Juwel Hossain | আই নিউজ বিডি | বাংলাদেশ ও বিশ্বের সর্বশেষ সংবাদ ও ভিডিও

   ভিডিও পছন্দ হয়েছে

Juwel Hossain
36 ভিউ · 7 মাস আগে

তেহরান, ইরান — মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতির অন্যতম প্রধান স্থপতি, সাম্রাজ্যবাদবিরোধী সংগ্রামের জীবন্ত কিংবদন্তি এবং ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আল-উযমা সাইয়্যেদ আলী খামেনি শাহাদাত বরণ করেছেন। তার এই মহাপ্রয়াণ কেবল ইরানের অভ্যন্তরীণ রাজনীতিতে নয়, বরং সমগ্র মুসলিম বিশ্ব এবং বিশ্ব-রাজনীতির সমীকরণে এক বিশাল শূন্যতা তৈরি করেছে।

১৯৩৯ সালে মাশহাদে জন্ম নেওয়া এই মহান নেতা ইমাম খোমেনীর (রহ.) যোগ্য উত্তরসূরি হিসেবে ১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের হাল ধরেছিলেন। দীর্ঘ তিন দশকেরও বেশি সময় ধরে তিনি পশ্চিমা বিশ্বের নজিরবিহীন অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা ও সামরিক হুমকির মুখেও ইরানকে এক চুল নড়াতে দেননি। তার নেতৃত্বে ইরান মধ্যপ্রাচ্যের একটি সাধারণ রাষ্ট্র থেকে সামরিক ও বৈজ্ঞানিক শক্তিতে রূপান্তরিত হয়েছে।

আয়াতুল্লাহ খামেনির জীবনের অন্যতম প্রধান ব্রত ছিল ফিলিস্তিনের মুক্তি। তিনি ‘প্রতিরোধের অক্ষ’ (Axis of Resistance)-কে এমন এক উচ্চতায় নিয়ে গেছেন, যেখানে হিজবুল্লাহ, হামাস এবং অন্যান্য মুক্তিগামী সংগঠনগুলো আজ ইসরায়েল ও পশ্চিমা আধিপত্যের সামনে প্রধান চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, খামেনির শাহাদাত এই প্রতিরোধ যোদ্ধাদের মধ্যে শোক নয়, বরং প্রতিশোধের এক নতুন আগ্নেয়গিরি তৈরি করবে।

"শাহাদাত কোনো পরাজয় নয়, বরং এটি বিজয়ের চূড়ান্ত সোপান।" — খামেনির জীবন দর্শনের এই মূলমন্ত্রই এখন ইরানি তরুণদের প্রধান অনুপ্রেরণা।

তার শাসনামলেই ইরান ড্রোন প্রযুক্তি, ব্যালিস্টিক মিসাইল এবং ন্যানো-টেকনোলজিতে বিশ্বের প্রথম সারির দেশগুলোর তালিকায় নাম লিখিয়েছে। তিনি সবসময় তরুণ বিজ্ঞানীদের উৎসাহিত করতেন এবং বলতেন, "আমাদের নিজেদের পায়ে দাঁড়াতে হবে।" তার শাহাদাতের পর এখন দেখার বিষয় ইরান কীভাবে তার রেখে যাওয়া এই শক্তিশালী ভিত্তি ধরে রাখে।

আয়াতুল্লাহ খামেনি চলে গেছেন, কিন্তু তিনি রেখে গেছেন একটি সুসংগঠিত রাষ্ট্রব্যবস্থা এবং একটি আপসহীন আদর্শ। তার শাহাদাত ইরানকে দুর্বল করার পরিবর্তে জাতীয় ঐক্যের এক অভূতপূর্ব জোয়ার সৃষ্টি করেছে। তেহরানের রাস্তায় উপচে পড়া মানুষের ভিড় আজ বিশ্বকে এই বার্তাই দিচ্ছে—ব্যক্তির মৃত্যু হতে পারে, কিন্তু চেতনার মৃত্যু নেই।

