জন্তর মন্তরে বৃষ্টিতে ছাত্রদের রেইনকোটে বাধা, সমালোচিত দিল্লি পুলিশ..

Næste

জন্তর মন্তরে বৃষ্টিতে ছাত্রদের রেইনকোটে বাধা, সমালোচিত দিল্লি পুলিশ..

0 Views· 24/07/26
Aditya Dhar
Aditya Dhar
3 Abonnenter
3
I

বিবরণী: ভারতের রাজধানী দিল্লির প্রাণকেন্দ্র জন্তর মন্তরে চলমান এক ছাত্র বিক্ষোভে পুলিশের বিতর্কিত ভূমিকা নিয়ে তীব্র সমালোচনার ঝড় উঠেছে মুষলধারে বৃষ্টির মধ্যে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের কাছে রেইনকোট পৌঁছাতে বাধা দিয়েছে দিল্লি পুলিশ অভিজিৎ দীপ নামের এক ব্যক্তি কর্তৃক ধারণকৃত একটি ভিডিওতে এই অমানবিক চিত্র উঠে আসার পর জনমনে ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে ভিডিওতে দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা যখন তাঁবুর নিচে শুকনো ও সুরক্ষিত অবস্থায় দাঁড়িয়ে আছেন, তখন আন্দোলনকারী ছাত্ররা বৃষ্টিতে ভিজে সিক্ত হচ্ছেন এই ঘটনা বিক্ষোভকারীদের মৌলিক অধিকার এবং পুলিশের মানবিকতা নিয়ে নতুন করে প্রশ্ন তুলেছে জন্তর মন্তরের আবহাওয়া প্রতিকূল হয়ে ওঠে যখন ভারি বৃষ্টিপাত শুরু হয় এমন পরিস্থিতিতে ছাত্রদের স্বাস্থ্যঝুঁকি উপেক্ষা করে দিল্লি পুলিশ রেইনকোট বা ছাতা নিয়ে তাদের কাছে যেতে দেয়নি অভিজিৎ দীপের ধারণ করা ভিডিওতে স্পষ্ট দেখা যায়, পুলিশ সদস্যরা নিজেদের জন্য সুরক্ষিত তাঁবুর ব্যবস্থা করেছেন এবং তাদের উর্দি পুরোপুরি শুকনো ও চকচকে দেখাচ্ছিল অন্যদিকে, খোলা আকাশের নিচে দাঁড়িয়ে থাকা শত শত ছাত্র প্রবল বৃষ্টির মধ্যে সম্পূর্ণ ভিজে একাকার হয়ে যায় তাদের পোশাক ভিজে শরীরে লেপ্টে যায় এবং ঠান্ডা হাওয়ায় কাঁপতে দেখা যায় অভিযোগ উঠেছে যে, ইচ্ছাকৃতভাবে ছাত্রদের প্রতিরোধ সামগ্রী থেকে বঞ্চিত করে তাদের উপর চাপ সৃষ্টির চেষ্টা করা হয়েছে, যা শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ দমনের একটি কৌশল এই ঘটনা শুধু ছাত্রদের প্রতি পুলিশের অসংবেদনশীল আচরণই তুলে ধরেনি, বরং শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদ জানানোর সাংবিধানিক অধিকারের উপরও প্রশ্ন তৈরি করেছে চরম প্রতিকূল আবহাওয়ায় আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ন্যূনতম সুরক্ষা থেকে বঞ্চিত করার এই পদক্ষেপ স্বাস্থ্যগত ঝুঁকি বাড়িয়ে দিয়েছে এবং তাদের মনোবল ভাঙার একটি অপচেষ্টা হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিডিওটি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই দেশজুড়ে পুলিশের এমন কর্মকা-ের তীব্র নিন্দা জানানো হচ্ছে মানবাধিকার কর্মীরা এই ঘটনার পূর্ণাঙ্গ তদন্ত এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানিয়েছেন এ ধরনের ঘটনা গণতন্ত্রে প্রতিবাদ জানানোর পরিসরকে সংকুচিত করে এবং রাষ্ট্র ও জনগণের মধ্যে আস্থাহীনতা তৈরি করে পর্যবেক্ষকরা বলছেন, এমন আচরণ পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলতে পারে এবং শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরও গভীর ক্ষোভের জন্ম দিতে পারে [সৌজন্যে: @dbabuadvocate (𝕏 (Twitter))]

Vis mere

 0 Kommentarer sort   Sorter efter


Næste