প্রশ্নফাঁসে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস: গণতন্ত্র নেই, প্রিয়াঙ্কার হুঙ্কার..
প্রশ্নফাঁসে শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ ধ্বংস: গণতন্ত্র নেই, প্রিয়াঙ্কার হুঙ্কার..
বিবরণী: ভারতের প্রখ্যাত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব প্রিয়াঙ্কা গান্ধী ভদ্রা সম্প্রতি সেদেশের প্রশ্নফাঁস কেলেঙ্কারি এবং শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যৎ নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন একইসঙ্গে তিনি দেশের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক পরিস্থিতি নিয়েও বিস্ফোরক মন্তব্য করেছেন একটি ভাইরাল ভিডিও বার্তায় তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, তার ব্যক্তিগত অভিজ্ঞতা বা তার দলের প্রতি যা ঘটেছে, তা গৌণ আসল বিষয়টি হলো শিক্ষার্থীদের প্রতি ঘটে যাওয়া অন্যায় এবং তাদের ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তা তিনি শিক্ষার্থীদের শান্তিপূর্ণ আন্দোলনের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন এবং তাদের কণ্ঠস্বর তুলে ধরার অঙ্গীকার করেছেন প্রিয়াঙ্কা গান্ধী জোর দিয়ে বলেন, শিক্ষার্থীরা তাদের অধিকারের দাবিতে শান্তিপূর্ণভাবে আন্দোলন করছে কিন্তু বারবার প্রশ্নফাঁসের ঘটনার মাধ্যমে তাদের শিক্ষাজীবন ও ভবিষ্যৎ ক্রমাগত ধ্বংস করে দেওয়া হচ্ছে তার মতে, প্রশ্নফাঁসের এই ঘটনাগুলো কেবল বিচ্ছিন্ন কোনো বিষয় নয়, বরং এটি দেশের শিক্ষা ব্যবস্থার পুরোপুরি ভেঙে পড়ার ইঙ্গিত দেয় তিনি আরও উল্লেখ করেন, দেশের যুবসমাজ যখন তাদের মৌলিক অধিকারের দাবিতে সরব হচ্ছে, তখন তাদের প্রতি চরম নির্মমতা ও দমন-পীড়ন চালানো হচ্ছে, যা কোনো গণতান্ত্রিক দেশের জন্য শুভকর নয় দেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে এভাবে হতাশার অন্ধকারে ঠেলে দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি অভিযোগ করেন রাজনৈতিক দমন-পীড়নের চিত্র তুলে ধরে প্রিয়াঙ্কা গান্ধী অভিযোগ করেন যে, সংসদে বিরোধী দলের নেতাদের কথা বলতে বা কোনো বিষয়ে প্রতিবাদ করতে দেওয়া হচ্ছে না তার এই মন্তব্যের মাধ্যমে দেশের রাজনৈতিক পরিবেশ এবং ভিন্নমত দমনের প্রবণতা প্রকটভাবে উঠে আসে তিনি অত্যন্ত কঠোর ভাষায় বলেছেন, "দেশে আর গণতন্ত্র বলে কিছু অবশিষ্ট নেই" তার এই উক্তি দেশের বর্তমান গণতান্ত্রিক কাঠামোর ওপর এক গুরুতর প্রশ্নচিহ্ন দাঁড় করিয়েছে তিনি মনে করেন, দেশের যুবসমাজ আজ সম্পূর্ণ হতাশ এবং এই পরিস্থিতিতে তাদের পাশে দাঁড়ানো প্রতিটি দায়িত্বশীল নাগরিক ও রাজনৈতিক দলের নৈতিক কর্তব্য প্রিয়াঙ্কা গান্ধী দৃঢ়ভাবে ঘোষণা করেন যে, তারা শিক্ষার্থীদের পাশে দাঁড়াবেন এবং তাদের অধিকার আদায়ে কাজ করে যাবেন, কারণ এটাই তাদের নৈতিক দায়িত্ব [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]