মার্কিন ব্যবসায়ীর অভিযোগ: সন্তানসহ বাংলাদেশি স্ত্রীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

Avanti il prossimo

মার্কিন ব্যবসায়ীর অভিযোগ: সন্তানসহ বাংলাদেশি স্ত্রীর যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন

0 Views· 27/07/26
In

বিবরণী: মার্কিন নাগরিক ও ব্যবসায়ী গ্যারিসন লুতেল তার বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত স্ত্রীর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ এনেছেন লুতেল দাবি করেছেন, তার স্ত্রী ফারহানা করিম ২০২২ সালের জুনে গর্ভবতী অবস্থায় বাংলাদেশে আসেন এবং এরপর থেকে তিনি তার সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দিয়েছেন একইসাথে লুতেল অভিযোগ করেন, ফারহানা তাকে তাদের সন্তানদের সঙ্গেও দেখা করতে দিচ্ছেন না এই ঘটনা যুক্তরাষ্ট্র ও বাংলাদেশের মধ্যে একটি আন্তর্জাতিক পারিবারিক বিবাদ এবং সন্তানদের অধিকার নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তৈরি করেছে, যা জনমনে উদ্বেগ সৃষ্টি করেছে গ্যারিসন লুতেলের অভিযোগ অনুযায়ী, তার স্ত্রী ফারহানা করিম ২০২২ সালের জুন মাসে বাংলাদেশে আসার সময় বলেছিলেন যে তিনি পরিবারের সঙ্গে কিছু সময় কাটাতে চান সেই সময় ফারহানা ছিলেন গর্ভবতী বাংলাদেশে আসার পর থেকেই ফারহানা তার স্বামী লুতেলের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বন্ধ করে দেন এমনকি, তাদের যে সন্তান রয়েছে, তাদের সঙ্গেও লুতেলকে দেখা করার অনুমতি দিতে ফারহানা অস্বীকার করছেন বলে অভিযোগ করেছেন মার্কিন এই ব্যবসায়ী একজন মার্কিন নাগরিক হিসেবে লুতেল তার স্ত্রী ও সন্তানদের সঙ্গে যোগাযোগ করতে না পেরে গভীর উদ্বেগ ও হতাশা প্রকাশ করেছেন তিনি দাবি করেছেন, তার স্ত্রীর এই পদক্ষেপ তাকে মানসিকভাবে বিপর্যস্ত করে তুলেছে এবং সন্তানদের ভবিষ্যৎ নিয়েও তিনি অত্যন্ত চিন্তিত লুতেল তার সন্তানদের সঙ্গে পুনরায় যোগাযোগ স্থাপন এবং তাদের দেখা করার অধিকার ফিরে পেতে আইনি সহায়তা চাইছেন এই ঘটনা বাংলাদেশে বসবাসরত বিদেশি নাগরিকদের পারিবারিক জটিলতা এবং আন্তর্জাতিক আইন সংক্রান্ত দিকগুলো সামনে নিয়ে এসেছে বিদেশি কোনো নাগরিকের বাংলাদেশি স্ত্রীর বিরুদ্ধে এমন গুরুতর অভিযোগের ক্ষেত্রে দেশের প্রচলিত আইনানুগ ব্যবস্থা এবং বিচারপ্রক্রিয়া কী হবে, তা নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে লুতেল এই বিষয়ে দ্রুত আইনগত প্রতিকার চেয়েছেন এবং বাংলাদেশ সরকারের সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন পারিবারিক কলহের জের ধরে সন্তানদের সঙ্গে বাবার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে দেওয়ার এই ঘটনা সমাজে পারিবারিক বন্ধন, বাবা-মায়ের অধিকার এবং আন্তর্জাতিক বিবাহ সম্পর্ক বিষয়ক বিতর্কের জন্ম দিয়েছে স্থানীয় প্রশাসন এবং মানবাধিকার সংস্থাগুলো এই বিষয়টি খতিয়ে দেখে একটি সুষ্ঠু সমাধানের পথ খুঁজে বের করবে বলে আশা করা হচ্ছে, যাতে সন্তানরা তাদের উভয় বাবা-মায়ের স্নেহ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং এমন পরিস্থিতিতে ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় [সৌজন্যে: @basherkella (𝕏 (Twitter))]

Mostra di più

 0 Commenti sort   Ordina per


Avanti il prossimo