স্থির বস্তু সরাতে চাই বল: যন্তর মন্তরে শিক্ষকের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা..

Susunod

স্থির বস্তু সরাতে চাই বল: যন্তর মন্তরে শিক্ষকের তাৎপর্যপূর্ণ বার্তা..

0 Views· 23/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Mga subscriber
3
Sa

নয়াদিল্লির ঐতিহাসিক যন্তর মন্তর, যা ভারতের প্রতিবাদ ও জনমতের প্রকাশস্থল হিসেবে সুবিদিত, সেখানে সম্প্রতি এক ব্যতিক্রমী ঘটনা জনমনে গভীর কৌতূহল ও আলোচনার জন্ম দিয়েছে জনসমক্ষে একজন পদার্থবিজ্ঞানের শিক্ষক নিউটনের চিরায়ত প্রথম সূত্রটি ব্যাখ্যা করে শোনান: "যদি একটি বস্তু স্থির থাকে, তবে তাকে সরাতে হলে বাহ্যিক শক্তি প্রয়োগ করা জরুরি" এই আপাতদৃষ্টিতে সরল বৈজ্ঞানিক উক্তিটি যে কেবল একটি পদার্থবিজ্ঞানের পাঠ নয়, বরং এর গভীরে প্রোথিত রয়েছে এক সুদূরপ্রসারী এবং ইঙ্গিতপূর্ণ সামাজিক বার্তা, তা দ্রুতই অনুমেয় হয়ে ওঠে কেন একজন শিক্ষক এমন একটি জনগুরুত্বপূর্ণ স্থানে বিজ্ঞানের মৌলিক সূত্রটি তুলে ধরলেন, সে প্রশ্নটিই এখন আলোচনার কেন্দ্রে নিউটনীয় বলবিদ্যার এই সূত্রটি মূলত জড়তার সূত্র নামে পরিচিত, যা ব্যাখ্যা করে যে কোনো বস্তু তার বর্তমান অবস্থা (স্থির বা সমগতি) বজায় রাখতে চায়, যতক্ষণ না তার ওপর কোনো বাহ্যিক বল প্রয়োগ করা হয় যন্তর মন্তরের মতো একটি প্রতিবাদপ্রবণ স্থানে এই সূত্রের উচ্চারণ তাৎক্ষণিকভাবেই এর রূপক অর্থকে স্পষ্ট করে তোলে এখানে 'স্থির বস্তু' বলতে স্থবির সমাজব্যবস্থা, জনদুর্ভোগ সৃষ্টিকারী দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা, বা জবাবদিহিবিহীন ক্ষমতা কাঠামোকে ইঙ্গিত করা হয়েছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা অন্যদিকে, 'বাহ্যিক শক্তি' বলতে নাগরিক আন্দোলন, গণজাগরণ, সরকারের ওপর চাপ সৃষ্টি, বা সমষ্টিগত পদক্ষেপকে বোঝানো হয়েছে, যা ছাড়া বিদ্যমান অচল অবস্থা থেকে মুক্তি অসম্ভব শিক্ষকের এই বক্তব্য কেবল একটি বৈজ্ঞানিক তত্ত্বের পুনরাবৃত্তি ছিল না, বরং তা ছিল সমাজের চলমান অচলায়তন ভাঙার এক বুদ্ধিদীপ্ত আহ্বান, যা গণআন্দোলনের চিরাচরিত ভাষাকে ছাড়িয়ে এক নতুন মাত্রা যোগ করেছে এই ঘটনাটি দেখিয়ে দিয়েছে যে, প্রতিবাদ ও বার্তা প্রকাশের ধরন কতটা সৃজনশীল ও মননশীল হতে পারে সরাসরি রাজনৈতিক স্লোগানের পরিবর্তে বিজ্ঞানের চিরন্তন সত্যকে ব্যবহার করে একটি গভীর সামাজিক বার্তা পৌঁছে দেওয়া একদিকে যেমন বুদ্ধিদীপ্ত কৌশল, তেমনি অন্যদিকে এটি জনমানসে গভীর প্রভাব ফেলছে শিক্ষকের এই বক্তব্য কেবল ভারতের রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটেই নয়, বরং বিশ্বজুড়ে যেখানেই সাধারণ মানুষের অধিকার বা সামাজিক পরিবর্তন নিয়ে প্রশ্ন উঠছে, সেখানেই এর প্রাসঙ্গিকতা খুঁজে পাওয়া যেতে পারে এটি স্মরণ করিয়ে দেয় যে, নীরবতা বা নিষ্ক্রিয়তা প্রায়শই স্থিতাবস্থাকে টিকিয়ে রাখে, এবং সত্যিকারের পরিবর্তন আনতে হলে সম্মিলিত প্রয়াস বা 'বাহ্যিক শক্তি' অপরিহার্য এই ঘটনা প্রমাণ করে যে, বিজ্ঞান শুধু পরীক্ষাগারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়, বরং এটি সামাজিক পরিবর্তনের এক শক্তিশালী হাতিয়ারও হতে পারে, যা বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবাদকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যায় [সৌজন্যে: @epiccmntstelugu (𝕏 (Twitter))]

Magpakita ng higit pa

 0 Mga komento sort   Pagbukud-bukurin Ayon


Susunod