শিক্ষা কেলেঙ্কারি: মোদির ঘোষণাকে 'হেরে যাওয়া' বললেন কেজরিওয়াল..
শিক্ষা কেলেঙ্কারি: মোদির ঘোষণাকে 'হেরে যাওয়া' বললেন কেজরিওয়াল..
ভারতে সাম্প্রতিক পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁস কেলেঙ্কারি নিয়ে দেশজুড়ে যখন তীব্র উত্তেজনা ও উদ্বেগ বিরাজ করছে, ঠিক তখনই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি এই ধরনের ঘটনা দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণা দিয়েছেন তবে এই ঘোষণা আসতেই এর তীব্র সমালোচনা করে মুখ খুলেছেন দিল্লির মুখ্যমন্ত্রী ও আম আদমি পার্টির প্রধান অরবিন্দ কেজরিওয়াল তিনি প্রধানমন্ত্রীর এই বক্তব্যকে "একজন হেরে যাওয়া, দিশাহীন, কিন্তু অহংকারী ব্যক্তির" মনোভাবের সঙ্গে তুলনা করেছেন, যা ভারতীয় রাজনীতিতে নতুন করে বিতর্কের জন্ম দিয়েছে আজ সকালে এক ভিডিও বার্তায় অরবিন্দ কেজরিওয়াল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠনের ঘোষণাকে সরাসরি চ্যালেঞ্জ করেন তিনি তীক্ষ্ণ প্রশ্ন তোলেন, "শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের কী হলো?" কেজরিওয়ালের এই প্রশ্ন মূলত পরীক্ষা কেলেঙ্কারির জন্য সরকারের উচ্চপর্যায়ের জবাবদিহিতা নিশ্চিত করার দাবিকে সামনে নিয়ে এসেছে তার মতে, যেখানে লক্ষ লক্ষ শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ নিয়ে ছিনিমিনি খেলা হয়েছে এবং গোটা শিক্ষাব্যবস্থা প্রশ্নবিদ্ধ হয়েছে, সেখানে কেবল ফাস্ট ট্র্যাক আদালত গঠন সমস্যার মূল সমাধান হতে পারে না বরং এর পেছনে যারা দায়ী, তাদের বিরুদ্ধে দৃষ্টান্তমূলক ব্যবস্থা এবং মন্ত্রিপর্যায়ে দায়বদ্ধতা নিশ্চিত করা জরুরি বলে তিনি মনে করেন কেজরিওয়ালের এই কড়া মন্তব্য এমন এক সময়ে এলো যখন ভারতের জাতীয় যোগ্যতা ও প্রবেশিকা পরীক্ষা (এনইইটি) এবং বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-জাতীয় যোগ্যতা পরীক্ষা (ইউজিসি-নেট) এর মতো গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ার ঘটনায় সারাদেশে ব্যাপক অসন্তোষ ও প্রতিবাদের ঝড় উঠেছে বিরোধী দলগুলো এই ইস্যুতে কেন্দ্রীয় সরকারের ব্যর্থতা ও শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগ দাবি করে চাপ সৃষ্টি করছে অরবিন্দ কেজরিওয়ালের মতো একজন প্রভাবশালী বিরোধী নেতার কাছ থেকে প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণাকে 'হেরে যাওয়া' এবং 'অহংকারী' আখ্যা দেওয়া নিঃসন্দেহে ক্ষমতাসীন সরকারের ওপর চাপ আরও বাড়াবে এবং শিক্ষাব্যবস্থার বিশ্বাসযোগ্যতা নিয়ে চলমান বিতর্ককে নতুন মাত্রা দেবে এই ধরনের তীব্র রাজনৈতিক আক্রমণ শুধু ভারতের ভেতরের রাজনৈতিক আলোচনাকেই নয়, আঞ্চলিক গণমাধ্যমগুলোতেও আলোচনার খোরাক জোগাচ্ছে, কারণ শিক্ষা ক্ষেত্রের এই সংকট লক্ষ লক্ষ তরুণ প্রজন্মের ভবিষ্যৎকে প্রভাবিত করছে [সৌজন্যে: @arvindkejriwal (𝕏 (Twitter))]