নীট প্রশ্নফাঁস: বিহারে শিক্ষার্থীদের গণবিক্ষোভ, পাটনার রাজপথ উত্তাল..
নীট প্রশ্নফাঁস: বিহারে শিক্ষার্থীদের গণবিক্ষোভ, পাটনার রাজপথ উত্তাল..
বিবরণী: ভারতে মেডিকেল কলেজে ভর্তির জন্য আয়োজিত সর্বভারতীয় প্রবেশিকা পরীক্ষা, ন্যাশনাল এলিজিবিলিটি কাম এন্ট্রান্স টেস্ট (NEET)-এর প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগকে কেন্দ্র করে ব্যাপক উত্তাল হয়ে উঠেছে বিহারের রাজধানী পাটনা হাজার হাজার বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থী স্বচ্ছতা ও ন্যায়বিচারের দাবিতে আজ রাজপথে নেমে আসে পাটনার গান্ধী ময়দান এবং ডাকবাংলো চত্বরসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ এলাকা বর্তমানে শিক্ষার্থীদের স্লোগানে প্রকম্পিত, যা কার্যত জনসমুদ্রে পরিণত হয়েছে অভিযোগ উঠেছে যে, উচ্চাভিলাষী এই পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হওয়ায় বহু শিক্ষার্থীর ভবিষ্যৎ অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছে, যার ফলে তাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও হতাশা বিরাজ করছে এবং এর সুষ্ঠু সমাধানের দাবিতে তারা একজোট হয়েছে আজ সকাল থেকেই বিহারের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত তরুণ শিক্ষার্থীরা একত্রিত হয়ে সরকারের বিরুদ্ধে স্লোগান দিতে শুরু করে তাদের হাতে ছিল প্ল্যাকার্ড ও ব্যানার, যেখানে প্রশ্নফাঁসের ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, দোষীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং পুনরায় স্বচ্ছতার সঙ্গে পরীক্ষা আয়োজনের দাবি জানানো হয়েছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে বিহার পুলিশ প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়ে মাঠে নামে এবং বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীদের গতিরোধ করার চেষ্টা করে গান্ধী ময়দান এবং ডাকবাংলো মোড়ে পুলিশি ব্যারিকেড ও বিপুল সংখ্যক আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য মোতায়েন করা হয় শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেছে, সুষ্ঠু তদন্তের পরিবর্তে তাদের আন্দোলন দমনের চেষ্টা করা হচ্ছে, যা তাদের ক্ষোভকে আরও উস্কে দিয়েছে এবং তারা শান্তিপূর্ণভাবে তাদের দাবি আদায়ের চেষ্টা করছেন এই প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা শুধু বিহারের মধ্যেই সীমাবদ্ধ নেই, বরং এটি ভারতের সামগ্রিক শিক্ষাব্যবস্থার স্বচ্ছতা ও নির্ভরযোগ্যতা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন তুলেছে এটি হাজার হাজার তরুণ মেধাবীর স্বপ্ন এবং তাদের কঠোর পরিশ্রমকে ম্লান করে দিয়েছে শিক্ষার্থীদের দাবি, যদি এই ধরনের গুরুত্বপূর্ণ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বারবার ফাঁস হতে থাকে, তবে দেশের উচ্চশিক্ষা ব্যবস্থায় আস্থা সম্পূর্ণরূপে হারিয়ে যাবে তারা অবিলম্বে একটি উচ্চপর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনার পেছনের মূল হোতাদের চিহ্নিত করে শাস্তির আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে এছাড়াও, তারা প্রশ্নফাঁস হওয়া পরীক্ষাকে বাতিল করে পুনরায় একটি নিরপেক্ষ ও স্বচ্ছ পরীক্ষা গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে, যাতে প্রকৃত মেধাবীরা তাদের যোগ্য স্থান করে নিতে পারে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত হয় পরিস্থিতির দ্রুত সমাধান না হলে আন্দোলন আরও বৃহত্তর আকার ধারণ করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে [সৌজন্যে: @ranjansinghh_ (𝕏 (Twitter))]