যাদা (৫৫)।
বরগুনা জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) ভাষ্য, জেলা পুলিশ সুপার মো. কুদরত-ই-খুদা, পিপিএম-সেবার নির্দেশনায় মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানের অংশ হিসেবে এসআই বিকাশ কর্মকারের নেতৃত্বে ডিবির একটি দল গোপন সংবাদের ভিত্তিতে ওই বাড়িতে অভিযান চালায়। পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালানোর চেষ্টা করলে কহিনুর ও সেলিম প্যাদাকে আটক করা হয়। এ সময় তাঁদের জামাতা সবুজ মৃধা পালিয়ে যান।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, স্থানীয় সাক্ষীদের উপস্থিতিতে কহিনুরকে তল্লাশি করে তাঁর পরনের কাপড়ের ভেতর থেকে ২০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। পরে তাঁর দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে বাড়ির রান্নাঘরে লুকিয়ে রাখা একটি প্লাস্টিকের ব্যাগ থেকে আরও ৪ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়। সব মিলিয়ে ৪ হাজার ৭০০ পিস ইয়াবা জব্দ করা হয়েছে। উদ্ধার করা ইয়াবার আনুমানিক বাজারমূল্য ১৪ লাখ ১০ হাজার টাকা বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ছাড়া ইয়াবা বহন ও মোড়কজাতকরণে ব্যবহৃত ব্যাগ, কসটেপ ও অন্যান্য সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।
ডিবি পুলিশের দাবি, প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা গেছে, পলাতক সবুজ মৃধা বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকারি দামে ইয়াবা সংগ্রহ করে শ্বশুর-শাশুড়ির বাড়িতে রাখতেন। পরে অটোরিকশাযোগে বিভিন্ন এলাকায় পাইকারি ও খুচরা বিক্রি করতেন।
আমতলী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ওসি ইয়াকুব হোসাইন জানান, এ ঘটনায় গ্রেপ্তার দুজন ও পলাতক সবুজ মৃধার বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন, ২০১৮ অনুযায়ী আমতলী থানায় মামলা দায়েরের করা হয়েছে। পলাতক আসামিকে গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেপ্তার দুজনকে আদালত পাঠানো হয়েছে।
আদালত তাদের জামিন না মঞ্জুর করে জেল হাজতে প্রেরণ করেছে।

Daha fazla göster

 0 Yorumlar sort   Göre sırala


Bir sonraki