Juwel Hossain
40 ভিউ · 9 মাস আগে

⁣⁣নবীজির হাদিস বিকৃত করে জামায়াত অপপ্রচার চালাচ্ছে- বিএনপি নেতা মঞ্জুর শিকদার
.
#bnp | #belkuchi | #jamaat | #enayetpur

Juwel Hossain
35 ভিউ · 9 মাস আগে

⁣পবিত্র কোরআন শরীফের সম্মানে হিফজুল কুরআনে প্রথম রাহিমুলকে চেম্বারের সংবর্ধনা- সাইদুর রহমান বাচ্চু
.
#রাহিমুল | #কোরআন | #বাচ্চু

Juwel Hossain
36 ভিউ · 10 মাস আগে

⁣পরিবার ছাড়া সেই শিশু আজ যেভাবে দেশের শীর্ষ নেতৃত্বে | #আই_নিউজ_বিডি .
#tariquerahman | #bnp | #begumzia

Juwel Hossain
24 ভিউ · 10 মাস আগে

⁣তারেক রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন নতুন দিগন্তের উন্মোচন হবে- সাইদুর রহমান বাচ্চু
.
#tarique_rahman | #bnp | #bachchu

Juwel Hossain
8 ভিউ · 10 মাস আগে

⁣সিরাজগঞ্জ চেম্বারের দ্বি-বার্ষিক নির্বাচনে চলছে ভোট গণনা
.
#sirajgonj | #chamber | #nirbachon

Nazrul Islam Zaki
39 ভিউ · 12 মাস আগে

⁣বৃহস্পতিবার (৩০ অক্টোবর) দুপুর ১ ঘটিকার দিকে উপজেলার সুঘাট ইউনিয়নের গোয়ালজানী গ্রামের রামাইডাঙ্গা বিল থেকে পুলিশ লাশটি উদ্ধার করে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সকাল ১০টার দিকে সুঘাট ইউনিয়নের গোয়ালজানী গ্রামের সাবা (৮) নামের এক শিশু তার বন্ধুদের সঙ্গে বাড়ির পাশে একটি জলাপাই গাছ থেকে জলাপাই পাড়তে গিয়ে বিলে লাশটি দেখতে পায়। পরে চিৎকার দিলে আশপাশের লোকজন ছুটে আসে এবং বিষয়টি পুলিশকে জানায়।

Rakibul Islam
29 ভিউ · 12 মাস আগে

ধানের শীষে ভোট মানে গণতন্ত্রের পক্ষে সিদ্ধান্ত— মির্জা মোস্তফা জামান
.
#mirzamostofa | #bnp | #sirajganj

Juwel Hossain
544 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলার সয়দাবাদ ইউনিয়নের চর সারটিয়া গ্রামে এক নারীর উপর নৃশংস হামলার ঘটনাকে কেন্দ্র করে নানা প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে। শুক্রবার (৫ সেপ্টেম্বর) দুপুরে ঘটে যাওয়া এ হামলার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে আলোচনার ঝড় ওঠে।

ভুক্তভোগী নারী মোছা. জান্নাতী খাতুন (৩৮), স্থানীয় শাকিল তালুকদারের স্ত্রী। তিনি দাবি করেছেন, জমি ও টিন বদলানোকে কেন্দ্র করে গ্রামের কয়েকজন যুবক তাকে প্রকাশ্যে মারধর করেছে। তবে তদন্তে জানা যাচ্ছে, এ ঘটনার পেছনে জমির বিরোধ, প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতার নাম এবং স্থানীয় সামাজিক দ্বন্দ্ব—সবকিছুই জড়িয়ে আছে।

ভুক্তভোগীর পরিবার অভিযোগ করেছে, নাঈম, অন্তর ও তাদের সহযোগীরা টিনের বেড়া ভেঙে প্রায় ১০ হাজার টাকার ক্ষতি করেছে এবং বাঁধা দিতে গেলে জান্নাতীকে বেধড়ক পেটায়। [তদন্তের পর জানা গেছে প্রায় ৩০ হাজার টাকার ক্ষয় ক্ষতি হয়েছে।]

