যন্তর মন্তরে পুলিশের সামনে মুখোশধারীদের লাঠি হাতে তাণ্ডব, প্রশ্ন নীরবতা নিয়ে!..
যন্তর মন্তরে পুলিশের সামনে মুখোশধারীদের লাঠি হাতে তাণ্ডব, প্রশ্ন নীরবতা নিয়ে!..
ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত যন্তর মন্তরে প্রকাশ্য দিবালোকে পুলিশের সামনেই মুখোশধারী একদল ব্যক্তির লাঠি হাতে তাণ্ডব চালানোর অভিযোগ উঠেছে সম্প্রতি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা গেছে, বেশ কিছু মুখোশধারী ব্যক্তি লাঠিসোঁটা নিয়ে ঘুরে বেড়াচ্ছে এবং তাদের কর্মকাণ্ডকে 'বড় ধরনের লঙ্ঘন' হিসেবে আখ্যায়িত করা হচ্ছে এই ঘটনায় পুলিশের ভূমিকা নিয়ে গুরুতর প্রশ্ন উঠেছে, কেননা ভিডিওতে পুলিশি উপস্থিতির মাঝেও এসব ব্যক্তিদের নির্বিঘ্নে ঘোরাফেরা করতে দেখা গেছে নাগরিক অধিকারকর্মীরা এই ঘটনার তীব্র নিন্দা জানিয়ে অবিলম্বে দোষীদের চিহ্নিত করে আইনের আওতায় আনার দাবি তুলেছেন ভিডিওর বিবরণীতে স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে যে, মুখোশধারী এই ব্যক্তিরা 'ভুয়া পুলিশ' সেজে ঘুরে বেড়াচ্ছিল এবং তাদের হাতে লাঠি ছিল এতে আরও প্রশ্ন তোলা হয়েছে যে, এসব মুখোশধারী কারা এবং কেন সরকার এ বিষয়ে নীরব? যন্তর মন্তর দীর্ঘকাল ধরে শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অন্যতম কেন্দ্র হিসেবে পরিচিত এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ স্থানে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সামনেই এমন বেপরোয়া কার্যকলাপ গণতান্ত্রিক প্রতিবাদের অধিকারকে মারাত্মকভাবে খর্ব করে এবং জনমনে আতঙ্ক সৃষ্টি করে ভিডিওতে দৃশ্যায়িত ঘটনাটি নাগরিক সমাজের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে, যেখানে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তাকে সন্দেহের চোখে দেখা হচ্ছে এই ঘটনার বিস্তারিত বিবরণ এবং এর পেছনের উদ্দেশ্য সম্পর্কে এখনও কোনো স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি তবে, প্রতিবাদকারীদের সুরক্ষার নিশ্চিতকরণে পুলিশের ব্যর্থতা এবং অজ্ঞাত পরিচয়ের মুখোশধারী ব্যক্তিদের অবাধ বিচরণ ভারতের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে নতুন করে বিতর্ক উসকে দিয়েছে গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রে স্বাধীন মত প্রকাশ ও শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের অধিকার মৌলিক যন্তর মন্তরের মতো ঐতিহাসিক প্রতিবাদস্থলে এমন ঘটনা ঘটলে তা শুধু স্থানীয় পরিবেশকেই নয়, বরং রাষ্ট্রের সামগ্রিক গণতান্ত্রিক মূল্যবোধকেও হুমকির মুখে ফেলে দেয় বিশ্লেষকরা মনে করছেন, এই ঘটনার পেছনে কোনো বৃহত্তর রাজনৈতিক উদ্দেশ্য আছে কি না, তা খতিয়ে দেখা জরুরি এমন পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রের তরফ থেকে একটি স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্ত অপরিহার্য মুখোশধারী এসব ব্যক্তির পরিচয় উদ্ঘাটন এবং তাদের পেছনে কোনো সংঘবদ্ধ চক্রের হাত আছে কি না, তা জনসম্মুখে আনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একই সাথে, পুলিশের ভূমিকা পর্যালোচনা করে তাদের নিষ্ক্রিয়তার কারণ চিহ্নিত করা এবং দায়ীদের জবাবদিহিতার আওতায় আনা না গেলে ভবিষ্যতে এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধ করা কঠিন হবে নাগরিক সমাজ এবং মানবাধিকার সংগঠনগুলো ইতিমধ্যে এই ঘটনার কড়া নিন্দা জানিয়ে সরকারের কাছে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়েছে, যাতে প্রতিবাদের স্থানগুলোতে সকলের নিরাপত্তা ও স্বাধীনতা নিশ্চিত করা যায় [সৌজন্যে: @ultrapromax100 (𝕏 (Twitter))]