মহিলাদের পুরুষদের উপর domination সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য, তুমুল বিতর্ক..
মহিলাদের পুরুষদের উপর domination সম্পর্কে চাঞ্চল্যকর মন্তব্য, তুমুল বিতর্ক..
বিবরণী: সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হওয়া একটি ভিডিওকে কেন্দ্র করে দেশজুড়ে তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে ভিডিওটিতে এক ব্যক্তিকে দেখা যাচ্ছে, যিনি মহিলাদের পুরুষদের উপর 'ডোমিনেশন' বা আধিপত্য প্রতিষ্ঠা প্রসঙ্গে অত্যন্ত বিতর্কিত মন্তব্য করছেন এই মন্তব্যের ফলে সমাজে ব্যাপক আলোড়ন তৈরি হয়েছে এবং বিভিন্ন মহলে এর প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে ভিডিওটির মূল বিষয়বস্তু হলো, বক্তা দাবি করছেন যে নারীরা স্বভাবতই পুরুষদের চেয়ে বেশি শক্তিশালী এবং তারা যেকোনো পরিস্থিতিতে পুরুষদের উপর আধিপত্য বিস্তার করতে সক্ষম তার মতে, এটি কেবল সামাজিক বা মানসিক নয়, বরং জৈবিক এবং বিবর্তনীয় দিক থেকেও সত্য তিনি উদাহরণস্বরূপ কিছু ঐতিহাসিক ও সমসাময়িক ঘটনার উল্লেখ করে তার এই তত্ত্বকে প্রতিষ্ঠা করার চেষ্টা করেছেন তবে, তার এই বক্তব্য অনেকেই মেনে নিতে পারেননি এবং এর ফলে পক্ষে-বিপক্ষে তীব্র বাদানুবাদ শুরু হয়েছে বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, এই ধরনের মন্তব্য সমাজে লিঙ্গবৈষম্য আরও বাড়িয়ে তুলতে পারে এবং সুস্থ পারিবারিক ও সামাজিক সম্পর্ককে ক্ষতিগ্রস্ত করতে পারে এটি একদিকে যেমন মহিলাদের আত্মবিশ্বাস বাড়াতে পারে, তেমনই অন্যদিকে পুরুষদের মধ্যে হীনমন্যতা এবং ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে এই ভিডিওটি সমাজে নারী-পুরুষের পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ এবং সমতার ধারণাকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে এই ধরনের বক্তব্য প্রচারের আগে এর সম্ভাব্য প্রভাব সম্পর্কে আরও সতর্ক থাকা উচিত বলে তারা মনে করেন সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই ভিডিওটি ব্যাপক হারে শেয়ার হচ্ছে এবং বিভিন্ন অনলাইন প্ল্যাটফর্মে এটি নিয়ে আলোচনা-সমালোচনা চলছে অনেকেই এটিকে 'কক্রোচ পার্টি' বা 'কক্রোচ জনতা পার্টি' বলে আখ্যায়িত করছেন, যা ইঙ্গিত করে যে এটি একটি নির্দিষ্ট গোষ্ঠীর মতামত এবং সাধারণ জনগণের তা নাও লাগতে পারে এই ঘটনার প্রেক্ষিতে, সমাজের সচেতন নাগরিকরা এই ধরনের বিতর্কিত বিষয় নিয়ে খোলামেলা আলোচনার দাবি জানিয়েছেন, যাতে একটি সুস্থ সমাজ বিনির্মাণে সবাই সমান ভূমিকা পালন করতে পারে [সৌজন্যে: Facebook (Facebook)]