অভিযুক্ত আলাউদ্দীন বলছেন ভিন্ন কথা। তার সাথে কথা বলে জানা যায়, “জমির কাগজপত্র এখনো ঠিক হয়নি। এরই মধ্যে জায়গা বিক্রির বায়না নিয়ে একই পরিবারের মধ্যে বিরোধ তৈরি হয়েছে। সেখান থেকেই এ ঘটনার সূত্রপাত।”

অর্থাৎ, ঘটনাটি হয়তো সরল পারিবারিক/জমিজটিলতা নয়; এর ভেতরে লুকিয়ে আছে অন্য কোনো স্বার্থ।

ভুক্তভোগী জান্নাতী স্বজনরা অভিযোগ করেছেন, এ হামলার নেপথ্যে রয়েছেন স্থানীয় প্রভাবশালী শাহাদত হোসেন বাচ্চু। তিনি শুধু কলেজের শিক্ষকই নন, একইসাথে যমুনা ডিগ্রী কলেজের সভাপতি এবং গত ৫ আগস্টের পর বিএনপির সক্রিয় নেতা দাবী করেন তিনি। জান্নাতীর স্বজনদের দাবি, তার নির্দেশেই নাঈম-অন্তররা হামলায় অংশ নেয়।

তবে বাচ্চু এ অভিযোগ দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করে বলেন, “এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা এবং বানোয়াট। আমাকে ফাঁসানোর জন্য ভিত্তিহীন অভিযোগ আনা হয়েছে।”

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা গেছে, নাঈম-অন্তর ও তাদের সহযোগীরা লাঠি নিয়ে জান্নাতীর ঘরের দিকে যায়। সেখানে বাঁধা দিলে জান্নাতীকে টেনে-হিঁচড়ে বেধড়ক মারধর করা হয়। ভিডিওর এ দৃশ্যই ঘটনার ভয়াবহতা নিশ্চিত করছে।

সদর থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) পুতিন বলেন, “ভুক্তভোগী থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। তদন্তে হামলার প্রমাণ মিলেছে। ওসি স্যারের সঙ্গে আলোচনা করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

তবে তদন্ত কতটা নিরপেক্ষ হবে—সেটাই এখন মূল প্রশ্ন। কারণ ঘটনায় প্রভাবশালীর নাম জড়িয়ে যাওয়ায় স্থানীয়দের মধ্যে শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

চর সারটিয়ার এই হামলার ঘটনাকে ঘিরে প্রশ্ন এখন একটাই—এটা কি কেবল জমিজটিলতা থেকে সৃষ্ট একটি মারপিট, নাকি এর আড়ালে প্রভাবশালী মহলের নির্দেশ ও রাজনৈতিক প্রভাব কাজ করছে?

আইনের সঠিক প্রয়োগ না হলে এ ধরনের ঘটনা শুধু সামাজিক অস্থিরতাই বাড়াবে না, বরং গ্রামের সাধারণ মানুষের মধ্যে ভয় এবং অবিশ্বাস আরও গভীর করবে।

Juwel Hossain
21 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣জনগণের আস্থা আমাদের রাজপথের শক্তি- জামায়াত সেক্রেটারী জাহিদুল ইসলাম
.
#jamaat_e_islami | #zahidul | #secretary

Nazrul Islam Zaki
47 ভিউ · 1 বছর আগে

বগুড়ার শেরপুরের ভবানীপুর বাজারের সরকারী খাস জায়গার সব দোকান ভাংলেও বহাল তবিয়তে দাঁড়িয়ে আছে জামায়াত ইসলামীর অফিন

Juwel Hossain
19 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣বগুড়া- ৫ (শেরপুর-ধুনট) আসন থেকে আমাকেই মনোনয়ন দেওয়া হবে- বিএনপি নেতা মাহবুবার রহমান

Juwel Hossain
51 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣প্রতীক পেয়ে নির্বাচিত হলে ৫ বছর মানুষের চাকরগিরি করে যাবো- বিএনপি নেতা ভিপি আয়নুল হক

Rakibul Islam
31 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣মা*ম*লা থাকলেও গ্রে*ফ*তা*র করছে না পুলিশ- শ্রমিকদল নেতা বাবু

Md Hamidul Islam
28 ভিউ · 1 বছর আগে

✅✅✅প্রেমে প্রতারণার শিকার হয়ে আত্মহত্যা করেছে পটুয়াখালীর গলাচিপার আমরান। এ ঘটনায় সংবাদ সম্মেলন করে আমরানের মা ন্যায়বিচার ও সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে টিসি প্রদানের দাবি জানিয়েছেন।
Amran from Patuakhali in Galachipa committed suicide after alleged betrayal in love. In a press conference, his mother demanded justice and issuance of Transfer Certificate (TC) from the concerned institution.

Md Abu Rayhan
69 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣হোমনায় পূর্ব শত্রুতার জেরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি

নিজস্ব প্রতিবেদক এর তথ্য ও ভিডিও চিত্রে বিস্তারিত

কুমিল্লার হোমনায় পূর্ব শত্রুতার জের ধরে প্রবাসীর বাড়িতে হামলা ও ভাংচুরের অভিযোগ উঠেছে একই গ্রামের প্রতিবেশিদের বিরুদ্ধে।

গত ১৮ আগস্ট ২০২৫ সোমবার দুপুরে উপজেলার দুলালপুর ইউনিয়নের জয়নগর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস পুলিশের।

এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, প্রবাসী আক্তার হোসেন এর সাথে বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে একই গ্রামের মৃত আব্দুল খালেক এর পুত্র আমজাদ, সাবেক ইউপি সদস্য হাসান, মৃত রেহমান মিয়ার পুত্র আব্দুল মতিন, মৃত গফুর মিয়ার পুত্র অদুদ মিয়া, নুরু মিয়ার পুত্র প্রিন্সের সাথে অনেক দিন ধরে শত্রুতা চলিয়া আসিতেছে। সেই শত্রুতার জের ধরে ঘটনার দিন দুপুর আনুমানিক ১.৩০ মিনিটের দিকে দেশিয় ধারালো অস্ত্র দা, ছুরি, লোহার রড, হকিস্টিক, লাঠিসোটা ইত্যাদি নিয়ে অর্তকিত ভাবে আক্তার মিয়ার বসত বাড়িতে হামলা চালায়। এবং তাদের মারধর করলে চিৎকার চেচামেচি শুনে এলাকাবাসী ও আশেপাশের লোকজন ছুটে আসলে প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে চলে যায়।

এসময় হামলাকারীরা বিল্ডিংয়ের থাইগ্লাস ভাঙ্গিয়া ৭ হাজার টাকা এবং ঘরে ডুকে স্ট্রীলের আলমারীর তালা ভেঙ্গে ড্রয়ার থেকে ৯০ হাজার টাকা ও সোকেসের ড্রয়ার ভেঙ্গে এবং অন্যান্য আসবাবপত্র ভাংচুর ও লুটপাট করিয়া আনুমানিক ৩০ হাজার টাকাসহ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি সাধন করেন। এ বিষয়ে আক্তার এর স্ত্রী রাশিদা বাদী হয়ে ওই দিনই থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেন।

মামলার বাদী রাশিদা বলেন, বিভিন্ন সামাজিক বিষয় নিয়ে মৃত আব্দুল খালেক এর পুত্র আমজাদ, সাবেক ইউপি সদস্য হাসান, মৃত রেহমান মিয়ার পুত্র আব্দুল মতিন, মৃত গফুর মিয়ার পুত্র অদুদ মিয়া, নুরু মিয়ার পুত্র প্রিন্সের সাথে আমাদের দীর্ঘদিন ধরে শত্রুতা ও ঝগড়া বিবাদ চলে আসছে। সেই শত্রুতার জের ধরে ঘটনার দিন দুপুরে আমাদের বাড়িতে অর্তকিত হামলা চালায় তারা। এবং ঘরে ডুকে ভাংচুর ও নগদ অর্থসহ লুটপাট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেন। আমাদের ডাক চিৎকারে প্রতিবেশি নজু মিয়ার স্ত্রী শারমিন, মানিক মিয়ার স্ত্রী সুজনা, কাশেম এর পুত্র মজিবর, সফিকুল ইসলাম সাফির পুত্র মিজানুর রহমান মির্জা, মৃত মুনছর আলীর পুত্র আরফত আলীসহ আরও লোকজন এগিয়ে আসলে তারা প্রাণে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে চলে যায়। এখন জীবনের নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছি। প্রশাসনের নিকট আমরা এর সঠিক বিচার চাই।

আক্তার মিয়া বলেন, পূর্ব শত্রুতার জের ধরে ঘটনার দিন দুপুরে তারা আমার বাড়িতে অর্তকিত হামলা চালায়। এবং ঘরে ডুকে ভাংচুর ও নগদ অর্থসহ লুটপাট করে লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি করেন। আমি এর সঠিক বিচার ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবী জানাই।

Nazrul Islam Zaki
96 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣বগুড়ার শেরপুরের ভবানীপুর ইউনিয়নে ছোনকা গ্রামে সম্ভ্রান্ত পরিবারে জন্ম। সে দীঘ4র্6দিন চরমোনাই আন্দোলন ভবানীপুর ইউনিয়ন শাখার সাধারণ সম্পাদক ছিলেন। বত4র্6মানে সে বগুড়া জেলা জাতিীয়তাবাদী সাইবার দলের সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক । তিনি ভিন্ন দলের নেতা হয়ে বিভিন্ন সময়ে বিএনপির সিনিয়র নেতাদের নিয়ে বাজে কমেন্ট করে যাচ্ছেন। বিএনপির নীতিনিধ4র্6ারকগণ জরুরীভাবে পদক্ষেপ না নিলে আসন্ন জাতীয় সংসদ নিব4র্6াচনে ভোটারদের উপর প্রভাব বিস্তার করবে ।

Rakibul Islam
17 ভিউ · 1 বছর আগে

দেশ পরিচালনায় নাগরিকের ভাবনা, শান্তি চায় সাধারণ মানুষ

Juwel Hossain
38 ভিউ · 1 বছর আগে

⁣বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি) প্রতিষ্ঠার শুরু থেকেই বগুড়ার রাজনীতিতে ত্যাগী নেতাদের অবদান গুরুত্বপূর্ণ। এরই ধারাবাহিকতায় শেরপুর-ধুনটের রাজনৈতিক অঙ্গনে দীর্ঘ চার দশকের বেশি সময় ধরে আলোচিত ও গ্রহণযোগ্য এক নাম— জানে আলম খোকা।

মরহুম গাজিউর রহমানের জ্যেষ্ঠ সন্তান খোকা ছাত্রদলের মাধ্যমে ১৯৮০-৮১ সালে রাজনীতিতে প্রবেশ করেন। অল্প সময়েই সাংগঠনিক দক্ষতা, কর্মীদের প্রতি আন্তরিকতা ও জনগণের আস্থার জায়গা দখল করে নেন তিনি। দল গঠন, কর্মী ধরে রাখা এবং তৃণমূলকে ঐক্যবদ্ধ করার ক্ষেত্রে তার ভূমিকা ছিলো অনন্য।

১৯৯১ সালে শেরপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি নির্বাচিত হওয়ার পর থেকেই শেরপুর-ধুনটে তার জনপ্রিয়তা অন্য এক উচ্চতায় পৌঁছে যায়। তখন প্রচলিত একটি কথা ছিল— “শেরপুরের বিএনপি মানেই খোকা, আর খোকা মানেই বিএনপি।” তার আহ্বানে হাজারো নেতাকর্মী মাঠে নেমে আসতেন। দুঃসময়ে তিনি যেমন ছিলেন সবার পাশে, তেমনি বিজয়ের সময়ও ছিলেন অগ্রভাগে।

২০০১ সালে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে জাতীয় নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা থেকে শুরু করে ২০০৮ সালে বগুড়া-৫ আসনে বিএনপির প্রার্থী হওয়া— সর্বত্রই খোকা প্রমাণ করেছেন তিনি ভোটারদের আস্থার প্রতীক। পৌরসভা নির্বাচনে একাধিকবার জয়লাভও তার জনপ্রিয়তার স্বাক্ষর বহন করে।

তবে রাজনৈতিক জীবনে বারবার বহিষ্কারের মুখোমুখি হয়েছেন খোকা। সর্বশেষ ২০২১ সালের পৌরসভা নির্বাচনে কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করে প্রার্থী হওয়ায় তাকে বহিষ্কার করা হয়। কিন্তু বহিষ্কারের গ্লানি তার জনপ্রিয়তা কমাতে পারেনি। স্থানীয় নেতাকর্মীদের মতে, খোকা দলে না ফিরলে শেরপুর-ধুনটে বিএনপি অস্তিত্ব সংকটে পড়তে পারে।

সাবেক সেনা কর্মকর্তা ও শেরপুর পৌর বিএনপির সিনিয়র সহ-সভাপতি আব্দুর রাজ্জাক বলেন— “জানে আলম খোকা শেরপুর-ধুনটে মাটি ও মানুষের সাথে মিশে গেছেন। বহু ত্যাগ শিকার করে আজ তিনি জনপ্রিয়তার শীর্ষে রয়েছেন।”

শেরপুর উপজেলা কৃষকদলের আহ্বায়ক আবু সাঈদ বলেন— “খোকা ভাই আমাদের সাহসের প্রতীক। রাজনীতিক পরিবার থেকে উঠে আসা এই নেতাকে দলে ফিরিয়ে এনে মনোনয়ন দিলে বিএনপির সর্বোচ্চ অর্জন হবে এই আসনে।”

শেরপুর উপজেলা বিএনপির কার্যনির্বাহী সদস্য হাসানুল মারুফ শিমুল বলেন— “খোকা ভাই নিঃসন্দেহে তৃণমূলের আস্থাভাজন নেতা। তার জনপ্রিয়তা অনেক নেতার চেয়ে আলাদা। এজন্যই ২০০৮ সালে তার আবেদনেই বহিষ্কারাদেশ প্রত্যাহার করা হয়েছিল এবং তাকে ধানের শীষ প্রতীক দেওয়া হয়েছিল।”

যুবদল ও ছাত্রদলসহ তৃণমূল নেতাদের প্রত্যাশাও একই। তারা মনে করেন, দলে বিভাজন ভুলে খোকাকে ফিরিয়ে আনলে বিএনপি এই আসনে শক্ত অবস্থান তৈরি করতে পারবে।

নিজের রাজনৈতিক যাত্রা ও বর্তমান অবস্থান প্রসঙ্গে জানে আলম খোকা বলেন— “গ্রুপ পলিটিক্স এবং হাইব্রিড নেতাদের কোন্দলের ফাঁদে ফেলা হয়েছে আমাকে। আমি দলের কাছে বহিষ্কারের বিরুদ্ধে আবেদন করেছি। আল্লাহ ভরসা।”

তিনি আরও বলেন— “আমি শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের আদর্শে অনুপ্রাণিত হয়ে রাজনীতিতে এসেছি। মৃত্যু পর্যন্ত বিএনপির একজন সক্রিয় সৈনিক হয়ে থাকতে চাই।”

শেরপুর-ধুনুটের সাধারণ মানুষ ও তৃণমূল কর্মীরা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করেন— জানে আলম খোকাকে যদি দলে ফিরিয়ে আনা হয়, তবে তিনি শুধু বিএনপির ভোটব্যাংক পুনর্গঠিত করবেন না, বরং জাতীয় নির্বাচনে ধানের শীষের বিজয় নিশ্চিত করবেন।

বর্তমানে কেন্দ্রীয় হাইকমান্ডের সিদ্ধান্তের অপেক্ষায় আছেন তিনি। আর তৃণমূলের নেতাকর্মীরা দিন গুনছেন— কবে প্রিয় খোকা ভাই দলে ফিরবেন, হাতে তুলে নেবেন ধানের শীষ, আর শেরপুর-ধুনটের রাজনীতিতে নতুন আশার আলো জ্বালাবেন

আরো দেখুন